মাওয়া পর্যন্ত এক্সপ্রেসওয়ে করবে সরকার

অবকাঠামো উন্নয়নে ঢাকার নূর হোসেন (জিরো পয়েন্ট) স্কয়ার থেকে মাওয়া পর্যন্ত দ্রুত গতির (এক্সপ্রেসওয়ে) সড়ক নির্মাণের পরিকল্পনা করছে সরকার। অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত সোমবার সাংবাদিকদের বলেন, “সরকারি-বেসরকারি অংশীদারিত্ব (পিপিপি) এই কাজ হবে।”

এসময় সচিবালয়ে নিজ দপ্তরে ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজ (ডিসিসিআই) একটি প্রতিনিধি দলের সঙ্গে বৈঠক করছিলেন মন্ত্রী।


তিনি বলেন, “জিরো পয়েন্ট থেকে নদীর পাশ হয়ে মাওয়ার কাছাকাছি পর্যন্ত এক্সপ্রেসওয়ে হবে।”

চলতি বছরেই চুক্তি হবে বলে আশা মন্ত্রীর।

বিস্তারিত জানতে চাওয়া হলে তিনি বলেন, “খুব শিগগরিই পিপিপি অফিস এ বিষয়ে আপনাদের জানাবে।”

ঢাকায় যানজট কমাতে ২০১১ সালের জানুয়ারিতে বিমানবন্দর থেকে যাত্রাবাড়ী পর্যন্ত প্রায় ২০ কিলোমিটার দীর্ঘ এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হলেও কাজের অগ্রগতি হয়নি।

পিপিপি নিয়ে নিজের অসন্তোষের কথা জানিয়ে এর জন্য সরকারি ক্রয় নীতিমালা (পিপিআর) পরিবর্তনেরও আভাস দিয়েছেন মন্ত্রী।

“আমরা প্রথম বছরেই বেশ জোরেশোরে পিপিপি নিয়ে হৈচৈ করি। কিন্তু পিপিপি সেরকম এগুতে পারে নাই এবং সেখানে আমাদের নিজেদের অনেক অসুবিধা ও দোষ-ত্রুটি আছে।

“পিপিপির জন্য একটা একটা গাইডলাইন, কিন্তু সেটাতে অনেকগুলো বিষয়ে তাদের স্বাধীনতা সেরকম নেই।”

পিপিপিকে কার‌্যকর করতে সরকারি ক্রয় নীতিমালাকে (পিপিআর) শিথিল করার উদ্যোগের কথাও জানান অর্থমন্ত্রী।

“আমাদের একটা পিপিআর আছে, সেই পিপিআরটি সবসময় তাদের (পিপিপি) অনুসরণ করতে হয়, রিলাক্সেশন পেতে গেলেও পিপিআরের আইন অনুযায়ীই সেটা করতে হয়। সেখান থেকে তাদের মনে হয় মুক্তি দেওয়ার প্রয়োজন আছে।”

ঢাকা-চট্টগ্রাম ও ঢাকা-ময়মনসিংহ সড়ক চার লেন করার কাজের ঠিকাদারদেরও সমালোচনা করেছেন অর্থমন্ত্রী।

“ঢাকা-চিটাগং এবং ঢাকা-ময়মনসিংহ এই দুইটা রাস্তারই কোনো আর্থিক সমস্যা নেই, ডিজাইনের সমস্যা নেই। এটা মেইনলি ঠিকাদারিটা ঠিকমত হয় না।“

করপোরেট কর পদ্ধতিতে পরিবর্তন আনা হচ্ছে বলেও জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত।

“আমাদের করপোরেট ট্যাক্স সিস্টেম মোটেই যথোপযুক্ত নয়। এবার এটার পরিবর্তন হবেই। আমরা আলটিমেটলি চিন্তা করতে শুরু করেছি। দ্বিতীয় বছরের মধ্যেই উই শুড ব্রিং অ্যাবাউট সাম ফান্ডামেন্টাল চেইঞ্জস ইন করপোরেট ট্যাক্সেস।”

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর