টঙ্গীবাড়ীতে আলুর বাম্পার ফলনে কিন্তু বাজ়ারে আলু বিকায় না

ton potatoএ বছর টঙ্গীবাড়ী উপজেলায় আলুর বাম্পার ফলন হয়েছে ।তবে বাজারে আলুর চাহিদা একে বাড়েই না থাকায় আলু চাষী ও মজুদদাররা পড়েছেন বিপাকে। সরেজমিনে টঙ্গীবাড়ী উপজেলার হাসাইল বানারীর চর, পাঁচগাও, খোলাগাও, কাইচমালধা, ভিটি মালাধা, ভাঙ্গুনীয়া, আদাবাড়ী, কাঁমাড়খাড়া, নসংকর, আলদী, বেশনাল ও দিঘিরপাড় সহ আরো কয়েকটি গ্রাম ঘুরে দেখা গেছে প্রতিটি এলাকায় আলুর বাম্পারফলন হয়েছে ।

টঙ্গীবাড়ী উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মহিদুর রহমান মুন্সীগঞ্জ টাইমসকে জানান, এবছর উপজেলায় ৯৮০০ হেক্টর জমিতে আলু চাষ করা হয়েছে। তিনি আরো জানান প্রায় ৫০০০ কৃষক কে আলু চাষের জন্য মাঠ পর্ষায়ে গিয়ে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়।


সুষম মাত্রায় পটাশ সার ব্যবহার করার ফলে এবার আলুর বাম্পার ফলন হয়। তবে বাজারে আলুর চাহিদা ও বিক্রয় দাম না থাকায় আলু চাষীরা পড়েছেন বিপাকে।

হাসাইল বানারী চরের আলু চাষী তাঁরা মিয়া ঢালী বলেন, বাজারে আলু চলেনা। ৩ টাকা দরে আলু মুলায় দরকার হইলে আলু গরুরে খাওয়ামু বেচমুনা। প্রতিকেজি আলুর উত্‍পাদন খরচ হয় কমপক্ষে ১০ টাকা তবে বর্তমানে বাজারে প্রতি কেজি আলু বিক্রি হচ্ছে ৬ টাকা কেজি। এত কষ্ট করেও প্রতি কেজি আলু তে আমাদের লোকসান হচ্ছে ৪ থেকে ৫ টাকা।
ton potato
এইদিকে নিয়ম নিতীর তোয়াক্কা না করে উপজেলার বিভিন্ন হিমাগারে প্রতি বস্তা আলু সংরক্ষণের জন্য নেওয়া হচ্ছে ৩০০ থেকে ৩৫০ টাকা।

স্থানীয় কৃষকরা বলেন, আমরা আশা করি সরকারী ভাবে ২০০ বা ২৫০ টাকা নির্ধারণ করা হলে লোকসানের হারটা কিছুটা হলে ও আমাদের লাঘব হবে।

সিঙ্গাপুর থেকে ছুটি নিয়ে আশা প্রবাশী আলমগীর হোসেন তরুণবলেন, চিপস ও বিভিন্ন খাদ্য দ্রব্য দেশীয় আলুর ব্যবহার বৃদ্ধি করে এবং ইউনিয়ন পর্যায়ে ভিজিএফ ভিজিটিং কার্ডে চালের সাথে আলুর ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে। তাহলেই আলুর চাহিদা বৃদ্ধি পাবে এবং কৃষকরা লাভবান হবে।

মুন্সিগঞ্জটাইমস