প্রতারণার শিকার নিখোঁজ আইনজীবীর পরিবার

siponঅভিনব কায়দায় প্রতাণার শিকার হলেন মুন্সীগঞ্জের নিখোাঁজ সিনিয়র আইনজীবি কাজী ওবায়দুল ইসলাম শিপনের পরিবার। মঙ্গলবার পত্রিকায় আইনজীবী নিখোঁজের কথা জানতে পেরে পাবনার সাথীয়া উপজেলার গোপালপুর ইউনিয়নের ৯ নং ওয়ার্ড মেম্বার শরিফুল ইসলাম পরিচয় দিয়ে মুন্সীগঞ্জের স্হানীয় একজনের সাথে ফোনে কথা বলে জানান, এখানে ওবায়দুল নামে মুন্সীগঞ্জের এক আইনজীবিকে হাত-পা বাধা আহত অবস্হায় পাওয়া গেছে। তিনি মুন্সীগঞ্জ সদর থানার ওসির নাম্বার চান। পরিচয় পেয়ে তাকে মুন্সীগঞ্জ থানার ওসির নাম্বার দেন ঐ সাংবাদিক। পরে কথিত ঐ মেম্বার সদর থানার ওসির সাথেও কথা বলেন যা ওসি স্বীকার করেন।

পরে কথিত ওই মেম্বারের আইনজীবী ওবায়দুলের পরিবারের সাথে ফোনে যোগাযোগ করে জানান, আইনজীবী এখন চিকিৎসাধীন অবস্হায় আছে। তার চিকিৎসার জন্য টাকার প্রয়োজন। কমপক্ষে ১২ হাজার টাকা লাগবে। এখনি বিকাশের মাধ্যমে টাকা পাঠান। কথিত ওই মেম্বারের কথা মত তাদের দেয়া বিকাশ নাম্বারে ১২ হাজার টাকা পাঠায় পরিবারের লোকজন। এর কিছুক্ষণ পর থেকে কথিত ওই মেম্বারের দেয়া ২টি মোবাইল নাম্বারই বন্ধ পাওয়া যাচ্ছে। দিনভর চেষ্টা করেও ওই নাম্বারে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি। পরে পরিবারের লোকজন বুঝতে পারে তারা প্রতারনার শিকার হয়েছেন।

জেলা আইনজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদক এড মাসুদ আলম মোবাইলে এই (০১৮৫৬১৭৩৫২৯) নাম্বার থেকে নিজেকে শরিফুল ইসলাম মেম্বার পরিচয় দিয়ে জানান আহত আইনজীবীর অবস্হা খুবই খারাপ। তার চিকিৎসার জন্য টাকা প্রয়োজন। পরে নিখোঁজ আইনজীবী ওবায়দুলের জুনিয়র এড হান্নান ২ বারে ১২ হাজার টাকা পাঠায়। টাকা পাঠানোর কিছু সময় পর থেকে ঐ মোবাইল দুটি বন্ধ হয়ে যায়। পরে এড হান্নান বাদী হয়ে সদর থানায় মামলা দায়ের করেন।

উল্লেখ্য মুন্সীগঞ্জ জেলার সিনিয়র আইনজীবি কাজী ওবায়দুল ইসলাম শিপন (৪৫) গত ৫ দিন যাবৎ নিখোঁজ রয়েছেন। গত শুক্রবার কিশোরগঞ্জে বোনের বাসায় বেড়াতে গিয়ে পথিমধ্যে তিনি নিখোঁজ হন।

স্বদেশ