নূরপুর গ্রামের শত বছরের পুকুরটি বেদখল হয়ে যাচ্ছে

nurpur pondসারা দেশে তীব্র পানি সংকট সেখানে মুন্সীগঞ্জের মিরকাদিম পৌরসভার নূরপুর গ্রামের প্রায় শত-বছরের পুরনো ঐতিহ্যবাহী পুকুরটি বেদখল হয়ে যাচ্ছে। গ্রামবাসীর কল্যাণে মরহুম পচু বেপারী এই পুকুরসহ অনেক জায়গা-জমি ওয়াকফা করে দিয়ে ছিলেন।

মঙ্গলবার সরেজমিন ঘুরে জানা গেছে, ১২-ভূতে অবৈধভাবে তার ওকাফাকৃত জায়গা দখল করে খাচ্ছে। এরমধ্যে ওই পুকুরটির ওপর কুদৃষ্টি পড়েছে কিছু স্বার্থন্বেষী প্রভাবশালী মহলের। পুকুরটির একটা অংশ ইতিমধ্যে মাটি ও ময়লা-আবর্জনা ফেলে ভরাট করে ফেলা হয়েছে। সম্প্রতি পুকুরপারে দোকানপাট তুলে পুকুরাটি ক্রমেই সম্পূর্ণ দখলের পাঁয়তারা চলছে। পুকুরটি কমপক্ষে ৩৫ শতাংশ।

এই পুকুররে সাতার প্রতিযোগিতা হতো। গ্রামের মানুষ গোসল করাসহ গৃহস্থলীর নানা কাজে এই পুকুরের পানি ব্যবহার করতো। পুকুরটির অবস্থা বর্তমানে শোচনীয়। ময়লা-আবর্জনা ফেলার কারণে পানি ব্যবহার অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। সংস্কার করাতো দূরের কথা দখলের নানা ফন্দি-ফিকির চলছে। নূরপুর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পাশেই এই পুকুরটি অবস্থিত।
nurpur pond
দীর্ঘ বছর ধরে ওই ওয়াকফা এস্টেটের মোতাওয়াল্লি নেই। মোতাওয়াল্লি না থাকার কারণে এবং প্রশাসনের কর্যকরী ভূমিকার অভাবে বেহাত হয়ে পড়ছে পচুবেপারীর ওয়াকফাকৃত ২ একরের অধিক জায়গা।

ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে মিরকাদিম পৌরসভার মেয়র মো. শহীদুল ইসলাম শাহীন বলেন, পুকুরপাড়ের অবৈধ দোকানপাট শিঘ্রই তুলে দেয়া হবে। দ্রুতই পুকুরটি সংস্কারের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

এবিনিউজ
=======

মুন্সীগঞ্জের ঐতিহ্যবাহী পুকুর বেদখল হচ্ছে
প্রশাসন বা স্থানীয় জন প্রতিনিধিদের মাথাব্যথা নেই
মুন্সীগঞ্জের মিরকাদিম পৌরসভার নূরপুর গ্রামের ঐতিহ্যবাহী পুকুরটি বেদখল হয়ে যাচ্ছে। এ নিয়ে প্রশাসন বা স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের কোনো মাথাব্যথা নেই।

গ্রামবাসীর কল্যাণে প্রয়াত পচু বেপারী পুকুরসহ তার জায়গা-জমি ওয়াকফ করে দেন। পুকুরটির জায়গার পরিমাণ ৩৫ শতাংশ। আগে এ পুকুরে সাঁতার প্রতিযোগিতা হতো। গ্রামের মানুষ গোসল করাসহ গৃহস্থালির নানা কাজে এ পুকুর ব্যবহার করত। বর্তমানে পুকুরটির অবস্থা শোচনীয়। ময়লা-আর্বজা ফেলার কারণে পানি ব্যবহার অনুপযোগী হয়ে পড়েছে।
nurpur pond1
সংস্কার তো দূরের কথা দখলের নানা ফন্দি-ফিকির চলছে। প্রশাসনের কার্যকর ভূমিকার অভাবে পুকুরসহ পচু বেপারীর ওয়াকফকৃত ২ একরের অধিক জায়গা বেহাত হতে চলছে। সম্প্রতি পুকুরটির ওপর কিছু স্বার্থান্বেষীর কুদৃষ্টি পড়ে। তারা ইতোমধ্যে পুকুরটির একটা অংশ মাটি ও ময়লা-আবর্জনা ফেলে ভরাট করে ফেলে। কিছুদিন আগে পুকুরপাড়ে দোকানপাট নির্মাণ করা হয়।

মিরকাদিম পৌরসভার মেয়র শহীদুল ইসলাম শাহীন জানান, পুকুরপাড়ের অবৈধ দোকানপাট শিগগিরই তুলে দেয়া হবে। দ্রুত পুকুরটি সংস্কারের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

যায় যায় দিন