অবরোধে স্বাভাবিক মুন্সীগঞ্জ

অবরোধে ঢাকা-মাওয়া ও ঢাকা-চট্রগ্রাম মহাসড়কসহ জেলার বিভিন্ন সড়কে যাত্রীবাহী বাসসহ যানবাহন চলাচল করেছে। ঢাকা-মাওয়া মহাসড়কে চলেছে যাত্রীবাহী বিআরটিসি’র বাসও। একইসাথে যোগ হয়েছে সিটিং সার্ভিস পরিবহনসহ গণপরিবহনগুলো। সচল ছিল দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের প্রবেশদ্বার মাওয়া-কাওড়াকান্দি নৌরুট।

টানা ৮৩ ঘন্টা অবরোধের প্রথমদিনে মাওয়া-কাওড়াকান্দি নৌরুটে ভেঙে ভেঙে চলাচল করেছে যাত্রীরা। শনিবার বিকেল সাড়ে ৪টার পর মাওয়া চৌরাস্তা থেকে ঢাকা-মাওয়া মহাসড়কে যানবাহন চলাচল শুরু করে আগের মতোই।

ফেরিতে কিছু দূরপাল্লার যাত্রীবাহী বাসও দেখা গেছে। গজারিয়া হাইওয়ে সড়কের সার্জেন্ট মো. সাইফুল ইসলাম জানিয়েছেন-কুমিল্লা ও গজারিয়া থেকে ঢাকা-চট্রগ্রাম মহাসড়ক দিয়ে লোকাল বাসসহ যানবাহন চলাচল করেছে। এদিকে, অবরোধে শহর ছাড়া জেলার কোথাও রাজপথে কোন নেতাকর্মীকে দেখা যায়নি।


সরেজমিন দেখা গেছে, টানা ৮৩ ঘন্টা অবরোধের ১ম দিনে ঢাকা মাওয়া মহাসড়কে বাসে এবং মাওয়া-কাওড়াকান্দি নৌরুটে লঞ্চ ও সি-বোটের যাত্রীদের চলাচল ছিল চোখে পড়ার মতো। শনিবার সকাল থেকেই এ রুটে চলাচল করেছে প্রায় সব ধরনের পরিবহন।

ঢাকা-মাওয়া সড়কে বিআরটিসি, গ্রেট বিক্রমপুর ভিআইপি, ইলিশ, প্রচেষ্টা, গাঙচিলসহ লোকাল পরিবহন চলাচল করে দিনব্যাপী। এ সময় মাওয়া ঘাট থেকে যাত্রীবাহী লঞ্চ, সি-বোট ও ফেরিগুলো ছেড়ে পদ্মা পাড়ি দিয়েছে বিরামহীনভাবে।

এদিকে, ঢাকা-মাওয়া-খুলনা মহাসড়কে দূরপাল্লার যাত্রীবাহী যানবাহনগুলো সম্পূর্ণভাবে বন্ধ ছিল। তবে পর্যাপ্ত যানবাহনের অভাবে নৌরুটে কিকেল ৪ টা পর্যন্ত মাত্র ৮ ঘন্টায় মাওয়া প্রান্তে চার শতাধিক যানবাহন পারপার করা হয়। ১৫টি ফেরির মধ্যে ১৪ ফেরি চলাচল করে মাওয়া-কাওড়াকান্দি নৌরুটে।

মুন্সীগঞ্জ বার্তা