আইনজীবীকে সিলেটে হত্যা: মিছিল, প্রতিবাদ সভা

siponPratibadসিলেটে মল্লম পার্টির বিষ প্রয়োগে সিনিয়র আইনজীবী কাজী ওরায়দুল ইসলাম সিপন (৪৮) হত্যাকারীদের সনাক্ত ও গ্রেপ্তারের দাবিতে মুন্সীঞ্জে বিক্ষোভ মিছিল এবং প্রতিবাদ সভা হয়েছে। মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ১০টা থেকে দুপুর ১২ টা পর্যন্ত মুন্সীগঞ্জ আইনজীবী সমিতির ব্যানারে আদালত প্রাঙ্গনে এ কর্মসূচি পালিত হয়। সকাল সাড়ে ১০টার দিকে মুন্সীগঞ্জ আইনজীবী সমিতি ভবন প্রাঙ্গন থেকে আইনজীবীরা মিছিল বের করেন। মিছিলটি আদালত সংলগ্ন সড়ক ও আদালত এলাকা ঘুরে আইনজীবী সমিতির ভবন প্রাঙ্গনে এসে শেষ হয়। পরে সেখানে জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি একেএম নাসিরুজ্জামানের সভাপতিত্বে প্রতিবাদ সমাবেশে বক্তব্য রাখেন-জেলা আইনজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদক মো. মাসুদ আলম, সাবেক সভাপতি মুজিবুর রহমান, জেলা জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের সভাপতি আব্দুল মান্নান, এপিপি নাসিমা আক্তারা, আইনজীবী সমিতির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মো. তোতা মিয়া, সাবেক সাধারণ সম্পাদক শ.ম. হাবীবুর রহমান, সাবেক সাধারণ সম্পাদক এমারত হোসেন, সাবেক যুগ্ন-সম্পাদক রোজিনা ইয়াসমিন, এপিপি মনিরুজ্জামান কনক, আইনজীবী শাহীন মিজি, আইনজীবী সমিতির কোষাধ্যক্ষ আব্দুল হান্নান জুয়েল, এডভোকেট কাজী মোজাম্মেল হোসেন রুমেল প্রমুখ।
siponPratibad
জানা গেছে, গত ২৮ শে ফেব্রুয়ারি দিবাগত রাতে আইনজীবী সিপন তার মুন্সীগঞ্জ শহরের ইদ্রাকপুরের বাসা থেকে কিশোরগঞ্জে তার বোনের বাড়ি যাওয়ার কথা বলে বের হয়। ওইদিন দিবাগত রাতে বাসে মল্লম পার্টির খপ্পরে পড়ে অচেতন হয়ে পরদিন ১লা মার্চ সকাল সাড়ে ১০টায় সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যায়। পরে গত ৬ই মার্চ বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে আইনজীবী সিপনের মরদেহটি সিলেট কোতয়ালী থানা পুলিশ দাফন করে ফেলে। পরে পরিচয় উদ্ঘাটন হলে রোববার বিকেল ৫টায় সিলেটের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মিনহাজুল রহমানের নেতৃত্বে আইনজীবী সিপনের মরদেহ কবর থেকে উত্তোলন করা হয়। সুরতহাল রিপোর্ট শেষে সোমবার সকালে সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে নিহতের ময়নাতদন্ত সম্পন্ন হয়। এরপর দুপুর ১টার এ্যাম্বুলেন্স দিয়ে নিহতের মরদেহ সিলেট থেকে রাত সোয়া ৭টার দিকে মুন্সীগঞ্জে পৌছে। রাত সাড়ে ৮টায় ইদ্রাকপুরসস্থ জেলা পুলিশ লাইনস মাঠে নিহতের জানাযা শেষে ইদ্রাকপুরস্থ পারিবারিক কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়।

মুন্সীগঞ্জ বার্তা