ইয়াবা-মদসহ উপজেলার চেয়ারম্যানের ভাগ্নে ধৃত

drugsমুন্সীগঞ্জের গজারিয়া উপজেলার চেয়ারম্যান রেফায়েত উল্লাহ খান তোতার আপন ভাগ্নে রাসেল খানের বিরুদ্ধে কেন মাদক-দ্রব্য আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে-তা জানতে সোমবার দুপুরে থানার ওসি ও ১ এএসআইয়ের কাছে কৈফিয়ত চেয়েছে আদালত।

গজারিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মামুন-অর-রশিদ ও এএসআই মো: আমিনুলকে লিখিত ভাবে কৈফিয়তের জবাব দেওয়ার এ আদেশ দিয়েছেন গজারিয়া আমলী আদালতের বিচারক সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট মো: শাহাবুদ্দিন। দুপুর ২ টার দিকে আদালতে মামলার শুনানীকালে ওই আদেশ দেওয়া হয় বলে সত্যতা নিশ্চিত করেন কোর্ট পুলিশের সদস্য মো: শাহাবুদ্দিন।


সূত্র জানায়,গত শনিবার দিবাগত গভীর রাত আড়াইটার দিকে ঈমামপুর গ্রামের বাড়ি থেকে চেয়ারম্যানের ভাগ্নেকে খালি হাতে আটক করে থানায় নিয়ে যায় এএসআই আমিনুল। রোববার সকালে ২৪ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট ও সাড়ে ৩ লিটার চোলাই মদ উদ্ধার দেখিয়ে ওই এএসআই নিজে বাদী হয়ে চেয়ারম্যানের ভাগ্নের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট থানায় মামলা দায়ের করে। পরে আদালতে মামলার আসামী রাসেল খানের নিযুক্তিয় আইনজীবী জামিন শুনানীতে নির্দোষ দাবী করে বিষয়টি উপস্থাপন করলে আদালত জামিন নামঞ্জুর করে এই কৈফিয়ত আদেশ দেন বলে জানা গেছে। পুলিশ আসামীকে আদালতে পাঠালে সোমবার দুপুরে মামলার শুনানী হয়।

এ বিষয়ে গজারিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মামুন-অর-রশিদ বলেন- আমি এখনো কৈফিয়ত চাওয়ার আদেশের কাগজ হাতে পাইনি।

বিডিটুয়েন্টিফোরলাইভ