গজারিয়ার এএসআইয়ের বিষয়ে জানতে চেয়েছে হাই কোর্ট

courtপুলিশের এএসআইয়ের হাতে সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা লাঞ্ছিত হওয়ার ব্যাপারে কী পদক্ষের নেয়া হয়েছে তা জানতে চেয়েছে হাইকোর্ট। বুধবার বিচারপতি মির্জা হোসেইন হায়দার ও বিচারপতি মুহাম্মদ খুরশীদ আলম সরকারের বেঞ্চ এ আদেশ দেয়।

আদেশে আগামী সাত দিনের মধ্যে পুলিশের মহাপরিদর্শক, মুন্সীগঞ্জের পুলিশ সুপার ও গজারিয়া থানার ওসিকে প্রতিবেদন আকারে তা জানাতে বলা হয়েছে।

সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ফরিদুল ইসলাম সংবাদপত্রে এ বিষয়ে প্রকাশিত সংবাদ আদালতের নজরে আনলে আদালত তা আমলে নিয়ে আদেশ দেয়।

এ ব্যাপারে সহকারী এ্যাটর্নি জেনারেল কে এম মাসুদ রুমী বলেন, সহকারী রিটার্নিং অফিসারকে লাঞ্ছিত করার ঘটনায় পুলিশের পক্ষ থেকে কী পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে আগামী সাত দিনের মধ্যে তা জানাতে বলা হয়েছে।

এ বিষয়ে ১০ দিন পর পরবর্তী শুনানির তারিখ ধার‌্য করা হয়েছে বলেও তিনি জানান।

গত ২২ মার্চ গজারিয়া থানার সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) এমদাদুল হক গজারিয়া উপজেলার সহকারী রির্টানিং অফিসার ও ইউএনও এটিএম মাহবুব-উল-করিমকে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করেন।

ঘটনার দিনই গজারিয়ায় থানায় লিখিত অভিযোগ দেন রিটার্নিং অফিসার। কিন্তু অভিযোগটি মামলা হিসেবে গ্রহণ না করায় গত ২৪ মার্চ স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় মামলাটি গ্রহণ করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করে ২৪ মার্চ বিকালের মধ্যে মন্ত্রণালয়কে জানানোর জন্য পুলিশ সুপারকে পত্র দেয়।

কিন্তু তাতেও পুলিশ সুপার কোনো ব্যবস্থা না নেওয়ায় ২৭ মার্চ আরেক পত্রে জরুরি ভিত্তিতে মামলাটি গ্রহণের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণপূর্বক মন্ত্রণালয়কে অবহিত করতে পুলিশ সুপারকে বলা হয়।

কিন্তু তাদেও কাজ না হওয়ায় গত সোমবার (৩১ মার্চ) মুন্সীগঞ্জের পুলিশ সুপার মো. হাবিবুর রহমানকে এই বিষয়ে ৭ দিনের মধ্যে কারণ কারণ দর্শানোর নোটিশ দেয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।

এদিকে, গজারিয়া উপজেলা নির্বাচনে সহিংসতায় তিন ব্যক্তি নিহতসহ অনেক আহত হওয়ার ঘটনা এবং দায়িত্ব অবহেলাসহ নানা কারণে পুলিশ সুপার মো. হাবিবুর রহমানকে এক সপ্তাহের ছুটিতে পাঠানো হয়েছে গত শনিবার।

বিডিনিউজ