রুটি রুজির কী হবে এ নিয়ে দুশ্চিন্তায় মাওয়া ঘাটের শ্রমিকরা

mawaপদ্মাসেতু করতে মুন্সীগঞ্জের মাওয়া ফেরিঘাট ছয় মাসের জন্য স্থানান্তর হচ্ছে পাশের শিমুলিয়া এলাকায়। সেতু হলে অবশ্য আর এখানে থাকবে না কোনো ঘাট। আর তখন এই ঘাটকে ঘিরে কাজ করা হাজারো মানুষের জীবিকা নিয়ে তৈরি হয়েছে দুশ্চিন্তা। কিন্তু তাদের উদ্বেগ লাঘবে সরকারের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে না কিছুই। স্বপ্নের পদ্মাসেতু হবে, কিন্তু এ নিয়ে মনে কোনো আনন্দ নেই মাওয়া ঘাটের এই শ্রমিকের। বরং রুটি রুজির কী হবে এ নিয়ে দুশ্চিন্তায় পড়েছেন তিনি। ঘাট লাগোয়া এই ফল ব্যবসায়ীও জানে না তার ভবিষ্যত কী হবে। এই ঘাটের পাশ দিয়ে হবে পদ্মাসেতু তাই সরে যেতে হবে সবাইকে। এই ঘাটে কাজ করে জীবন চালায় শত শত শ্রমিক। ঘাট পাড়ে দোকান বসিয়ে তা থেকে হওয়া আয় দিয়ে সংসার চালায় আরও শত শত মানুষ। সব মিলিয়ে সংখ্যাটা নেহায়েত কম না। ঘাট স্থানান্তরের সিদ্ধান্তে তাই দুশ্চিন্তা সবার মনে।
mawa
মাওয়া থেকে ঘাট সরিয়ে ছয় মাসের জন্য নেয়া হবে এক কিলোমিটার শিমুলিয়া এলাকায়। ঘাট পাড়ে দোকান বসাতে হলে লাগে বড় অংকের টাকা। পদ্মার ভাঙনে মাওয়ার তিনটি পুরনো ফেরিঘাট বিলিন হয়ে যাওয়ার ফলে দুবছর আগে মাওয়া চৌরাস্তা সংলগ্ন এবং ঋষিবাড়ি ফেরিঘাট ও পার্কিং ইয়ার্ড নির্মাণ করা হয়। সে সময় এক দোকান বসাতে এক দফা খরচ করতে হয়েছে ব্যবসায়ীদের। নতুন ঘাটে দোকান বসাতে যেন বাড়তি কোনো খরচ না হয় সে বিষয়ে দাবি জানিয়েছেন ব্যবসায়ীরা। এই মানুষগুলোর বিষয়ে সরকার কী ভাবছে তা স্পষ্ট করেননি নৌ পরিবহণমন্ত্রী। সম্প্রতি মাওয়াঘাট পরিদর্শনে আসলে শ্রমিকদের উদ্বেগের বিষয়টি নিয়ে সরাসরি কিছু বলেননি তিনি।

স্বাধীনবাংলা