মুন্সীগঞ্জ আন্তঃজেলা ডাকাত দলের বেপরোয়া ডাকাতি

dakatiমুন্সীগঞ্জ জেলার বিভিন্ন এলাকায় আন্তঃজেলা ডাকাতেরা বেপরোয়া হয়ে উঠেছে। গত কয়েকমাস ধরে উপজেলার কোনো না কোনো স্থানে ডাকাতি ঘটছে। ডাকাতির ঘটনা ঘটলেও পুলিশি হয়রানির ভয়ে ক্ষতিগ্রস্তরা থানায় মামলা করতে চায় না।

সম্প্রতি সময়ে লৌহজং ও সিরাজদিখানে বেপরোয়া হয়ে উঠেছে ডাকাত দল। গভীর রাতে লুট করে নিয়ে যাচ্ছে স্বর্ণালঙ্কারসহ মালামাল বাধা। দিলে রক্তাক্ত কিংবা জখম করা হচ্ছে। চার দিনের ব্যবধ্যানে লৌহজংয়ে ২ সংখ্যালঘু পরিবারের ডাকাতি হয়, ডাকাতে হামলায় ৬ জন আহত হয়। ক্রমাগত ডাকাতি তে আতঙ্কিত সংখ্যালঘু সহ অন্যান্য সাধারন পরিবার।

গত শনিবার রাত আনুমানিক দেড়টার সময় ২০/২৫ জনের একটি লৌহজং উপজেলার নাগের হাট গ্রামের ড্রিমল্যান্ড মালটি পারপাস কোম্পানির নির্বাহী পরিচালক রবিন ঘোষের দালানের গেট ভেঙ্গে ভিতরে প্রবেশ করে রুমের ভিতরে থাকা লোকজন কে জিম্মি করে নগদ ১ লাখ ৫০হাজার টাকা ও ৭ ভরি স্বর্ণালংকার সহ প্রায় ১০ লাখ টাকার মালামাল লুটে নেয়।

এর আগে গত মঙ্গলবার মধ্যরাতে লৌহজং উপজেলার সাতঘড়িয়া গ্রামে একরাতে পাচঁ ঘরে ডাকাতি সংগঠিত হয়েছে। গত মাসে সিরাজদিখান উপজেলার কেয়াইন ইউনিয়নে বুধবার দিবাগত রাতে আবারও তিনটি বাড়িতে ডাকাতি হয়। এ সময় স্বর্ণালংকারসহ নগদ টাকা নিয়ে যায় ডাকাত দল এবং ঐ বাড়ির ১৭ জন আহত হন।

স্থানীয়রা জানায়, ক্রমাগত ডাকাতির ঘটনায় পুলিশের কোন ভুমিকা না থাকায় এখন আর থানায় অভিযোগ করছে না । তারা আরো জানান, ডাকাতরা সবাই মুখবাধা আবস্থায় রামদা ও বিভিন্ন দেশী অশ্র নিয়ে বোম ফাটিয়ে আসে। আমরা প্রান ভয়ে জিনিসপত্র দিয়ে দেই তবুও ওরা আমাদের মারপিট করে। ডাকাতদের হামলায় এই পর্যন্ত ৩০ জনের মত আহত হয়েছে।

বার্তা২৪