এক দিনে আপিল শুনানি ও নিষ্পত্তি

মুন্সীগঞ্জের রাজস্ব সার্কেল কার্যালয়
মুন্সীগঞ্জের রাজস্ব সার্কেল কার্যালয়ে যেখানে মাসের পর মাস ফাইল আটকে থাকে, সেখানে এক দিনে আপিল, শুনানি ও নিষ্পত্তির ঘটনা ঘটেছে। এতে মামলার একটি পক্ষ বিস্ময় প্রকাশ করেছে। ঢাকা-মাওয়া মহাসড়কে মুন্সীগঞ্জের শ্রীনগর উপজেলার ষোলঘর এলাকার ইসলাম ফিলিং স্টেশনের ব্যবস্থাপক মো. শফিকুল ইসলাম জানান, শ্রীনগরে ৬১ শতাংশ জমির মালিক তাঁর মৃত শ্বশুর। ওই জমি নিয়ে প্রথমে জনৈক শাহ আলম মামলা করেন।

মামলায় বিবাদী করা হয় শাশুড়ি রাবেয়া বেগমকে। ওই মামলা খারিজ হয় ছয় মাস আগে। খারিজের এক মাসের মধ্যে আপিলের বিধি রয়েছে। কিন্তু ছয় মাস চার দিন পর হঠাৎ করে গত ১৯ জানুয়ারি জনৈক দুলালসহ ১৫ ব্যক্তি একটি আপিল করেন। একই দিন শুনানি, তামাদি মওকুফ এবং আপিলের রায় হয়। ওই দিনই রায়ে সহকারী প্রশাসক (ভূমি বা এসি ল্যান্ড) স্বাক্ষর করেন। একই দিন আরএম শাখার নথি তলব এবং শ্রীনগর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) কর্তৃক স্বাক্ষরিত বাদী-বিবাদীর পক্ষে নোটিশ পাঠানোর কাজ সম্পন্ন হয়েছে।

শফিকুল ইসলাম অভিযোগ করেন, ‘ওই অফিসে যেখানে মাসের পর মাস ফাইল বন্দি থাকে, সেখানে ওই মামলার কাজ সম্পন্ন হয়েছে বিদ্যুৎ গতিতে। এটা বিস্ময়কর ঘটনা।’

এ ব্যাপারে মুন্সীগঞ্জের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) ব্যারিস্টার গোলাম সারওয়ার বলেন, ‘ওই মামলা সব আইন-কানুন মেনেই করা হয়েছে। কোনো মামলা তামাদি না করে অন্য কোনো আদেশ দেওয়া যায় না। মামলা তামাদি হলে নথিও একই দিনে তলব করে আদেশ দেওয়া হয়।’

কালের কন্ঠ