জলিল কমিশনারের চাপে ঘুষের টাকা ফেরত দিলেন এ.এস.আই মোনায়েম

Policeমুন্সীগঞ্জ সদর থানার এ,এস,আই মুনায়েম এখন ডাকাতি করছে। কয়েকদিন আগে সে ওয়ারেন্ট ভুক্ত আসামী ধরে অনেক টাকার বিনিময়ে ছেড়ে দিয়েছিল বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। গত ৭ জানুয়ারী মিরাপাড়া বউ বাজার এলাকার গরুর গোশত বিক্রেতা মফিজুল ইসলামকে ধরে নিয়ে মুক্তারপুর একটি হোটেলে আটক করে রাখেন। সেখানে তার কাছে এ,এস,আই মোনায়েম তার কাছে ৫০ হাজার টাকা দাবী করে। কসাই মফিজুলের বিরুদ্ধে অভিযোগ সে নাকি একটি লেংড়া গরু জবাই দিয়েছে।


এ অভিযোগে ধরে নিয়ে তার কাছে এ টাকা দাবী করেন এ,এস,আই মোনায়েম। গরীব কসাই এ সময় টাকা দিতে অস্বীকার করলে তাকে কোর্টে চালান করে দেওয়ার ভয় দেখায়। তখন নিরূপায় হয়ে কসাই তার স্ত্রীর স্বর্ণালংকার বিক্রি করে এবং চড়া সুদে টাকা এনে মোনায়েম ১০ হাজার টাকা দিয়ে ছাড়া পায়।

এ,এস,আই মোনায়েমের এহেন কর্মকান্ডে এলাকার মানুষ ফুসে ওঠলে স্থানীয় কমিশনার জলিল মাদবর এবং বাবুল মেম্বার তাকে ডাকায়। তখন এ,এস,আই মোনায়েম টাকা নেয়ার কথা স্বীকার করেন এবং টাকা ফেরত দেন। এ,এস,আই মোনায়েম ২০০৯ সালে মুন্সীগঞ্জে আসেন। ২০০৯ সাল থেকে ২০১৩ সালের জুলাই মাস পর্যন্ত মুন্সীগঞ্জের বিভিন্ন ফাঁড়ি ও থানায় ছিলেন। টাঙ্গাইলে বদলী হয়ে সেখানে মাত্র ৪ মাস ছিলেন। চার মাসের মধ্যে তার পছন্দের জায়গা মুন্সীগঞ্জে আসতে সক্ষম হন। মুন্সীগঞ্জে তিনি যেভাবে অবৈধ টাকা আয় করতে পারেন অন্যত্র তা সম্ভব নয়। মিরাপাড়া বৌ বাজার এলাকায় যে ঘটনার সৃষ্টি করেছেন তাতে পুরো পুলিশ বাহিনীর ওপর তিনি কালিমা লেপন করেছেন।


এ ঘটনাটি তাৎক্ষনিক মুন্সীগঞ্জ পুলিশ সুপার সাহেবকে জানানো হয়েছে। তাই দায়ী এ পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে তদন্ত সাপেক্ষে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া প্রয়োজন। নইলে তারা ডাকাতি করলে সাধারন মানুষ কার কাছে যেয়ে নিরাপত্তা খুঁজবে।

মুন্সিগঞ্জের বাণী

ফলো আপঃ

মোনায়েমকে ক্লোজ করে পুলিশ লাইনে পাঠানো হয়েছে