যেভাবে আইনজীবী সিপনকে সনাক্ত

siponসিলেট থানার এসআই মো. নজরুল ইসলাম জানান, গত ১লা মার্চ সকাল সাড়ে ৭টার দিকে অজ্ঞাত হিসেবে আইনজীবী সিপনকে অচেতন অবস্থায় কে বা কারা সিলেট ওসমানি মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ফেলে রেখে চলে যায়। পরে একই দিন সকাল সাড়ে ১০টার দিকে সিপন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যায়। বিকেল ৪ টার হাসপাতাল থেকে অজ্ঞাত পরিচয়ের এক ব্যক্তির নিহতের সংবাদ থানাকে জানানো হলে মৃতদেহটি উদ্ধার হাসপাতাল মর্গে রাখা হয়।

এরপর দেশের সব থানায় অজ্ঞাত পরিচয়ের ওই ব্যক্তির ম্যাসেস পাঠানো হয়। পরে লাশের সন্ধান না পাওয়া যাওয়ায় গত ৬ই মার্চ বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে সিলেট মেয়রের অনুমতি নিয়ে মরদেহটি দাফন করা হয়। পরে মুন্সীগঞ্জ সদর থানা পুলিশের দেয়া ছবি মিলিয়ে দেখা যায়-এটি মুন্সীগঞ্জের নিখোঁজ আইনজীবী সিপনের মরদেহ। নিহতের শরীরের কোথাও কোন আঘাতের চিহ্ন নেই। বিষক্রিয়ায় অজ্ঞানপার্টির কবলে পড়ে আইনজীবী সিপন মারা গেছে বলে দারোগা নজরুল ইসলাম নিশ্চিত করেছেন। তিনি আরো জানান, অল্প সময়ের মধ্যে অপরাধীদের গ্রেপ্তার করা সম্ভব হবে। তাদের সবকিছুই সনাক্ত করা হয়েছে।

উল্লেখ্য, গত ২৮ শে ফেব্রুয়ারি রাত ৭টায় আইনজীবী সিপন তার মুন্সীগঞ্জ শহরের ইদ্রাকপুরের বাসা থেকে কিশোরগঞ্জে তার বোনের বাড়ি যাওয়ার কথা বলে বের হয়। এর পর ওই দিন রাত ১২ টা পর্যন্ত আইনজীবী সিপনের সঙ্গে তার স্ত্রী রেনু বেগমের মোবাইল ফোনে কথা হয়। পরে ওইদিন দিবাগত রাত ১ টার পর থেকে আইনজীবী সিপনের মোবাইল ফোন বন্ধ পাওয়া যায়। এরপর থেকে নিখোঁজ হন আইনজীবী সিপন। এ ঘটনায় গত ৩রা মার্চ দুপুর ১২টার দিকে নিখোঁজ আইনজীবীর শ্বশুর আব্দুল হাকিম বাদী হয়ে সদর থানায় জিডি করেছেন।

মুন্সীগঞ্জবার্তা