কালের ছবি’র রাস্তা অঙ্কন

kc২০ শে ফেব্রুয়ারি শেষ প্রহরে কালের ছবি’র ৩০ জন কিশোর-যুবক জড়ো হয়েছিল একুশের ভাষা শহীদদের সম্মানে কিছু করার জন্য। আগেই পরিকল্পনা ছিল রাস্তায় আঁকা-লেখা হবে। অ, আ, ক, খ, ইত্যাদি বর্ণমালাকে রঙ্গিন ও সুন্দর করে উপস্থাপন করাই ছিল এই তাদের কাজের মূল লক্ষ।


আল্পনা করার মূল দায়িত্ব ছিল সাজিদের, মধ্যরাতে খাবারের আয়োজন আর সার্বিক দেখভালের জন্য ছিলেন আরেক আল্পনা শিল্পী মিঠু ভাই। সাথে ছিল কালের ছবির দল। সবাই রং তুলিতে পারদর্শী না হলেও দলের সবাই মূলত ফটোগ্রাফী আর ভিডিও গ্রাফীতে ছিল পারদর্শী। আল্পনার সাথে সাথে একটা শর্টফিল্মের চিত্রগ্রহণের কাজও হয়ে গেল।

কালের ছবি’র সাধারণ সম্পাদক আল মামুন, যুগ্ন সম্পাদক ভাষ্কর সাহা, সদস্য ফয়সাল, সৈকত, মাহামুদুল হাসান অপু, রাজিব, হেলাল, সুদ্বীপ, আরেফিন রহমান, সুনিত দাস, মো. নাইম, ইশতিয়াক শুভ, ফারহান, সাজ্জাদ, শামীম, আনাস, রয়েল, মেহেদী হাসান অপু, আকাশ, মাহিম উপস্থিত ছিল। শুভাকাঙ্খীদের মধ্যে ছিল সাব্বির হোসেন জাকির, হাসান, মোহন, মিল্টন, এলিন, গোপাল দাদা আরো অন্যান্যরা।
kc
প্রথম প্রহরে(রাত ১২টা) সর্বস্তরের মানুষ শহীদ মিনারে ফুল দিয়ে চলে যাওয়ার পর শুরু হয় রাস্তা অঙ্কনের কাজ। দলের সবাই মিলে শিল্পকলা একাডেমী প্রাঙ্গন পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন করার কাজটাও করে ফেলে। পরিত্যক্ত ব্যানার ও অন্যান্য আবর্জনা সরিয়ে ফেলা হয়। মিঠু ভাইয়ের নেতৃত্বে একপাশে চুলা বসিয়ে শুরু হয় খিচুরি রান্নার আয়োজন। আরেকদল গিটার হাতে দেশাত্ববোধক গান গেয়ে জাগিয়ে রাখে সকলকে। রাত সাড়ে ৩টায় খিচুরী চলে খাওয়া পর্ব। ভোর ৬ টায় শেষ হয় অঙ্কন কাজ। সকাল বেলা শহীদ মিনারে আসা মানুষজনকে স্বাগত জানিয়ে সকাল ৮ টায় সবাই ফিরে যায় যে যার বাড়ি।

মুন্সীগঞ্জ বার্তা