মুন্সীগঞ্জে তিন ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার

dead bodyমুন্সীগঞ্জের লৌহজং, সদর ও শ্রীনগর উপজেলার ৩টি ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার হয়েছে। বৃহস্পতিবার দুপুরে মুন্সীগঞ্জ শহরের উপকন্ঠ জিয়সতলা গ্রামে বসত ঘরের ভেতর থেকে এক গৃহবধুর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। সদর থানার ওসি মো. শহীদুল ইসলাম জানান, দুপুর আড়াইটার দিকে বাবা সাঈদ ব্যাপারীর বসত-ঘর থেকে গৃহবধু লতা বেগমের (২৩) লাশ উদ্ধার করে মুন্সীগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠায় পুলিশ। নিহতের স্বামী সৌদী আরব প্রবাসী আল-আমিনের বাড়ি সদরের মহাকালী ইউনিয়নের ছোট কেওয়ার গ্রামে। একটি স্বর্ণের চেইনের জন্য লতার শ্বশুর বাড়ির লোকজনের মুখে কটু কথা শুনতে হয় বলে লোকলজ্জার ভয়ে লতা আত্মহত্যা করে বলে দাবী করেছে নিহতের বাবা।

এর আগে শ্রীনগর উপজেলার দক্ষিণ ওমপাড়ায় স্কুলের বার্ষিক ক্রীড়া অনুষ্ঠান থেকে ফিরেই পরিত্যাক্ত ঘরে গিয়ে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহননের পথ বেছে নেয় সোমা আক্তার (১৫)। ষোলঘর একেএসকে উচ্চ বিদ্যালয় ১০ম শ্রেণির মেধাবী ছাত্রী কেন এই আত্মহননের পথ বেছে নিয়েছে তা এখনও পরিস্কার নয়। এই ঘটনায় তার বান্ধবীরাও বিস্মিত। পুলিশ সঠিক কারণ বের করতে তদন্তে নেমেছে। শ্রীনগর উপজেলার দক্ষিণ ওমপাড়া গ্রামের আবুল বাশারের কন্যা সোমা আক্তারের এই মৃত্যুর রহস্য নিয়ে নানা প্রশ্নের উদ্রেক হয়েছে।

এ ব্যাপারে শ্রীনগর থানার ওসি শেখ মাহবুবর রহমান জানান, মৃত্যুর সঠিক কারণ জানা যায়নি, তবে শোনা যাচ্ছে-বাবার সাথে অভিমান করে আত্মহত্যা করেছে। এদিকে লৌহজং উপজেলার কান্দিপাড়া থেকে গৃহবধু সানজিদা আক্তারের (১৮) স্বামীর ঘরের আড়ার সাথে নিজের পরিধানের কাপড় দিয়ে গলায় ফাঁস লাগানো অবস্থায় উদ্ধার করে পুলিশ। মাওয়া পুলিম ফাঁড়ির ইনচার্জ এসআই খালিদ হাসান জানান, উদ্ধার করে তাকে পাশ্ববর্তী শ্রীনগর উপজেলার ষোলঘর হাসাপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষনা করে। মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে পারিবারিক কলহ বলা হলেও ময়না তদন্তের পর এব্যাপারে নিশ্চিত হওয়া যাবে। এই তিনটি ঘটনায় স্ব স্ব থানায় মামলা হয়েছে।

স্বদেশ