টঙ্গীবাড়ি উপজেলা যুবলীগের কার্যক্রম স্থবির

balমুন্সীগঞ্জের টঙ্গীবাড়ি উপজেলা শাখা আওয়ামী যুবলীগের কমিটির বয়স এখন ১৪ বছর । নেই কোন সাংগঠনিক কর্মকান্ড। তৃণমূলের অনেকেই জানে না আদৌ উপজেলা যুবলীগের কমিটি আছে কি-না। ২০০১ সালের মার্চ মাসে টঙ্গীবাড়ি পপি সিনেমা হলে জাকজমকভাবে যুবলীগের তৃ-বার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। এতে সভাপতিত্ব করেছিলেন প্রথম পর্বে উপজেলা যুবলীগের সভাপতি গিয়াসউদ্দিন আহমেদ মাঝি দ্বিতীয় পর্বে জেলা যুবলীগের আহ্বায়ক জাকির খান। উপস্থিত ছিলেন সাবেক এসপি মাহবুব উদ্দিন আহমেদ বীরবিক্রম, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি এডভোকেট মুক্তাদিরসহ অনেক সিনিয়র নেতৃবৃন্দ। ওই সম্মেলনে সভাপতি পদে শেখ মতিউর রহমান ও রেজাউর রহমান ডিউক এবং সাধারণ সম্পাদক পদে খান আবু বকর সিদ্দীক ও আতিকুর রহমান শিল্পী প্রার্থী ছিলেন। গিয়াস উদ্দিন মাঝি সভাপতি ও মতিউর রহমান সাধারণ সম্পাদক পদে ১৯৯২ থেকে ২০০১ সাল পর্যন্ত যুবলীগকে শক্তিশালী করেছিলেন। গিয়াস ওই পদ থেকে মূল দলে চলে যাওয়ায় মতি সভাপতি পদে চলে আসেন।

অন্যদিকে, ডিউক উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি থেকে যুবলীগের সভাপতি পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। খান আবু বকর সিদ্দীক আউটশাহী ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি থাকাকালীন অবস্থায় উপজেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক পদে শেখ মতির সাথে এক প্যানেলে প্রার্থী হন। শিল্পী সাধারণ সম্পাদক পদে ডিউকের সাথে প্যানেল কওে প্রার্থী হন।

২০০১ সালের সম্মেলনে ৪ দিনের জন্য কমিটি স্থগিত করে দেয়া হয়। ৩ দিন পর সংবাদ পত্রে দেখা যায় ডিউককে সভাপতি ও শিল্পীকে সাধারণ সম্পাদক করে কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে।

পরবর্তীতে মতি ওই পদ থেকে সরে দাঁড়ালে শুরু হয় টঙ্গীবাড়ি উপজেলা যুবলীগের কমিটির কার্যক্রম। ১৪ বছর পেরিয়ে গেলেও ওই কমিটির দুই ব্যক্তি দুই মেরুতে থেকে যুবলীগকে দুর্বল করে দিয়েছে। এ বিষয়ে আতিকুর রহমান শিল্পী জানান, কখন কীভাবে কমিটি হয়েছে সে নিজেই জানেনা। এছাড়া সম্মেলন করার তাদের কোন ইচ্ছা নেই।

যুবলীগের তৃণমূলের নেতাকর্মীরা জানিয়েছেন এ ব্যাপারে জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শেখ লুৎফর রহমানের হস্তক্ষেপ ছাড়া সম্মেলন সম্ভব নয়। কারণ এটা তার নিজের উপজেলা।

মুন্সীগঞ্জ বার্তা