জিয়া পাঁচ মিনিটের রাষ্ট্রপতি : খোকা

khokaএক নতুন দাবি উচ্চারিত হলো বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান সাদেক হোসেন খোকার কণ্ঠে। তার দাবি জিয়াউর রহমান কেবল স্বাধীনতার ঘোষণাই দেননি, নিজেকে রাষ্ট্রপতিও দাবি করে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে সমর্থনের জন্য সারাবিশ্বের প্রতি আহ্বান জানিয়েছিলেন। পাঁচ মিনিটের জন্য হলেও শহীদ জিয়াই বাংলাদেশের প্রথম রাষ্ট্রপতি। এমন দাবি করেছেন গতকাল মঙ্গলবার বিকালে ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে বিএনপি আয়োজিত আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে তিনি এ দাবি করেন।

বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া বিকেল সাড়ে পাঁচটার দিকে অনুষ্ঠানস্থলে আসেন। তবে তিনি উপস্থিত থাকলেও বক্তব্য রাখেননি।

অপর দিকে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান বলেছেন, দেশে যে সরকার রয়েছে তা জনগণের ভোটে নির্বাচিত নয়। সংসদেও তাদের জনপ্রতিনিধিত্ব নেই। ৫ জানুয়ারি ভোটারবিহীন নিবার্চনের মাধ্যমে ক্ষমতায় আসীন হয়ে আওয়ামী লীগ উপজেলা নির্বাচনে চর দখলের উৎসব চালাচ্ছে।

খোকা আরো বলেন, যতদিন বাংলাদেশ পৃথিবীর মানচিত্রে থাকবে ততদিন শত চেষ্টা করেও জিয়াউর রহমানের নাম ইতিহাসের পাতা থেকে মুছে ফেলা যাবে না। কারণ বাংলাদেশের অস্তিত্বের সঙ্গে জিয়াউর রহমান জড়িত।

১৯৭১ সালে শেখ মুজিব দেশের জনগণকে সঠিক দিক নির্দেশনা দিতে না পারলেও শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান দেশের স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়েছিলেন বলেও মšত্মব্য করেন বিএনপির এ নেতা। তিনি বলেন, মুক্তিযুদ্ধে রাজনৈতিক নেতৃত্ব দেওয়ার কথা ছিল শেখ মুজিবুর রহমানের। কিন্তু তার আগেই তিনি পাকিস্তান সেনাবাহিনীর হাতে গ্রেপ্তার হন। এরপর মেজর জিয়া দেশের যুদ্ধকালীন পরিস্থিতিতে দায়িত্ব নিয়ে নিজ জীবন বিপন্ন করে স্বাধীনতার ঘোষণা দেন। তার এই ঘোষণার ফলেই দেশ-বিদেশের মানুষ বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের কথা জানতে পারেন। বন্ধু রাষ্ট্রগুলো আমাদের স্বাধীনতা যুদ্ধে সহযোগিতা করে। আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান মেজর হাফিজউদ্দিন আহমেদ বীর বিক্রম।

নজরুল বলেন, গণতন্ত্রকে হত্যা করে কাউকে ক্ষমতায় বসানোর জন্য এ দেশে মুক্তিযুদ্ধ হয়নি। গণতন্ত্রকে রক্ষার জন্য মুক্তিযুদ্ধ হয়েছে। আজ যারা নিজেদের মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের শক্তি বলে দাবি করেন-তারাই গণতন্ত্রকে হত্যা করে সামরিক শাসকদের স্বাগত জানিয়েছিল। তারাই ফখরুদ্দীন-মঈনুদ্দিন সরকারকে বৈধতা দিয়েছিল। তিনি বলেন, গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার জন্য আন্দোলন সংগ্রামের মাধ্যমে এই সরকারের পতন ঘটিয়ে খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে জনগণের সরকার প্রতিষ্ঠিত করা হবে। আর এর জন্য সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে আন্দোলনে ঝাঁপিয়ে পড়তে হবে।

আমাদের সময়