বিএডিসির খামখেয়ালী আর ঘন ঘন হরতালে টঙ্গীবাড়ীতে সার সংঙ্কটের আশংঙ্কা

aaaMunshigonjব.ম শামীম টঙ্গীবাড়ী (মুন্সীগঞ্জ) থেকে: বিএডিসির খামখেয়ালী আর ঘন ঘন হরতালের কারনে টঙ্গীবাড়ী উপজেলায় সার সংঙ্কটের আশংঙ্কা দেখা দিয়েছে। মুন্সীগঞ্জের মীরকাদিমে বিএডিসির গোডাউন থাকা সত্ত্বেও উক্ত গোডাউন থেকে টঙ্গীবাড়ীর ডিলারদের সার না দিয়ে দাউদকান্দি, ব্রাক্ষনবাড়িয়া এবং ভৈরব গোডাউন থেকে সার দেওয়ায় ডিলারদের মনে তিব্র হতাশা বিরাজ করছে।

একদিকে ছুটির দিনে বিএডিসির গোডাউন বন্ধ অন্যদিকে খোলার দিনে হরতালের কারনে পণ্য পরিবহন করতে গিয়ে ডিলাররা বিরম্বনার শিকার হচ্ছেন। টঙ্গীবাড়ী বাজারের ডিলার মহাদেব ঘোপ জানান, ব্রাক্ষনবাড়িয়া থেকে একটি ট্রাক পৌছাঁেত হরতালের কারনে প্রায় ৪ দিন সময় লেগে যাচ্ছে। তাছাড়া যানবাহন খরচ বৃদ্ধি পাওয়ায় নির্ধারিত দামে কৃষকদের মধ্যে সার বিতরণ করতে আমাদের হিমশিম খেতে হচ্ছে।

এদিকে টঙ্গীবাড়ী উপজেলার সারের ডিলারদের দোকানে ঘুরে সরোজমিনে বৃহস্পতিবার দেখা গেছে, পটাশ সারের মজুদ একেবারে শূণ্যে নেমে এসেছে। ডিলারদের সাথে কথা বলে জানাগেছে, বিগত কয়েকদিন তারা টিএসপি সার সরকার নির্ধারিত ১১শত টাকার চেয়েও কম দামে বিক্রি করে আসছিলেন।


কিন্তু হঠাৎ করে হরতালের কারনে তাদের এখোন নির্ধারিত দামে বিক্রি করতে হিমশিম খেতে হচ্ছে। যশলং গ্রামের কৃষক আ. হামিদ জানান, ২ দিন পূর্বে টিএসপি সার ১ হাজার ৫০ টাকা বস্তা কিনেছি কিন্তু এখোন ১১ শত টাকা চাচ্ছে। টঙ্গীবাড়ী বাজারের অপর ডিলার মান্নান মাঝি জানান, একদিকে হরতাল অপরদিকে পানি কমে যাওয়ায় নৌ-পরিবহনে সার আনতে তাদের দূর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। মীরকাদিম গোডাউন হতে সার দেওয়া হলে, সঠিক সময়ে কৃষকদের মাঝে সার পৌঁঁেছ দিতে কোন সমস্যা হতোনা।

এদিকে টঙ্গীবাড়ী কৃষি অফিস সুত্রে জানাগেছে, আলু রোপন এই মৌসুমে টঙ্গীবাড়ী উপজেলায় প্রায় ২০ হাজার টন সারের প্রয়োজন। এর মধ্যে টিএসপি এবং পটাশ ১৩ হাজার টন সার বিএডিসির মাধ্যমে দেওয়া হয়ে থাকে। বিএডিসির মীরকাদিম হতে সার না দিয়ে অন্য স্থান হতে সার দেওয়ার স্বত্যতা স্বীকার করে টঙ্গীবাড়ী কৃষি কর্মকর্তা মহিদুর রহমান জানান, অন্যান্য বছর মীরকাদিম গোডাউন হতে আমাদের সার দেওয়া হলেও এ অক্টোবর- নভেম্বর মাসে মীরকাদিম গোডাউন হতে আমাদের কোন বরাদ্ধ দেওয়া হয় নাই।