মুন্সীগঞ্জে দূষণের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ

dusanশহরের কাছে চরমুক্তারপুরে ৫টি সিমেন্ট ফ্যাক্টরীর অনবরত পরিবেশ দূষণ এবং ধলেশ্বরী, মেঘনা ও ফুলদী নদী তীরের কয়েকটি ফ্যাক্টরীর ইটিপি যথাযথভাবে ব্যবহার না করে বর্জ্য নদীতে ফেলা নিয়ে ব্যাপক আলোচনা হয়। সিমেন্ট ফ্যাক্টরীগুলো খোলা ক্যানে করে জাহাজ থেকে ক্লিংকার অপসারণে নদীর পানি ও বায়ু মারাত্মকভাবে দূষিত হচ্ছে।

এতে মুন্সীগঞ্জ জেলা শহর ও আশপাশের মানুষ নানা রোগে ভুগছে। পরিবেশে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে মারাত্মকভাবে। নদীতে বর্জ্য ফেলার কারণে ধলেশ্বরী ও মেঘনার পানি নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। ধলেশ্বরীর পানির দুর্গন্ধে নদী তীরের মানুষের টিকে থাকা দায় হয়ে পড়েছে। সোমবার দুপুরে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে জেলা আইন শৃঙ্খলা কমিটির সভায় এসব বিষয়ে ব্যাপক আলোচনার পর দূষণের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ গ্রহনের সর্বসম্মতি সিদ্ধান্ত গৃহিত হয়।

এছাড়া গজারিয়ায় পুলিশের এএসআই কর্তৃক সহকারী রির্টানিং অফিসার শারিরিকভাবে লাঞ্ছিত হওয়ার ঘটনায় থানায় লিখিত অভিযোগ দাখিলের পরও মামলা না নেয়া, নির্বাচনী সহিংসতায় তিন জন নিহত এবং বেশ ক’জন আহত, ফরাজিকান্দি গ্রামের অচলাবস্হা ও ইসমানিরচর গ্রামে হামলারনিয়ে আলোচনা হয়। এছাড়া সদরের চরাঞ্চলের মোল্লাকান্দিতে সহিংসতা, মাওয়ায় রাতে স্পিডবোট চলাচলে দুর্ঘটনা, শহরে যানজট ও মাদকের আগ্রাসন এবং ধলেশ্বরী নদীর নাব্য সঙ্কটরে কারণে মিরকাদিম থেকে সিরাজদিখান পর্যন্ত নৌ চলাচল বন্ধে বেশ কয়েকটি হিমগার এবং একটি জুট মিল মারাত্মক ক্ষতির সম্মুখীন ছাড়াও কৃষকের উৎপাদিত কৃষি পন্য বাজারজাতকরণ ব্যাহত হওয়ায় এই অঞ্চলের অর্থনীতিতে নেতিবাচক প্রভাব পরে।

জেলা প্রশাসক মো. সাইফুল হাসান বাদলের সভাপতিত্বে এতে আলোচনা করেন জেলা পরিষদ প্রশাসক আলহাজ মো. মহিউদ্দিন, অ্যাডভোকেট মৃনাল কান্তি দাস এমপি, ভারপ্রাপ্ত পুলিশ সুপার মো. জাকির হোসেন মজুমদার, এডিএম নজরুল ইসলাম সরকার, সিভিল সার্জন ডা. কাজী শরিফুল আলম, সরকারি হরগঙ্গা কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ সাহেদুল কবির, মিরকাদিম পৌর মেয়র শহিদুল ইসলাম শাহিন, জেলা খাতক দালাল নির্মূল কমিটির সভাপতি মো. জামাল হোসেন, পিপি এ্যাডভোকেট আব্দুল মতিন, প্রেসক্লাব সভাপতি মীর নাসিরউদ্দিন উজ্জ্বল, সদর উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান মেহেরুন্নেসা নাজমা, গজারিয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আমিরুল ইসলাম, সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শামসুল কবির মাস্টার।

স্বদেশ