সিরাজদিখানে জমজমাট চোরাই লোহালক্করের অবৈধ ব্যবসা

ইকবাল হোছাইন ইকু: মুন্সিগঞ্জ জেলার সিরাজদিখান উপজেলার ১৪ টি ইউনিয়নে শতাধিক ভাঙ্গাড়ি দোকানে চোরাই লোহালক্করের জমজমাট ব্যবসা দীর্ঘদিন ধরে পরিচালিত হচ্ছে। ভাঙ্গাড়ি ব্যবসায়ীরা প্রশাসরে নাকের ডগায় প্রতিদিন নেশাখোর ও ছিঁচকে চোরদের কাছথেকে বিভিন্ন ধরনের চোরাই নতুন-পুরাতন লৌহজাত ও তামার জিনিসপএ কিনে অবাধে বিক্রি করছে। কেউ কিছু না বলায় এসব ভাঙ্গাড়ি ক্রেতা ও বিক্রেতার সংখা দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। নেশার টাকার জন্য নিজেদের বা অন্যদের বাড়ির দা, কুড়াল, শাবল, কোদাল, রড, পাইপ, তামার তার, শ্যালো ইঞ্জিনের যন্ত্রাংশ, পরিত্যাক্ত ঘরের টিন, বিদ্যুৎ ও টেলিফোনের তামার তারসহ বিভিন্ন লোহা এবং তামার জিনিসপত্র চুরি করে এসব দোকানে খুব অল্পদামে বিক্রি করে থাকে।

এছাড়া পুলিশের একটি অংশ এদের আটক করে থানায় দেওয়ার পরও ছেড়ে দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে। সরেজমিনে জানা গেছে, সিরাজদিখান থানার উপস্বাস্থ্যকেন্দ্র, মালখানগর, ইছাপুরা, শুলপুর, শেখরনগর, ইসলামপুর, বালুচর, মধ্যপরা, কুচিয়ামোড়া, ইমামগঞ্জসহ উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় শতাধিক ভাঙ্গাড়ি লোহালক্করের ক্রয়-বিক্রয়ের দোকান রয়েছে। এসব দোকানে মাঝে মধ্যে পুরনো বিল্ডিং বা ব্রিজের লোহা বিক্রি হলেও বছরের অধিকাংশ সময় বৈধ মালামালের চেয়ে অবৈধই বেশি বিক্রি হয়। এসব দোকানের বেশির ভাগ এজেন্ট হলো নেশাখোর ও ছিঁচকে চোর।


অনেক সময় পার্কিং করা গাড়ির নাট-বোল্ট ও টুকরো যন্ত্রাংশ কেটে বিক্রিও হয়ে থাকে। সেসব বিক্রি করে অনেকে আবার ধণীও হয়েছে। ইছামতি নদীর তীরে সিরাজদিখান উপ-স্বাস্থ্যকেন্দ্রের পরিত্যাক্ত কোয়াটারের লোহার দর্জা কপাট, গ্রিলের জানালা ও পাশের বিদ্যুতের তার দীর্ঘদিন থেকেই চুরি হচ্ছে।স্থানীয় অনেকেরই ধারণা,ওইসব চোরাই লোহা ও তারসহ ভাঙ্গাড়ি লোহালক্কর এসব দোকানসহ বিভিন্ন ভাঙ্গাড়ি দোকানে বিক্রি হয়। চর কমলাপুরের ব্রিজের রড খুলে আনতে দেখা যায়। চোরমর্দ্দনের অধিবাসী রেজাউল করিম জানান, আমাদের বাড়ীর শাবল নিয়ে গেছে ও পাশের বাড়ীর টিউবওয়েলের উপরের অংশ খুলে নিয়ে গেছে। তাদের অতিষ্টে আমরা খুবই শঙ্কিত আছি। কখন কি নিয়ে যায় তার জন্য সব সময় চিন্তা করতে হয়।