মাওয়া-কাওড়াকান্দি নৌরুটে নব্যতা সংকটের আশংকা

nabbataদক্ষিনাঞ্চল গামী ২১টি জেলার প্রবেশদ্বার মাওয়া-কাওড়াকান্দি রুটে যে কোন সময় দেখা দিতে পারে নাব্যতা সংকট। এমনটি আশংকা করছেন এই রুটে চলাচল রত লঞ্চ ও ফেরি কতৃপক্ষ। তাই ২১টি জেলায় চলাচলের মাধ্যম মাওয়া-কাওড়াকান্দি নৌরুট সচল রাখতে ৪টি পয়েন্টে ৫টি ড্রেজার দিয়ে রাতদিন ২৪ঘন্টা চলছে পলি অপসারনের কাজ।

লৌহজংয়ের হাজরা টার্নিং পয়েন্ট, মাগুর খন্ড টার্নিং পয়েন্ট, কাঠালবাড়ী ও মাঝিকান্দি টানিংপয়েন্টে দিনরাত ব্যাপী চলছে ড্রেজিং। সোমবার মাওয়া কাওড়াকান্দি নৌরুটের কাঠালবাড়ী মাঝিরকান্দি পয়েন্টে গিয়ে দেখাযায় ড্রেজার দিয়ে পলি অপসারনের কাজ চলছে। ড্রেজার লিবারম্যান মহসীন মিয়া জানান, নব্যতা সংকটের আশংকায় গত ৩ মাস ধরে রাতদিন চব্বিশ ঘন্টা ড্রেজিংয়ের কাজ চলছে।


এতে করে প্রতিদিন ৩২ থেকে ৩৫ হাজার ঘনফুট পলি অপসারন করা হচ্ছে। এর পর ও ঠিক রাখা যাচ্ছে না চ্যানেল গুলো যে কোন সময় নব্যতা দেখা দিতে পারে। বিআইডাব্লিউ টিএর প্রকৌশলী মোঃ সুলতান উদ্দিন জানান, আপাতত এই নৌরুটে তেমন কোন সমস্যা হচ্ছে না তবে ড্রেজিং বহাল না রাখলে যে কোন সময় বিপর্যয় দেখা দিতে পারে। বিগত বসর গুলোতে নভেম্বর মাস থেকে ফেব্রুয়ারী মাস পর্যন্ত চলে নব্যতা সংকট।
nabbata
কিন্তু এই বসরের চিএ সম্পুর্ন ভিন্ন। ড্রেজিং সচল থাকলে নব্যতা সংকট মোকাবেলা সম্ভব। লঞ্চ মালিক সমিতির নেতা হুমায়ুন কবীর জানান, চ্যানেল গুলো সরু ও চাপা হওয়ায় লঞ্চ ও ফেরি পাশাপাশি চলতে সমস্যা হচ্ছে এবং দুঘর্টনা ঘটার সম্ভাবনা রয়েছে। লঞ্চের সারেং মোতালেব মিয়া জানান, কাঠাল বাড়ী মাঝির কান্দি চলাচলে লঞ্চ এখনই অনেক যায়গায় আটকে যায় এ মাস পর সমস্যা আরো বারবে। বিআইডাব্লিওটির ম্যানেজার সিরাজুল ইসলাম জানান, এই নৌরুট সচল রাখতে ৪টি পয়েন্টে ড্রেজিং অব্যাহত রয়েছে এবং যে চ্যানেলে সমস্যা দেখা দিবে সেখানেই দ্রুত গতিতে ড্রেজিং করা হবে।

বাংলাপোষ্ট২৪