মাওয়ায় তীব্র যানজট

টানা ৮৩ ঘন্টা অবরোধ শেষে দক্ষিণবঙ্গের প্রবেশদ্বার মাওয়া-কাওড়াকান্দি ঘাটের উভয় পাড়ে যানবাহনের বাড়তি চাপ দেখা দিয়েছে। বুধবার সকাল থেকে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের জেলাগুলো থেকে রাজধানীর উদ্দেশ্যে ছেড়ে আসা পণ্য এবং যাত্রবাহী পরিবহনের সংখ্যা বাড়তে থাকে। এতে করে মাওয়ায় তীব্র যানজটের কবলে পড়েছে ৫ শতাধিক যাত্রীবাহী বিভিন্ন ধরণের যানবাহন। এদিকে, পদ্মা অববাহিকায় ঘন কুয়াশার কারণে মাওয়া- কাওড়াকান্দি নৌরুটে আড়াই ঘন্টা ফেরিসহ সকল নৌযান চলাচল বন্ধ ছিল। এ সময় পদ্মাতীরে শুরু হওয়া প্রবল শৈত্যপ্রবাহের মধ্যে ৪-৫ ঘন্টাব্যাপী চরম দুর্ভোগে পড়েন দক্ষিণবঙ্গের ২৩ জেলার বিপুল সংখ্যক যাত্রী ।

বিআইডব্লিউটিসি সূত্রে জানা যায়, টানা অবরোধের ধকল পেরোতেই বুধবার সকাল থেকে মাওয়া ঘাটে হুমড়ি খেয়ে পড়ে বিপুল সংখ্যক ফেরি পারাপারের যানবাহন। মহাসড়কে দূরপাল্লার যাত্রীবাহী হালকা যানবাহন ও বাসের চাপ ছিল স্বাভাবিকের তুলনায় অনেক বেশী। এ সময় নৌরুটে ১৫টি ফেরির মধ্যে ১৩টি ফেরি সচল থাকলেও হিমশিম খেতে হয় ফেরি কর্তৃপক্ষকে। মাওয়া ফেরিঘাট কর্তৃপক্ষ সকাল ৬টা থেকে বিকেল ৫ টা পর্যন্ত ১১ঘন্টার ব্যবধানে মাওয়া প্রান্তে ৫ শ’ যানবাহন পারাপার করেছে। তবে এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত প্রাইভেটকার, মাইক্রো, বাস ও পণ্যবাহী ট্রাকসহ ২শতাধিক যানবাহন পারাপারের অপেক্ষায় ঘাটে আটকে ছিল।

বিআইডব্লি¬উটিসির ম্যানেজার (বাণিজ্য) শেখর চন্দ্র রায় জানান, ভোররাত থেকে একে একে প্রায় ৬ শত যানবাহন ফেরিঘাটে আসলেও বিকেল ৪ টা পর্যন্ত ২শতাধিক যানবাহন পারাপারের অপেক্ষায় ঘাটে আটকে ছিল।

তিনি আরো জানান, মঙ্গলবার রাত আড়াইটা থেকে বুধবার ভোর ৫টা পর্যন্ত আড়াই ঘন্টা নৌরুটে ফেরি চলাচল বন্ধ থাকে। কিন্তু টানা অবরোধ শেষ হওয়ায় ঘাটে যানবাহনের এ বাড়তি চাপ দেখা দেয়।

মুন্সীগঞ্জ বার্তা