জেলা শিল্পকলা একাডেমী মিলনায়তনে অ্যাক্রোবেটিক প্রদর্শনী

ecroশনিবার রাতে মুন্সীগঞ্জ জেলা শিল্পকলা একাডেমী মিলনায়তনে অ্যাক্রোবেটিক প্রদর্শনীতে ছিল রেকর্ড সংখ্যক দর্শক। দর্শকের আগ্রহ ছিল এত বেশী যে, এই প্রদর্শনী উপোভোগের পর পুনরায় এই প্রদর্শনী করার জন্য ব্যাপকভাবে অনুরোধ আসতে থাকে। যারা এই প্রদর্শনী দেখার সুযোগ থেকে বঞ্চিত হয়েছে তাদের দাবী ছিল আরও প্রবল। বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমীর অ্যাক্রোবেটিক দলের এই আয়োজনটি সন্ধ্যায় আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন মুন্সীগঞ্জের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মু. সারোয়ার মোর্শেদ চৌধুরী। এর আগে স্বাগত ভাষণ দেন জেলা শিল্পকলা একাডেমীর সদস্য সচিব মীর নাসিরউদ্দিন উজ্জ্বল। প্রদর্শনী শেষে আরও বক্তব্য রাখেন মুন্সীগঞ্জ জেলা শিল্পকলা একাডেমীর কালচারাল অফিসার জান্নাতুল ফেরদৌ, শাহিন মো. আমানুল্লাহ, আক্তারুজ্জামান আবুল, জাহাঙ্গীর আলম ঢালী, রফিকুল ইসলাম বাবু প্রমুখ। পুরো অনুষ্ঠানটি চমৎকার পরিচালনা করেন প্রোগাম কো-অর্ডিনেটর মাহবুবুর রহমান সুজন।

মনমুগ্ধকর এই অ্যাক্রোবেটিক প্রদর্শনীটিতে ব্যাপক সংখ্যক শিশুসহ বৃদ্ধ পর্যন্ত নানা বয়সী নর-নারী উপভোগ করেছে। তাদের দাবী এই প্রদর্শনীটি অন্তত ৩ থেকে ৭ দিন পর্যন্ত চলমান থাকলে জেলা শহরের সকলের উপভোগ করা সম্ভব হতো। ২৫ সদস্য বিশিষ্ট এই দলের প্রদর্শনী দেখে মফস্বল শহর মুন্সীগঞ্জের দর্শকরা মুগ্ধ হয়। ব্যাপক দর্শক উপস্হিতি এবং মুহুরমহু করতালি এক বিশেষ পরিবেশ তৈরী করে। শিশুদের আনন্দের যেন সীমা ছিল না। প্রাচীন জনপদ মুন্সীগঞ্জ তথা বিক্রমপুরে সম্প্রতিক সময়ে অ্যাক্রোবেটিক প্রদর্শনী এটিই প্রথম। আর প্রথম প্রদর্শনীতেই সৃষ্টি হয়েছে ব্যাপক কৌতুহল। জেলা শিল্পকলা একাডেমীতে অ্যাক্রোবেটিক প্রশিক্ষক পাঠানোর খবরে এখানে বইছে এখন আনন্দের বন্যা। অনেকে আগ্রহ প্রকাশ করেছে অ্যাক্রোবেটিক প্রশিক্ষন গ্রহনেও।
ecro
প্রধান অতিথি অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মু. সারোয়ার মোর্শেদ চৌধুরী উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অ্যাক্রোবেটিক প্রদর্শনীর এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, এতে দেশে অ্যাক্রোবেটিক শিল্পের ব্যাপক প্রসার ঘটবে। গোটা পৃথিবীর জনপ্রিয় এই অ্যাক্রোবেটিক আমাদের দেশে বিলুপ্ত হতে চলছিল। তা পুনরুদ্ধারের এই উদ্যোগ মহৎ। স্বাগত ভাষণে সদস্য সচিব মীর নাসিরউদ্দিন উজ্জ্বল বলেন, বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমী দেশজ সংস্কৃতিক বিকাশসহ সাংস্কৃতি কর্মকান্ড জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে দিতে বর্তমান সরকার তথা বর্তমান মহাপরিচালকের ভূমিকা জাতি চিরকাল স্মরণ করবে। আর অ্যাক্রোবেটিক শিল্পকে প্রসার ঘটাতে ৬৪ জেলায় যে প্রদর্শনীর উদ্যোগ নেয়াসহ প্রতি জেলায় দু’জন করে প্রশিক্ষক নিয়েগের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে তা সত্যিই যুগান্তকারী সিদ্ধান্ত।

মুন্সীগঞ্জ জেলা শিল্পকলা একাডেমীর কালচারাল অফিসার জান্নাতুল ফেরদৌস বলেন, বাঙালির কৃষ্টি- সংস্কৃতি বিকাশে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমী গোটা দেশে বিপ্লব ঘটিয়েছে।

স্বদেশ