মুন্সীগঞ্জে স্ত্রী হত্যায় স্বামী যাবজ্জীবন

courtমুন্সীগঞ্জে স্ত্রী হালিমা আক্তার দিপা হত্যা মামলায় স্বামী মোর্শেদ মিয়াজীর যাবজ্জীবন কারাদন্ড হয়েছে। মুন্সীগঞ্জের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইবুনালের বিচারক এবং সিনিয়ার জেলা ও দায়রা জজ মো. আতোয়ার রহমান সোমবার বিকালে আসামীর উপস্হিতিতে জনাকীর্ণ আদালতে এই রায় ঘোষণা করেন। রায়ে উল্লেখ করা হয়েছে-নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে যৌতুক জন্য হত্যার অভিযোগে মামলা করা হলেও যৌতুকের অভিযোগ প্রমানিত হয়নি। কিন্তু খুনের দায়ে প্যানেল কোডের ৩০২ ধারার অভিযোগে এই শাস্তি প্রদান করা হয়।


আদালত সূত্রে জানা যায়, ২০০৫ সালে তাদের পারিবারিকভাবে বিয়ে হয়। ২০১০ সালের ১৭ অক্টোবর রাতে শহরের পুরনো হাসপাতাল পাড়ার লিচুতলাস্হ স্বামীর বাড়িতে মারা যান এক সন্তানের জননী হালিমা আক্তার দিপা (২৪)। ঘটনায় পরদিন একই উপজেলার মিরাকাদিমের মুরমা পালপাড়া বাসিন্দা দিপার পিতা বাদী হয়ে মুন্সীগঞ্জ থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। পুলিশ দিপার স্বামী, শ্বাশুরি, এক ননদ, এক ননদ জামাই ও এক জায়ের বিরুদ্ধে চার্জশীট প্রদান করে। আদালত চারজনকে অব্যহতি দিয়ে শুধু স্বামী মোর্শেদ মিয়াজীর (৪০) বিরুদ্ধে চার্জ গঠন করে। সে”ছায় আসামী মোর্শেদ মিয়াজী আত্মসমর্পন করেন।


পরে দন্ডপ্রাপ্তের শিশু সন্তান নাফিজ ওরফে ওহির সহ ১৮ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ এবং দীর্ঘ শুনানী শেষে এই রায় প্রদান করা হয়। আসামী পক্ষে মামলাটি পরিচালনা করেন এ্যাডভোকেট মুজিবুর রহমান, এ্যাডভোকেট শাহজাহান মিয়া ও এ্যাডভোকেট সুভাস নন্দী। রাষ্ট্র পক্ষে ছিলেন পিপি এ্যাডভোকেট আব্দুল মতিন। আসামী পক্ষের আইনজীবী জানান, পূর্নাঙ্গ রায় হাতে পেলে এব্যাপারে বিস্তারিত প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করা যাবে। তবে আসামীর খালাসের যথেষ্ট গ্লাউন্ড রয়েছে। পূনাঙ্গ রায়ের কপি পাওয়ার জন্য আবেদন করা হয়েছে। রায় হাতে পেলেই আসামী পক্ষে উচ্চ আদালতের আপিল করা হবে।

স্বদেশ