গজারিয়ার ফুলদি নদীতে ১১ বছরেও সেতু নির্মাণ হয়নি

fuldiশরিফ হোসেন রিপন: মুন্সীগঞ্জ জেলার অন্যতম উপজেলা গজারিয়া। বিভিন্ন নদী ও শাঁখা নদীর অববাহিকায় অন্যন্য উপজেলা থেকে এ উপজেলাটি জেলা প্রশাসন থেকে অনেকটা বিচ্ছিন্ন। যার প্রধান কারন শুধুমাত্র নৌ যান-বাহনে চলাচল ছাড়া আর বিকল্প কোন ব্যবস্থা না থাকা। উপজেলাটির অন্তর্ভুক্ত গ্রাম গুলোর মধ্য দিয়ে বয়ে গেছে নানা শাঁখা নদী। ফলে এক গ্রাম থেকে অন্য গ্রামে চলাচলেও একমাত্র ভরসা নৌকা ও ট্রলার। আর এই ঝুঁকিপূর্ণ যাতায়াতে সংগ্রাম করে চলছে এলাকাবাসী ও বিশেষ করে শিক্ষার্থীরা। উপজেলাটির বিভিন্ন গ্রাম যেমন, রসুলপুর, দৌলতপুর, ইমামপুর, আধাঁর মানিক,করিম খাঁ, মাথাভাঙ্গা প্রভৃতি স্থানে প্রায় ২৫ হাজার লোকের বসবাস। আসেপাশে কোন হাই স্কুল না থাকায় সেখানকার প্রায় ২ হাজারেরও বেশী শিক্ষার্থীরা শিক্ষা গ্রহন করতে আসে গজারিয়া পাইলট হাই স্কুল এবং গজারিয়া পাইলট উচ্চ বালিকা বিদ্যালয়ে। পাশাপাশি নদীর এপারে ও রয়েছে গজারিয়া বাতেনিয়া আলীম মাদ্রাসা, মাথাভাঙ্গা মহিলা আলিম মাদ্রাসা এছারা ও রয়েছে গজারিয়া সরকারি ডিগ্রী কলেজ।

প্রতিদিন, ঝুঁকি নিয়ে ট্রলারে নদী পার হয়ে বিদ্যালয়ে যেতে হয় শিক্ষার্থীদের। বিশেষ করে বৃষ্টির দিনে এবং দূর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ায় চরম দুর্ভোগে পরে তারা। এলাকাবাসীর দাবী যেন, যথাযথ কতৃপক্ষ একটি সেতু নির্মাণ করে নিরাপদ যাতায়াতের জন্য।

এদিকে ভবেরচর, গজারিয়া, মুন্সিগঞ্জ সড়কের ৫ম কিলোমিটারে অবস্থিত ফুলদি নদীর উপর সেতু নির্মাণের প্রস্তাবনা গৃহিত এবং ভিত্তি প্রস্তর স্থাপিত হয় ২০০২ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারী। কিন্তু নানা জটিলতায় সেতুটি ১১ বছর অতিক্রম হবার পরেও নির্মাণ করা সম্ভব হয়নি। স্থানীয় প্রশাসনের কাছে চাওয়া যেন, এ বেপারে অতি দ্রুত পদক্ষেপ নেয়া হয়। এলাকাবাসী এবং শিক্ষার্থীদের ঝুঁকিহীন ও নিরাপদ যাতায়াত ব্যবস্থা সেতু নির্মাণে বাংলাদেশ সড়ক প্রশাসনের অগ্রনী ভূমিকা এখন সকলের চাওয়া।

লাইভ প্রেস