মওসুম শেষে আলু চাষিদের মুখে হাসি

potato4জেলায় সিরাজদিখানসহ অন্য উপজেলাগুলোতে আলু তোলার মওসুমের শেষ পর্যায়ের ১০/১২ দিন বাকি থাকতে বেড়েছে আলুর দাম। মৌসুমের শুরুতে দাম কম থাকলেও শেষ পর্যায়ে এসে আলুর দাম বেড়ে যাওয়া কৃষকের মুখে ফুটেছে হাসি। আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় এবার আলুর বাম্পার ফলন হয়েছে। এ বছর আলুর বাম্পার ফলন হওয়ায় উপজেলার ৯ টি কোল্ড-স্টোরেজই আলুতে পূর্ণ হবে বলে সংশ্লিষ্টরা ধারণা করছেন।

সরেজমিনে জানা যায়, আলু তোলাকে কেন্দ্র করে এলাকায় কৃষক, জমির মালিক, মজুর, পরিবহন শ্রমিক, ছালা ব্যবসায়ী, কোল্ড স্টোরেজ মালিক, কর্মকর্তা-কর্মচারিসহ সংশ্লিষ্টরা এখন ব্যস্ত সময় অতিবাহিত করছেন। উপজেলার মাঠ জুড়ে শুধু কৃষকরাই নয়, তাদের সঙ্গে বাড়ির গৃহিণী ও পরিবারের অন্য সদস্যরাও আলু তুলতে মাঠে নেমেছেন। সিরাজদিখান উপজেলার গুয়াখোলা গ্রামের আলু চাষী গৈজদ্দিন মীর বলেন, প্রথম পর্যায়ে আলুর দাম ২শ’ ৪০ থেকে ২শ’ ৫০ টাকায় বিক্রি হতো। বর্তমানে বাজারে আলু প্রতি মণ ৩শ’ ৫০ থেকে ৩শ’ ৬০ টাকায় জমি থেকে বিক্রি হচ্ছে। কৃষকের প্রতি মণ আলু উত্পাদন খরচ হয়েছে প্রায় ৩শ’ থেকে ৩শ’ ২০ টাকা।

কৃষকরা জানিয়েছেন, বর্তমানে জমি থেকেই আলু বিক্রি করা হলেও বেশি লাভের আশায় কৃষকরা কোল্ড স্টোরেজে আলু সংরক্ষণ করছেন। কোল্ড-স্টোরেজে আলু রাখতে ছালা কেনাসহ পরিবহন ও শ্রমিকের মজুরি দেয়া সংরক্ষণ ব্যয় বেড়েছে। এ বছর প্রতি বস্তা আলু রাখার ভাড়া ৩শ’ ৪০ টাকা হওয়ায় অনেক ব্যবসায়ীর পক্ষে কোল্ড স্টোরেজে আলু রাখা কঠিন হয়ে পড়ছে। আবার অনেক ব্যবসায়ী বাজার থেকে আলু কিনে বেশি মুনাফার আশায় কোল্ড স্টোরেজে রাখছেন।

ইত্তেফাক