আবার সিরাজদিখানে ককটেল ফাটিয়ে এক রাতে চার বাড়িতে ডাকাতি

dakatমাত্র সাত দিনের ব্যবধানে মুন্সীগঞ্জ সিরাজদিখান উপজেলার কেয়াইন ইউনিয়নে গত শনিবার দিবাগত রাতে আবারও চারটি বাড়িতে ককটেল ফাটিয়ে ডাকাতি হয়েছে। এ সময় ১৫ ভরি স্বর্ণালংকার লুট হয় আহত হন ১২।

গত ২৬ জানুয়ারী উপজেলার সৈয়দপুর গ্রামের দিপু বেপরী, ইসিরাফিল চৌধুরী, কহিনূর আলী ও মোঃ মিনহাজ উদ্দিনের বাড়িতে ডাকাতি হয়েছিল। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, একটি পিকআপ ভ্যানে করে ১২-১৩ জনের একটি ডাকাতদল ওই দিন রাত পৌনে ৩টার দিকে সিরাজদিখান উপজেলার কেয়াইন ইউনিয়নের মো. মোকাজ্জল সেখের বাসার দরজা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে। ডাকাতেরা পরিবারের সদস্যদের পিটিয়ে বেঁধে ফেলে এবং ৫ ভরি স্বর্ণালংকার, ২টি আই ফোন ও নগদ ৩০ হাজার টাকাসহ মূল্যবান মালামাল নিয়ে যায়। রাত সোয়া ৩টার দিকে একই ইউনিয়নের বড়শীকারপুর গ্রামে জামাল সেখের বাড়ির জানলার গ্রিল কেটে একদল ডাকাত ভেতরে প্রবেশ করে দেশীয় অস্ত্রের মুখে পরিবারের সবাইকে জিম্মি করে তিন ভরি ওজনের স্বর্ণালংকার ও একটি মুঠোফোন সেট নিয়ে যায়।

রাত পৌনে চারটার দিকে কবির হোসেন ঘরের দরজা ভেংগে পরিবারের সদস্যদের পিটিয়ে বেঁধে ফেলে চার ভরিস্বর্ণালংকার ১টি মোবাইলসহ অস্ত্রের মুখে নগদ ২০ হাজার টাকা ও মূল্যবান মালামাল নিয়ে যায়। ভোর চারটার দিকে ডাকাতদলের এক সদস্য পাহারাদার পরিচয় দিয়ে এবং পানি খাওয়ার কথা বলে বড়শীকারপুর গ্রামের আলী হোসেনের বাড়িতে ডাকাতেরা ভেতরে প্রবেশ করে দেশীয় অস্ত্রের মুখে পরিবারের সবাইকে জিম্মি করে তিন ভরি ওজনের স্বর্ণালংকার ও একটি মুঠোফোন সেট ও চারটি গরু নিয়ে যায়।

মোকাজ্জল সেখের স্ত্রী নাছিমা বেগম বলেন, ডাকাতরা সবাই মুখবাধা আবস্থায় রমধা নিয়ে বোম ফাটিয়ে আসে। আমরা প্রান ভয়ে জিনিসপত্র দিয়ে দেই তবুও ওরা আমাদের মারপিট করে। কেয়াইন ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান আবদ্দুল বারেক চার বাড়িতে ডাকাতির ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। সিরাজদিখান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবুল বাসার বলেন, ‘এ ঘটনা মুনেছি আমাদের লোক সেখানে গেছে। আভিযোগ এলে ব্যবস্থা নেব।

বাংলাপোষ্ট