মুন্সীগঞ্জের নিখোঁজ আইনজীবীকে সিলেটে দাফন

siponমুন্সীগঞ্জের নিখোঁজ সিনিয়র আইনজীবী কাজী ওবায়দুল ইসলাম সিপন মারা গেছেন। নিখোঁজ হওয়ার ৮দিন পর শনিবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে তার মৃত্যু নিশ্চিত করা হয়েছে। তাকে গত ৬ মার্চ বিকাল সাড়ে ৫টার দিকে বেওয়ারিশ লাশ হিসেবে সিলেট শহরের হযরত মানিক সির (রহ.) মাজার সংলগ্ন আঞ্জুমানে মফিদুল ইসলামের কবরস্থানে দাফন করা হয়। এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন সিলেট থানার এসআই মো. নজরুল ইসলাম।

তিনি জানান, গত ১ মার্চ বিকালে নিহত অবস্থায় কে বা কারা সিলেট ওসমানি মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ফেলে রেখে চলে যায়। ওইদিন বিকাল ৪টায় হাসপাতাল থেকে অজ্ঞাত পরিচয়ের এক ব্যক্তির নিহতের সংবাদ থানাকে জানানো হলে লাশটিটি উদ্ধার করে হাসপাতাল মর্গে রাখা হয়। এরপর দেশের সব থানায় অজ্ঞাত পরিচয়ের এ ব্যক্তির ম্যাসেস পাঠানো হয়। পরে লাশের সন্ধান না পাওয়া যাওয়ায় গত ৬ মার্চ বিকাল সাড়ে ৫টার দিকে সিলেট মেয়রের অনুমতি নিয়ে লাশটি দাফন করা হয়। পরে মুন্সীগঞ্জ সদর থানা পুলিশের দেয়া ছবি মিলিয়ে দেখা যায়- এটি মুন্সীগঞ্জের নিখোঁজ আইনজীবী সিপনের লাশ। নিহতের শরীরের কোথাও কোন আঘাতের চিহ্ন নেই। মদ্যপানে তার মৃত্যু হয়েছে বলে দারোগা নজরুল ইসলাম প্রাথমিকভাবে ধারণা করছেন। তবে, তাকে মদ পান করিয়ে হত্যা করা হয়েছে নাকি মদ পান করার ফলে তিনি মারা গেছেন- এ নিয়ে নানা প্রশ্ন বইছে।

উল্লেখ্য, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি রাত ৭টায় আইনজীবী সিপন তার মুন্সীগঞ্জ শহরের ইদ্রাকপুরের বাসা থেকে কিশোরগঞ্জে তার বোনের বাড়ি যাওয়ার কথা বলে বের হন। এরপর ওই দিন রাত ১২টা পর্যন্ত আইনজীবী সিপনের সঙ্গে তার স্ত্রী রেনু বেগমের মোবাইল ফোনে কথা হয়। পরে ওইদিন রাত ১টার পর থেকে আইনজীবী সিপনের মোবাইল ফোন বন্ধ পাওয়া যায়। এরপর থেকে নিখোঁজ হন আইনজীবী সিপন।

জাস্ট নিউজ