শিল্পকলাতে সুরের মূর্ছনা

silpaশুক্রবার মুন্সীগঞ্জ জেলা শিল্পকলা একাডেমী মিলনায়তনে ৭০ শিল্পীর একক এবং সমবেত কন্ঠের সঙ্গীতে মুখরিত করে দর্শক হৃদয়। বসন্তের দিনটিতে যেন সুরের মেলা বসেছিল। একের পর এক রবীন্দ্র, নজরুল, লালন, হাসান রাজা, ফোক, আধুনিক, দেশাত্মবোধক, ছড়াগান, উদ্দীপক, গণসঙ্গীত এবং ভাষা ও মুক্তিযদ্ধের গান দর্শকদের যেন অন্য জগতে নিয়ে যায়। সিরাজদিখান উপজেলার ইছাপুরার অগ্নিবীনা ললিতকলা একাডেমীর একাদশ প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত ব্যতিক্রম অনুষ্ঠানে সুরের এই মূর্ছনা ছড়িয়ে পড়ে আকাশে বাতাশে। গানের মাঝে মাঝে মাঝে ছিল নতৃানুষ্ঠান।

আলোচনা পর্বে প্রধান অতিথির ভাষণ দেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মো. সারওয়ার মুর্শেদ চৌধুরী। একাডেমীর প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি অধ্যক্ষ মো. খালেকুজ্জামানের সভাপতিত্বে আরও বক্তব্য রাখেন মুক্তিযোদ্ধা এম এ কাদের মোল্লা, সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোটের সভাপতি মতিউল ইসলাম হিরু, প্রেসক্লাব সভপতি মীর নাসিরউদ্দিন উজ্জ্বল, সাধারণ সম্পাদক তানভীর হাসান, প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক ইছাপুরা কেবি ডিগ্রি কলেজের প্রভাষক মো. এজাজ হোসেন খান, সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোটের সাধারণ সম্পাদক সাব্বির হোসেন জাকির ও অভিভাবক রীতা রানী দত্ত ।

বৃষ্টি রানী কুন্ডুর কণ্ঠে “কাবীরী নদী জলে কেরে বালিকা…. ”, “নয়ন ভরা জল গো তোমার…” সুচিতা মোদীর কণ্ঠে, তিথি বনিকের কন্ঠে “ও মোর বানিয়া বন্ধুরে…” এবং মুস্তরীন আহম্মেদ শীতল কণ্ঠে “যেখানে সেই বালামখানা….” এবং “আমি তোর প্রীতের মরা…” দিয়েই শেষ হয় অনুষ্ঠান।

এর আগে চার বছর সম্পন্ন করায় এবং “পাবে সামান্যে কি তার দেখা….সঙ্গীত পরিবেশন করে অর্পিতা রানী সিংহ এবং “মনে গলদ পুরা রাশি রাশি হতে চাও হুজুরের দাসী…” গান কারর পর সানজিদা আখতারকে আনুষ্ঠানিকভাবে সনদপত্র প্রদান করা হয়। একই সাথে সংগঠনটির সহকারী পরিচালক এবং নৃত্য প্রশিক্ষক জান্নাতুল ফেরদৌস বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমীর কালচারাল অফিসার হিসাবে নিয়োগ silpaপাওয়ায় তাঁকে সংবর্ধনা দেয়া হয়।

স্বদেশ