প্রশাসনের রহস্যজনক নীরবতায় সরকারী খাল দখল

tongibari khalপ্রশাসনের নীরবতার সুযোগে মুন্সীগঞ্জের টঙ্গিবাড়ীতে দখল হয়ে যাচ্ছে সরকারী খাল। একটি প্রভাবশালী মহল ড্রেজিং করে মাটি ভরাট করে দখল করে নিচ্ছে খালটি।

জানা যায়, উপজেলার পাঁচগাও বাজারের পাশ দিয়ে বয়ে যাওয়া প্রচীন এই খালটি দিয়ে এক সময় বড় বড় নৌকায় মালামাল উঠানামাসহ স্থানীয় কৃষকরা ফসলি জমিতে সেচ দেয়ার কজে ব্যবহার করতো এ খালটি। কালের অবর্তে খালটি তার গভীরতা হারিয়ে ফেলে। যে গভীরা আছে, তা থেকে প্রাপ্ত পানি দিয়ে স্থানীয় কৃষক কৃষি জমিতে সেচ কাজে ব্যবহার করে থাকে।


খালটি এখন অবৈধ ভাবে দখলের কারণে এর অস্তিত্বই এখন বিলীন হবার পথে। সরেজমিনে পাচগাঁও বাজারে গিয়ে দেখা যায, আব্দুল খালেক মোল্লা নামে স্থানীয় এক প্রভাবশালী ব্যক্তি ড্রেজিং করে মাটি দিয়ে খাল ভরাট করে দখল করে নিচ্ছে বিশাল জায়গা। এ ব্যাপারে প্রশাসন নিরব ভূমিকা পালন করছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। এরাকাবাসী জানান, খাল ভরাটের ঘটনায় প্রশাসন এক জনকে আটক করলেও রাতের আধারে তাকে আবার ছেড়ে দিয়েছে। এখানে শুধু খালই নয়, দখল করা হয়েছে রাস্তার পাশের সরকারী জায়গাও। আর দখলকৃত জায়গায় নির্মান করা হয়েছে দোকান ঘর।
tongibari khal
অভিযোগ রয়েছে এ খাল দখলের মাসাধিক কাল আগে আব্দুল খালেক মোল্লা রাস্তার পাশের সরকারী গাছ কেটে নির্মান করে দোকান ঘর। তখনও প্রশাসন কোন ব্যবস্থা নেয়নি। স্থানীয়রা মনে করে এভাবে যদি সরকারী খাল ভরাট করা হয়, তাহলে এ এলাকার কৃষকরা কোথা থেকে ফসলি জমিতে পানির ব্যবস্থা করবে। তাই এলাকার প্রভাবশালী আব্দুল খালেক মোল্লার হাত থেকে খালটি উদ্ধার করার জোড় দাবী এলাকাবাসীর ।

এ ব্যাপরে দখলদার আব্দুল খালেক মোল্লা বলেন, খাল ভরাট নয়, আমার নিজের জমি ভরাট করছি। এখানে খাল নেই, এমন দাবী তার।

পাঁচগাও ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা মোঃ রফিকুল ইসলাম বলেন, খাল ভরাটের ঘটনায় একাধিক বার তাদের বাঁধা দেয়া হয়েছে। তারা আমাদের বাধা অগ্রাহ্য করে অবৈধ ভাবে খাল ভরাট করছে। খাল ভরাটকারীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহনের চেষ্টা চলছে বলে তিনি দাবী করেন।

মুন্সীগঞ্জ বার্তা