রাজপথে নেই বিএনপি নেতাকর্মীরা

bnpমোজাম্মেল হোসেন সজল: অবরোধে ঢাকার মতো মুন্সীগঞ্জেও রাজপথে নেই বিএনপির শীর্ষ নেতারা। কর্মীদের উপর ভর করেই চলছে আন্দোলন। শনিবার সকাল সাড়ে ১০ টার দিকে জেলা বিএনপির সভাপতি আবদুল হাইয়ের নেতৃত্বে একটি মিছিল শহরে বের হলেও জেলার কোথাও অবরোধে দলীয় নেতাকর্মীদের রাজপথে দেখা মেলেনি।

মুন্সীগঞ্জ-১ নির্বাচনী এলাকার বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান শাহ মোয়াজ্জেম হোসেন, মুন্সীগঞ্জ-২ নির্বাচনী এলাকার বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির কোষাধ্যক্ষ, জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক টঙ্গীবাড়ি উপজেলা এলাকার আলী আজগর মল্লিক রিপনসহ ওই ২টি নির্বাচনী এলাকার ৪টি উপজেলা বিএনপির সভাপতি-সাধারণ সম্পাদকসহ কোনো নেতাকর্মীকে রাজপথে দেখা যায়নি।


এর ফলে গজারিয়া, শ্রীনগর, সিরাজদিখান ও লৌহজং উপজেলার ঢাকা-মাওয়া ও ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক দিয়ে কোনো বাধা ছাড়াই চলেছে লোকাল বাসসহ কিছু যানবাহন। তবে, দূরপাল্লার যানবাহন ছেড়ে না আসায় ওই রুট দিয়ে যানবাহন চলাচল করতে দেখা যায়নি। এছাড়া যানবাহনের অভাবে মাওয়া-কাওড়াকান্দি নৌরুটে অলস পড়ে থাকে ফেরিগুলো।


এদিকে শহরের নির্দিষ্ট গণ্ডির মধ্যে অনুষ্ঠিত মিছিল-সমাবেশে অন্যদের মধ্যে আরো উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপির যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক আতোয়ার হোসেন বাবুল, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক ও জেলা যুবদলের সভাপতি তারিক কাশেম খান মুকুল, দপ্তর সম্পাদক আব্দুল আজিম স্বপন, শহর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. শাহীন মিয়া, তওফিকুল ইসলাম শরীফ, জাতীয়তাবাদী মুক্তিযুদ্ধের প্রজন্মের আহবায়ক মাহবুব-উল আলম স্বপন, জেলা যুবদলের সহ-সভাপতি মোখলেছুর রহমান বকুল, জেলা ছাত্রদলের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক মো. মাসুদ রানা, মহিলা দল নেত্রী মমতাজ আলো, বাসিরন নেছা, শহর যুবদলের সভাপতি এনামুল হক, সিনিয়র সহ-সভাপতি মো. মাসুদ রানা, সাধারণ সম্পাদক বুরজাহান ঢালী, যুগ্ন-সম্পাদক হুমায়ুন কবীর প্রমুখ।

এদিকে, ৭২ ঘণ্টার অবরোধের প্রথম দিন গতকাল শনিবার দুপুরে পথচারীর ছদ্মবেশে ঢাকা-মাওয়া মহাসড়কের সিরাজদিখান উপজেলার কুচিয়ামোড়া ও ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের গজারিয়া উপজেলার হোসেন্দি বাজার এলাকায় অবরোধকারীরা যাত্রীবাহী বাস, সিএনজিসহ ১০-১২টি গাড়ি ভাঙচুর করে। এছাড়া, সকালে ঢাকা-মাওয়া মহাসড়কের শ্রীনগরের পরিত্যক্ত পুরাতন ফেরিঘাট এলাকার সড়কে টায়ার জ্বালিয়ে সেখান থেকে সরে যায় বিএনপি কর্মীরা।

এমটিনিউজ২৪