আগ্নেয়াস্ত্র-বোমার মহড়া

politicশেখ মো: রতন: আসন্ন ১০ম সংসদ নির্বাচনে জেলার চর এলাকাগুলোতে এখন অত্যাধুনিক বোমা-অস্ত্র প্রবেশ করছে। নির্বাচন কালিন সময় এসব অস্ত্র-বোমা দিয়ে চলবে মৃত্যুলড়াই। পুলিশ এ অস্ত্র এবং অস্ত্রধারি সন্ত্রাসিদের গ্রেপ্তার অভিযানে সম্পুর্ন ব্যর্থতার পরিচয় দিয়েছে। এসব অত্যাধুনিক অস্ত্র পার্শ্ববর্তী দেশ ভারত ও পাকিস্থান থেকে সু-কৌশলে বর্ডার পার হয়ে কুমিল্লা হয়ে নৌ ও স্থলপথে ভিন্ন কৌশল অবলম্বন করে নারীদের দিয়ে শহর সহ চরাঞ্চলের সকল স্থানে পাচার করছে।

এদিকে সদর উপজেলার আধারা, আমঘাটা, বাংলাবাজার, চিতলিয়া, চরডুমুরিয়া বাজার, চৈতারচর,টরকি,চরমুশুরা, রমজানবেগ এলাকায় প্রকাশ্যে অত্যাধুনিক অস্ত্র ও বোমার প্রবেশ দেখে এলাকাবাসির নিদ্রা হারাম হয়ে গেছে। এসব এলাকায় অভিযান চালালেও অস্ত্র উদ্ধারে পুলিশ সম্পুর্ন ব্যর্থতার প্রমান দিয়েছে।


তবে এ অস্ত্র উদ্ধার ও সন্ত্রাসী গ্রেপ্তার তৎপরতা অব্যাহত রাখবে বলে জানিয়েছে পুলিশের কর্মকর্তারা। ২০১২ সালের ২১ জুন চর এলাকার মোল্লাকান্দি ইউনিয়নের স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতা চরডুমড়িয়া গ্রামের ফরহাদ খান নেতৃত্বাধীন গ্রুপের সঙ্গে একই ইউনিয়নের আমঘাটা গ্রামের নব্য আ’লীগ নেতা রিপন পাটোয়ারীর নেতৃত্বাধীন সন্ত্রাসীদের সংঘর্ষ বাধে। এ সংঘর্ষে অত্যাধুনিক অস্ত্র ও হাতবোমা ব্যাবহার করা হয় পুলিশের উর্দ্ধতন কর্মকর্তাদের সম্মুখেই। এর আগে একই কারণে এই দুই গ্রুপের সঙ্গে অন্তত ৫ বার সংঘর্ষ হয়েছে।

এতে চরাঞ্চল মোল্লাকান্দি ইউনিয়ন ও আধারা ইউনিয়নের কায়েকটি গ্রামে আওয়ামী লীগের দুই গ্রুপ্রের দফায় দফায় সংঘর্ষে কমপক্ষে ৫০ জন আহত হয়েছে। এ বিরোধের মূল হোতা চরএলাকার আধারা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান রহমত আলী ও আ’লীগ নেতা শাহ আলম মল্লিক ফরহাদ খান। অন্যদিকে রিপন পাটোয়ারীর সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন মোল্লাকান্দি ইউপি চেয়ারম্যান আজিজ মল্লিক ও আ’লীগ নেতা মোস্তফা মোল্লা। পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে সাঙ্গ-পাঙ্গ ৭-৮ জনকে আটক করলেও মুল হোতাদের রহস্যজনক কারনেই আটক করছে না। সুত্র জানায় তাদের আটক না করার কারনের অন্তরালে রয়েছে ক্ষমতাসিন দলের শির্ষ নেতাদের হস্থক্ষেপ ও অবৈধ কাঁচা টাকার ছরাছরি।


গোপন সুত্রে জানা গেছে সদর উপজেলার কোটগাঁও, হাটলক্ষীগঞ্জ, মুক্তারপুর এলাকা, দক্ষিন ইসলামপুর, মীরকাদিম , হাতিমারা পুলিশ ফাড়ি এলাকা থেকে এসব অস্ত্র-বোমা তৈরির সরঞ্জাম জেলা শহর, থেকে কৌশলে নাড়ি ও শিশুদের দিয়ে চরএলাকায় পাচার হচ্ছে।

এব্যাপারে সদর থানার ওসি শহিদুল ইসলাম বলেন, এরিয়া তুলনায় যানবাহন ও লোকবল অপ্রতুল থাকায় সঠিক সময়ে অপরাধিদের গ্রেপ্তার করা যাচ্ছে না। তবে আমাদের গ্রেপ্তার অভিযান অব্যাহত থাকবে। তবে জেলার সচেতন মহল মনে করছেন এসব অস্ত্রধারি গডফাদারদের প্রশাসনিক কঠিন হস্তে দমন করা দরকার।

এটিএনবিডি