চার বছরের মধ্যেই পদ্মা সেতুর কাজ শেষ হবে : নিউইয়র্কে অর্থমন্ত্রী

padmaযুক্তরাষ্ট্র সফররত অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আব্দুল মুহিত বলেছেন, আগামী চার বছরের মধ্যেই পদ্মা সেতুর নির্মাণ কাজ শেষ হবে। বিশ্বব্যাংক, এডিবি ও জাইকার দেয়া নকশা অনুযায়ী কাজ হবে, কোন কিছুতেই পরিবর্তন আনা হবে না। প্রতিবছর বাজেট বরাদ্দ থেকে পদ্মা সেতুর অর্থায়ন করা হবে। স্থানীয় সময় শনিবার সন্ধ্যায় নিউইয়র্কে মুজিবনগর দিবসের এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা জানান। অর্থমন্ত্রী আরও বলেন, পদ্মা সেতু নির্মাণের জন্য মাওয়া অ্যাপ্রোচ রোডের কাজ শেষ হয়েছে। এ বছরের জুন মাসে পদ্মা সেতুর ভিত্তি নির্মাণ শুরু হবে। ইতোমধ্যে আন্তর্জাতিক দরপত্র মূল্যায়ন শুরু হয়েছে। এছাড়া জুলাই মাসে নদী শাসন এবং সেতুর তদারকি পরামর্শক প্রতিষ্ঠান নিয়োগ সংক্রান্ত দরপত্র আহ্বান করা হবে বলে জানান অর্থমন্ত্রী। বাংলাদেশি অধ্যুষিত জ্যাকসন হাইটসের পালকি পার্টি সেন্টারে সার্বজনীন মুজিবনগর দিবস উদযাপন কমিটি আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ সোসাইটির সভাপতি কামাল আহমেদ এবং সভা পরিচালনা করেন সাবেক ছাত্রনেতা ও যুক্তরাষ্ট্র আ. লীগের গণসংযোগ সম্পাদক কাজী কায়েস আহমেদ।

অনুষ্ঠানে অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আব্দুল মুহিত প্রবাসীদের দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলেন, বিদেশী সাহায্য ছাড়াই নিজস্ব অর্থায়নে পদ্মা সেতু নির্মাণ করা হবে উল্লেখ করে অর্থমন্ত্রী প্রবাসীদের জানান, পদ্মা সেতুর নকশায়ও কোনো প্রকার পরিবর্তন হচ্ছে না। শুরু থেকে রেললাইন ও দোতলা সড়কসহ যেভাবে নকশা করা হয়েছিল ওই নকশা অনুযায়ী পদ্মা সেতু নির্মাণ করা হবে। পদ্মা সেতুর অর্থায়ন কীভাবে হবে তার ব্যাখ্যা টেনে অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আব্দুল মুহিত বলেন, আমাদের এখন দুই লাখ ১১ হাজার কোটি টাকার বাজেট। প্রতিবছর বাজেটে ৫ থেকে ৬ হাজার কোটি টাকা পদ্মা সেতুর জন্য বরাদ্দ রাখা হলে কোনো সমস্যাই হবে না। এভাবে চার বছরে সেতুর ব্যয় বাবদ ২২ হাজার কোটি টাকা অর্থায়ন করা হবে। অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য দেন বিশেষ অতিথি সিলেট জেলার সাংসদ ইমরান আহমেদ, নিউইয়র্কের কনসাল জেনারেল শামীম আহসান, যুক্তরাষ্ট্র আ. লীগের উপদেষ্টা সাইফুল ইসলাম রহিম, বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল জলীল, যুক্তরাষ্ট্র আ. লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মহিউদ্দিন দেওয়ান, যুক্তরাষ্ট্র যুবলীগের সভাপতি মিসবাহ আহমেদ, নিউইয়র্ক স্টেট আ. লীগের সহ-সভাপতি মহিউদ্দিন, সা. সম্পাদক শাহীন আজমল, যুক্তরাষ্ট্র স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি নুরুজ্জামান সরদার, সা. সম্পাদক দরুদ মিয়া রনেল, কানেকটিকাট স্টেট আ. লীগের সভাপতি জুনেদ এ খান, জালালাবাদ সমিতির সাবেক সভাপতি জন উদ্দিন,কৃষিবিদ আশরাফুজ্জামান, মোর্শেদা জামান,মর্তুজা আহমেদ, রুহেল আহমেদ, আনোয়ার আহমেদ ও যুক্তরাষ্ট্র জাতীয় পার্টির সভাপতি মোস্তাফিজুর রহমান প্রমুখ। উক্ত অনুষ্ঠানে সংগঠনের নেতা-কর্মীরা ছাড়াও বিপুলসংখ্যক প্রবাসী অংশগ্রহণ করে।

কালের কন্ঠ