দোকানঘর লিখে না দেয়ায় ডা. বাবাকে হয়রানি, হুমকি প্রদর্শন

দোকান লিখে না দেয়ায় পুত্রের হয়রানির শিকার হয়ে ডা. বাবা এখন দিশেহারা। প্রতিকার চেয়ে থানায় জিডি করেছেন। কিন্ত প্রতিকার পাচ্ছেন না কোথাও। ভুক্তভোগী আব্দুল আজিজ শহরের বাজার সংলগ্ন দি পিওর হোমিও হল নামে দোকানের মালিক ও হোমিও ডাক্তার। তিনি শহর লাগোয়া পঞ্চসার ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানও ছিলেন।

জানা গেছে, শহরের ইদ্রাকপুর গ্রামের ডা. আব্দুল আজিজের তিন সন্তান রয়েছে। ছেলেদের মধ্যে ইদ্রাকপুর এলাকায় তার সম্পত্তি বন্টন করে দিয়ে দোকান ও দোকানের জায়গাটুকু তার নামে রেখেছেন। কিন্ত এ সম্পত্তি লিখে নেয়ার জন্য তার বড় ছেলে নাসিরউদ্দিন কাজল ও মেঝ ছেলে বশিরউদ্দিন বাদল এখন বাবাকে হুমকি-ধামকিসহ নানাভাবে হয়রানি করছেন বলে তিনি অভিযোগ করেছেন।

গতকাল বুধবার তিনি জানান, দোকান ও দোকানের সম্পত্তি লিখে নেয়ার জন্য ওই ছেলে মুন্সীগঞ্জ পৌরসভা ও শহর ব্যবসায়ী সমিতির কাছে আমার বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। কিন্ত বৃদ্ধ বয়সে তারা আমাকে দেখভাল করার কথা থাকলেও তা না করে আমার জন্য রেখে দেওয়া সম্পত্তিটুকু নেয়ার জন্য আমাকে হুমকি-ধামকি দিয়ে নানাভাবে হয়রানি করছে। বাড়ির সম্পত্তি তাদের মধ্যে বাটোয়ারা করে দিয়েছি। ওই ছেলের হয়রানিমূলক আবেদনের প্রেক্ষিতে মুন্সীগঞ্জ পৌরসভার প্রতিকার সেল গত ৬ই জুন আমাকে প্রথম দফায় চিঠি দেয় গেল ১১ই নভেম্বর বসার জন্য। তিনি হয়তাল থাকায় সেদিন পৌর কর্তপকক্ষ বসেনি। পরবর্তীতে আবারো চিঠি দেয় বসার জন্য।

কিন্ত আমি অসুস্থ থাকায় আর বসতে পারিনি। পরবর্তীতে গত ১৭ই নভেম্বর লিখিতভাবে মুন্সীগঞ্জ পৌরসভার অভিযোগ প্রতিকার সেলকে আমার অবস্থান ও মতামত জানিয়ে দেই। তিনি আরো বলেন, আমার সম্পত্তি আমি কাকে দেবো বা না দেবো সেটা আমার ব্যাপার। কিন্ত কোন দপ্তর জেনেশুনেও আমাকে কেন হয়রানি করছে।

এদিকে, জোরপূর্বক সম্পত্তি লিখে নেয়া ও হুমুক-ধামকির অভিযোগ তুলে গত ২৫শে নভেম্বর ডা. আব্দুল আজিজ তার ছেলে নাসিরউদ্দিন কাজল ও বশিরউদ্দিন বাদলের বিরুদ্ধে মুন্সীগঞ্জ সদর থানায় সাধারণ ডাইরি করেছেন।

মুন্সীগঞ্জ বার্তা

One Response

Write a Comment»
  1. Please correct the spelling…….