মুন্সিগঞ্জের সর্বত্র ভাপাপিঠার ধুম

vpইকবাল হোছাইন ইকু: মুন্সীগঞ্জের সর্বত্র ভাপাপিঠার ধুম পড়েছে। শৈত প্রবাহের তীব্র শীতে সর্বত্রই চলছে ভাপাপিঠা বানানোর ধুম। বাড়িতে বাড়িতে শীতের সকালে বানানো হচ্ছে ভাপাপিঠা। মুন্সিগঞ্জের সব বাজার ও রাস্তার পাশেও ভাপা পিঠা বিক্রি হচ্ছে।

অনেকেই বাসায় পিঠা বানানোর ঝামেলা এড়াতে সেখান থেকেই কিনে নিয়ে যান। সারা বছর ভাপা পিঠা বানানো গেলেও শীতের সময় তা বেশি স্বাদ লাগে। নতুন খেজুরের গুড়ের ভাপাপিঠার স্বাদ যেন স্বর্গীয়। মুন্সিগঞ্জের ভাপাপিঠাওয়ালা পুন্নির সাথে কথা বলে জানা যায়, তিনি খুব সুখেই আছেন ভাপাপিঠা বিক্রি করে।


ভাপা পিঠা বানানো হয় চালের গুড়া, গুড়, নারিকেল কোরা, লবণ ও দুধ/পানি দিয়ে। প্রথমে চালের গুড়া অল্প পানি/দুধ দিয়ে ভালোভাবে নেড়েচেড়ে মেশানো হয়। এরপর চালুনিতে চেপে দানা বের করা হয়। একটা হাঁড়ির মুখে কাপড় বেঁধে হাঁড়ির ভেতরে পানি দিয়ে তা চুলায় জ্বাল দেয়া হয়। পানি ফুটে বাষ্প বের হতে শুরু করলে একটা ছোট্ট বাটিতে বা ছাঁচে প্রথমে চালের গুড়া, পরে গুড় ও নারিকেল দিয়ে শেষে আবার চালের গুড়া দিয়ে ঢেকে দেয়া হয়।
vp
গুড় আর নারিকেল থাকে ভেতরে। এরপর পাত্র বা হাঁড়ির কাপড়ের ওপর বাটি বা ছাঁচ উপুড় করে ঢেকে ১০ মিনিট বাষ্পে রাখলে ফুটন্ত পানির বাষ্প বা ভাপে পিঠা সিদ্ধ হয়ে যায়। তারপর হাঁড়ির ওপর থেকে তুলে ঢাকনা খুলে গরম গরম পরিবেশন করা হয়।

টাইমস