মুন্সীগঞ্জে বোরো ধান চাষে ক্ষতির সম্ভাবনা

boroমুন্সীগঞ্জ জেলায় এবার আলুর ব্যাপক ফলনই কৃষকদের বিপাকে ফেলে দিয়েছে। কারণ, মাঠের পর মাঠজুড়ে যে হারে আলুর ফলন হয়েছে, সেই তুলনায় ক্রেতা মিলছে না। তাই কৃষকদের এখন বলতে গেলে পানির দরেই আলু বিক্রি করতে কিংবা তা খেতেই ফেলে রাখতে হচ্ছে।


সদর উপজ়েলার বাংলাবাজার চরের কালির চর গ্রামের কৃষক সোবহান উল্লা মুন্সীগঞ্জ টাইমসকে জানান, আলুর দাম কমে যাওয়ায় তাঁদের উৎপাদন খরচও উঠছে না। তাই তাঁরা এখন আর খেত থেকে আলু তুলতে আগ্রহী নন। অন্যদিকে, খেত থেকে আলু তুলতে না পারায় পরবর্তী ফসল বোরো ধানের আবাদও অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে।
boro
তিনি আরো জানান, এখনি কোন ব্যবস্থা না নিলে, আলুর পাশা পাশা বোরো ধানের চাষ করেওচরম ক্ষতির মুখে পড়বে কৃষকরা।

অন্যদিকে বিক্রি কমে যাওয়া প্রসঙ্গে স্থানীয় ব্যবসায়ীরা জানান, বাজারে এখনো প্রচুর পরিমাণ পুরোনো আলু রয়েছে। পাশাপাশি অন্যান্য সবজির দামও কম। এ জন্য এবার নতুন আলুর কদর কম।

মুন্সীগঞ্জ জেলায় ৬৭টি হিমাগার রয়েছে। এতে ধারণক্ষমতা হচ্ছে ৪ লাখ মেট্রিকটন বাকি সাড়ে ৮ লাখ মেট্রিকটন আলু জমি, বাড়ির আঙিনা, ঘরের মেঝেতে, রাস্তার দুই পাশে সারি বেধে রাখা হয়েছে ।

মুন্সীগঞ্জটাইমস