শীতলক্ষ্যায় নিখোঁজের ৫ দিন পর সুমনের লাশ উদ্ধার

Munshiganj-pic sumanমুন্সীগঞ্জ ও নারায়ণগঞ্জ জেলার সীমান্তবর্তী শীতলক্ষ্যা নদীতে লঞ্চে ডাকাতির ঘটনায় নিখোঁজ লঞ্চযাত্রী অ্যাডভোকেট সুমন চন্দ্র দাসের (৩২) লাশ পাঁচদিন পর উদ্ধার করা হয়েছে। সোমবার দুপুর ১২টার দিকে মুন্সীগঞ্জের পশ্চিম মুক্তারপুরের শাহ সিমেন্ট ফ্যাক্টরি সংলগ্ন শীতলক্ষ্যা নদী থেকে ভাসমান অবস্থায় তার লাশ উদ্ধার করা হয়।

লঞ্চ যাত্রী সুমন চন্দ্র দাসের লাশ মুন্সীগঞ্জ সদর থানা সংলগ্ন নিজ বাড়ি মালোপাড়া এলাকায় রাখা হয়েছে। তার লাশ উদ্ধারের খবর পেয়ে সোমবার দুপুর থেকে শত শত নারী-পুরুষ ভিড় করছেন শহরের মালপাড়াস্থ গণসদন প্রাঙ্গণে।

বৃহস্পতিবার নারায়ণগঞ্জ থেকে মুন্সীগঞ্জগামী রিগ্যান এক্সপ্রেস লঞ্চে ডাকাতির ঘটনা ঘটে। এসময় ডাকাত দল হামলা চালিয়ে ২০ যাত্রীকে আহত করে এবং নগদ টাকাসহ ১৫ লাখ টাকার মালামাল লুট করে নিয়ে যায়।

এ সময় শীতলক্ষ্যা নদীতে পড়ে চার যাত্রী নিখোঁজ হন। পরে লঞ্চের কেরানী মোবারক হোসেনসহ তিন জনকে জীবিত উদ্ধার করা হয়।
Munshiganj-pic suman
নিহতের স্বজন ভবতোষ চৌধুরী নুপুর বাংলানিউজকে জানান, সোমবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে শীতলক্ষ্যা নদীতে সুমন চন্দ্র দাসের লাশ ভেসে ওঠে। খবর পেয়ে স্বজন ও পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তার লাশ উদ্ধার করে।

অন্যদিকে, বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় যাত্রীবাহী লঞ্চে ডাকাতির সংঘটিত হলেও সীমানার অজুহাত দেখিয়ে মুন্সীগঞ্জ সদর থানা ও নারায়ণগঞ্জের বন্দর থানা পুলিশ মামলা রুজু করেনি। রোববার দুপুরে বন্দর থানায় মামলা করতে গিয়ে ব্যর্থ হয়ে ফিরে এসেছেন লঞ্চ যাত্রী সুমনের স্বজনরা।

মুন্সীগঞ্জ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শহীদুল ইসলাম বাংলানিউজকে জানান, ডাকাতির ঘটনায় কোন থানায় মামলা রুজু হবে তা নির্ধারণ করতে মুন্সীগঞ্জ সদর ও নারায়ণগঞ্জের বন্দর থানা পুলিশকে নিয়ে উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা আলোচনা চালাচ্ছেন। সিদ্ধান্ত হলেই সংশ্লিষ্ট থানায় মামলা রুজু করা হবে।

বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর