সিরাজদিখানে বিদ্যাদেবী সরস্বতীর পূজা

bdসরস্বতী হলেন জ্ঞান, বিদ্যা, সাংস্কৃতি ও শুদ্ধতার প্রতীক। মঙ্গলবার ব্যাপক উৎসাহ উদ্দীপনা ও ভাবগাম্ভিয্যের ভেতর দিয়ে সিরাজদিখান উপজেলার ১৪ ইউনিয়নের ১৩ টিতে সনাতন ধর্মালম্বীদের প্রায় ৩ হাজার মন্ডবে সরস্বতী পূজা অনুষ্ঠিত হয়েছে। উপজেলার বালুচর ইউনিয়নের কোন সনাতন (হিন্দু) ধর্মী না থাকায় ওই ইউনিয়নে কোন পূজা অনুষ্ঠিত হয়নি। প্রতি বছর মাঘ মাসের শুক্ল পক্ষের শ্রী পঞ্চমী তিথিতে দেবী সরস্বতীর পূজা অনুষ্ঠিত হয়।


দেশ ও জাতির উন্নয়নে শিক্ষার বিকল্প নেই। যে জাতি যত শিক্ষিত সে জাতি তত উন্নত। শাস্ত্র মতে চতুর্ভূজা ব্রম্মার মুখ হতে আবির্ভূতা শ্রভ্রবর্না বীণা ধারীণী চন্দ্রের শোভাযুক্তা দেবী হলেন সরস্বতী। সম্প্রদায়গত ধর্মীয় পূজা অনুষ্ঠানের বাইরে সরস্বতী পূজার বিশেষ সামাজিক গুরুত্ব রয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসহ বাড়ি ও মন্ডব সমুহে এ পূজা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। ধর্ম বর্ণ নির্বিশেষে ছাত্রছাত্রীরা এবং অভিভাবক মহল যার যার অবস্থান থেকে বিদ্যাদেবীকে আরাধনা ও বুঝবার চেষ্টা করে থাকে।
bd
তাই এখানে মিলিত হয় হাজারো জনতার তথা নারী পুরুষের মিলনমেলা, সংহতি ও সম্প্রীতির অন্যন্য দৃষ্টান্ত। মঙ্গলবার সকাল ৮ টা থেকে বিকেল সাড়ে চারটা পর্যন্ত চলেছে বিদ্যাদেবীর অর্চনা। সিরাজদিখান ইউথ এন্ড কালচার‌্যাল ক্লাব, রাজদিয়া অভয় পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়, বিক্রমপুর কেবি ডিগ্রী কলেজ ও সন্তোষপাড়ারা রতন মাস্টার ও হরেন্দ্র মাস্টারের বাড়ির পূজায় সর্বাধিক ভক্ত, ছাত্রছাত্রী অঞ্জলী গ্রহণ করেছে।

মুন্সীগঞ্জবার্তা