মুন্সীগঞ্জে পোলিং এজেন্ট বিহীন নিরাপদ ভোট

upzilalogoপোলিং এজেন্টবিহীন নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে মুন্সীগঞ্জের লৌহজং, সিরাজদিখান ও টঙ্গীবাড়িসহ ৩টি উপজেলায়। নির্বাচনী কেন্দ্রে একটি দলের পোলিং এজেন্ট ছাড়া অন্য কোন দল বা প্রার্র্থীর সব কেন্দ্রে ছিল। তাই কোন কোন প্রার্থীর পক্ষে নিরাপদ ভোট হয়েছে এখানে। সোমবার মুন্সীগঞ্জের ৩টি উপজেলা ঘুরে দেখা যায়, সকালের দিকে কোন কোন কেন্দ্রে সব প্রার্থীরই পুলিং এজেন্ট কেন্দ্রে ছিল। কেন্দ্রগুলোতে প্রার্থী মনোনিত পোলিং এজেন্টরা সকালে এসে সংশ্লিষ্ট প্রিজাইডিং অফিসারে নিকট থেকে পাশ সংগ্রহ করে। কিন্তু বেলা বড়ার সাথে সাথে আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থীদের পক্ষের এজেন্টরা উপস্থিত থাকলেও বিএনপি সমর্থিত প্রার্থীদের এজেন্ট কমতে থাকে।

সকালের দিকে কেন্দ্রগুলো ভোটারদের তেমন উপস্থিতি না থাকলেও সকাল সাড়ে ৯টা হতে ভোট কেন্দ্রগুলোতে ভোটারদের ভিড় লক্ষ্য করা যায়। তবে দুপুরের দিকে কেন্দ্রগুলো ছিল একেবারেই ফাঁকা। কোন কোন কেন্দ্রে দেখা গেছে পোলিং এজেন্ট, পোলিং অফিসার ও সহকারী প্রিজাইডিং অফিসাররা বসে গল্প করছেন। তবে এ সময় প্রায় ৬০ ভাগ ভোট বড়েছে বলে প্রিজাইডিং অফিসারদের সাথে আলাপ করে জানা যায়।

লৌহজং উপজেলা বিএনপি সমর্থিত প্রার্থী আলহাজ্ব শাহজাহান খান দাবী করেছেন, আওয়ামী লীগ প্রার্থীর সমর্থকরা তার এজন্টেদের কেন্দ্রে ঢোকতে দেয়নি। একই অভিযোগ করেন বিএনপি সমর্থিত মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থী ও জনপ্রিয় টিভি উপস্থাপিকা রিফ্ফাত হোসেন লুসি। কেন্দ্রগুলোতে তার এজেন্টদের ঢুকতে দেয়া হয়নি বলে তিনি অভিযোগ করেছেন। এ অভিযোগ অস্বীকার করে আওয়ামী লীগ প্রার্থী মো. ওসমান গনি তালুকদার বলেন, এই অভিযোগ সঠিক নয়, কাউকে কেন্দ্রে যেতে বাধা বা এজেন্টদের বের করা হয়নি। বরং নির্বাচনের নিশ্চিত পরাজয় জেনে এজেন্ট উঠিয়ে নিয়ে নাটক করেছে বিএনপি প্রার্থী শাহজাহান খান।

লৌহজং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও সহকারী রির্টানিং অফিসার খালেকুজ্জামান জানান, কেন্দ্র থেকে কোন প্রার্থীর এজন্ট বের করে দেওয়ায় কোন ঘটনা ঘটেনি। তবে কেন্দ্রগুলোতে উভয় দলের পোলিং এজেন্ট আসলেও বেলা বাড়ার সাথে সাথে অনেক এজেন্টকে কেন্দ্রে পাওয়া যায়নি।

স্বদেশ