সিরাজদিখানে নিখোঁজের তিন দিন পর লাশ উদ্ধার

dead bodyইমতিয়াজ বাবুল: সিরাজদিখানে নিখোঁজ হবার ৩ দিন পর উদ্ধার হলো সুজন হাওলাদার(৩২) এর লাশ। রোববার জৈনসার ইউনিয়নের একটি পরিত্যাক্ত ভবন থেকে তার লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। জুয়া খেলাকে কেন্দ্র করে সুজন খুন হয়ে থাকতে পারে বলে পুলিশ মনে করছে।

জানা যায়, উপজেলার জৈনসার ইউনিয়নের ভাটিমভোগ গ্রামের মতিন হাওলাদারের ছেলে সুজন হাওলাদার বাজারে যাবার কথা বলে বাড়ি থেকে বের হয়ে গত তিন দিন আগে নিখোঁজ হন। পরিবারের সদস্যরা সম্ভাব্য স্থানে খোজাখোঁজি করে না পেয়ে অবশেষে রোববার সকালে সিরাজদিখান থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করে। ডায়েরি করার কয়েক ঘন্টা পর জৈনসার ইউনিয়নের দক্ষিন চাইনপাড়া গ্রামে সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান আলমাস মোল্লার একটি পরিত্যাক্ত বাড়ির (দাশের বাড়ি) পরিত্যাক্ত দ্বিতল ভবন হতে পুলিশ তার লাশ উদ্ধার করে।

সিরাজদিখান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবুল বাসার জানান, রোববার দুপুরে পরিত্যাক্ত ওই ভবন থেকে পচা গন্ধ বের হলে এলাকাবাসী পুলিশকে খবর দেয়। পুলিশ গিয়ে পরিত্যাক্ত ওই ভবনের একটি কক্ষ থেকে সুজনের লাশ উদ্ধার করে। তাকে ২/৩ দিনে আগেই হত্যা করা হয়েছে বলে ধারনা করছে পুলিশ। ওসি বলেন, পরিত্যাক্ত ওই বাড়িটি স্থানীয় একটি গ্রুপ নিয়মিত জুয়ার আসরসহ নানা আসামাজিক কর্মকান্ড চালিয়ে আসছিল বলে পুলিশ জানতে পেরেছে। ধারণা করা হচ্ছে জুয়ার টাকা নিয়ে দ্বন্দ্বে সুজন খুন হয়েছে। লাশ ময়না তদন্তের জন্য মুন্সীগঞ্জ মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ব্যাপারে সিরাজদিখান থানায় একটি মামলা প্রক্রিয়াধীন আছে। অচিরেই হত্যার রহস্য উম্মোচিত হবে।

============

সিরাজদিখানে যুবকের লাশ উদ্ধার

নিখোঁজের তিন দিন পর মুন্সীগঞ্জের সিরাজদিখানের চাইনপাড়া গ্রামের পরিত্যক্ত একটি ভবন থেকে সুজন হাওলাদার (৩২) নামে এক যুবকের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। রোববার দুপুর ১টার দিকে পুলিশ তার লাশ উদ্ধার করে।

নিহত সুজন উপজেলার জৈনসার ইউনিয়নের ভাটিমভোগ গ্রামের মতিন হাওলাদারের ছেলে। লাশ উদ্ধারের পর ময়নাতদন্তের জন্য মুন্সীগঞ্জ জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।

সিরাজদিখান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আবুল বাসার বাংলানিউজকে জানান, গ্রামবাসীর কাছ থেকে খবর পেয়ে দুপুরে পরিত্যক্ত ওই ভবনের দ্বিতীয় তলা থেকে সুজন হাওলাদারের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে।

তিনি জানান, তিনদিন আগে সুজন বাড়ি থেকে বের হয়ে নিখোঁজ হন। এ ঘটনায় রোববার সকালে তার পরিবারের পক্ষ থেকে সিরাজদিখান থানায় সাধারণ ডায়রি করা হয়। দুপুরে ওই ভবনে গ্রামবাসী তার লাশ দেখে পুলিশকে খবর দেয়।

ওসি আরও জানান, পরিত্যক্ত এই ভবনটিতে দীর্ঘদিন ধরে একটি চক্র জুয়া খেলতো বলে গ্রামবাসী জানিয়েছে। তাই প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, জুয়া খেলার টাকা ভাগাভাগি নিয়ে সুজন হাওলাদারকে হত্যা করে লাশ ফেলে রেখে গেছে দুর্বৃত্তরা।

এ ব্যাপারে তদন্ত শুরু হয়েছে। তবে কে বা কারা ওই এলাকায় জুয়া খেলতো তাদের নাম-পরিচয় জানা গেলে শিগগিরই হত্যাকাণ্ডের রহস্য বেরিয়ে আসবে।

বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর