মুন্সীগঞ্জে সম্ভাব্য প্রার্থীদের গণসংযোগ

munshigonjElectionআসন্ন দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচন ঘনিয়ে এলেও কোন্দলে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে মুন্সীগঞ্জের আওয়ামী লীগ। সম্ভাব্য প্রার্থীরা যতোটা নিজের জন্য গণসংযোগ করছেন তার চেয়ে বেশি মোকাবিলা করছেন দলীয় কোন্দল। এর মাঝেও প্রার্থীরা ব্যস্ত এখন নেতাকর্মী ও ভোটারদের খুশি করতে। রং-বেরংয়ের পোস্টার-ব্যানার সাঁটিয়ে নির্বাচনের প্রার্থীতা জানান দিচ্ছেন তারা।

১৯৭৯ সালের জাতীয় নির্বাচন থেকে এখানকার সব আসনই হাতছাড়া ছিল আওয়ামী লীগের। শুধু ১৯৮৬ সালে সদর আসনটি পায় আওয়ামী লীগ। বিএনপির ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত এ চিত্র পাল্টে যায় ২০০৮ সালের জাতীয় নির্বাচনে। মুন্সীগঞ্জের সব আসনেই জয়লাভ করে আওয়ামী লীগ। এই জয় ধরে রাখতে আওয়ামী লীগ মাঠে থাকলেও দলীয় কোন্দল বিপাকে ফেলতে পারে। কেউই কাউকে ছাড় দিতে নারাজ। জাতীয় বিশেষ দিনগুলোতে আওয়ামী লীগের অনেক নেতা একত্রে মিলিত হতে পারছেন না। সদর আসনে এই কোন্দল চরমে। প্রায় একই চিত্র বিএনপিতে। ঘাঁটি পুনরুদ্ধারে মরিয়া হলেও সেই কোন্দলের কারণেই আবারও হাত ছাড়া হতে পারে বিএনপির। স্থানীয় ও জাতীয় ইস্যু গুণীজনদের স্মৃতি বিজড়িত প্রাচীন এ জনপদের ভোটারদের মধ্যে প্রভাব ফেলবে।

বিশেষ করে যুদ্ধাপরাধীদের বিচারে বিরোধিতার সুর এবং হেফাজত ইস্যু ছাড়াও সর্বশেষ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সর্বদলীয় সরকার গঠনের প্রস্তাব ফিরিয়ে দেয়ায় এখানে ভোটারদের নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে বিএনপির ওপর। একইভাবে মাওয়ায় পদ্মা সেতু বাস্তবায়ন করতে না পারাসহ স্থানীয় ইস্যু হিসেবে গজারিয়া-মুন্সীগঞ্জ সড়ক যোগাযোগে মেঘনায় ফেরি সার্ভিস, অবাধে বালু উত্তোলন, মাদকের প্রসার, মুক্তারপুর-নারায়ণগঞ্জ লিঙ্ক রোড, ঢাকার সঙ্গে বিকল্প সড়ক বেতকা-তেঘরিয়া সড়ক ও ১৮ বছর ধরে উদ্বোধনের অপেক্ষায় থাকা শহরের শিশুপার্ক চালু করতে না পারাসহ গ্যাস সঙ্কটের কারণে ভোটারদের নেতিবাচক প্রভাব পড়বে আওয়ামী লীগের ওপর। তবে শান্তি-শৃঙ্খলা, শিক্ষা ও কৃষিতে উন্নয়ন, তৃণমূল পর্যায়ে ইন্টারনেট ও প্রযুক্তি সুবিধা পৌঁছে দেয়া এবং যুদ্ধাপরাধীদের বিচার করাসহ জাতীয় অনেক ইস্যুতে আওয়ামী লীগের প্রতি ভোটারদের ইতিবাচক প্রভাবও রয়েছে।

২০০৮ সালের পুনর্বিন্যাস অনুযায়ী মুন্সীগঞ্জ জেলায় সংসদীয় আসন এখন ৩টি। নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর এর কোন পরিবর্তন হয়নি। তাই এভাবেই আগামী দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। আসন কমে যাওয়ায় বিগত নির্বাচনের মতোই বড় দুই দল এখানকার হেভিয়েট প্রার্থী মনোনয়ন দিতে গিয়ে জটিলতায় পড়বে। প্রতিটি সরকারেই এ জেলার রাজনীতিকরা নীতি-নির্ধারকদের শীর্ষ পর্যায়ে থাকেন। তাই এই জেলার গুরুত্ব সব দলের কাছেই একটু আলাদা। এখানে বরাবরই জামায়াতের তেমন কোন অবস্থান নেই। শীর্ষ নেতারা যুদ্ধাপরাধী প্রমাণিত হওয়ায় এখানে জামায়াতের অস্তিত্ব বিলুপ্ত হওয়ার মতো। হেফাজত ইসলামও এখানে তেমন সুবিধা করতে পারেনি। সব মিলিয়ে জোটবদ্ধ নির্বাচন এখানে খুব একটা প্রভাব ফেলবে না। ৬টি উপজেলা নিয়ে গঠিত রাজধানী ঢাকার কাছের জেলাটির ভোটার সংখ্যা ১০ লাখ ১৬ হাজার ৫৭৭। এরমধ্যে পুরুষ ভোটার ৫ লাখ ১৮ হাজার ৫২৬ এবং মহিলা ভোটার ৪ লাখ ৯৮ হাজার ৫১।

মুন্সীগঞ্জ-১ (শ্রীনগর ও সিরাজদিখান উপজেলা): বিগত জাতীয় নির্বাচনে সাবেক রাষ্ট্রপতি বিকল্পধারা প্রধান অধ্যাপক একিউএম বদরুদ্দোজা চৌধুরী, বিএনপির কেন্দ্রীয় ভাইস চেয়ারম্যান ও সাবেক উপ-প্রধানমন্ত্রী শাহ মোয়াজ্জেম হোসেনকে পরাজিত করে আলোচনার ঝড় তোলেন শ্রীনগর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি সুকুমার রঞ্জন ঘোষ। তিনি এবারও আওয়ামী লীগের প্রার্থী। আড়িয়াল বিলে বিমানবন্দর করা নিয়ে হোচট খেলেও তা কাটিয়ে উঠার চেষ্টা করছেন। তবে আওয়ামী লীগের আরেক সম্ভাব্য প্রার্থী সিরাজদিখান উপজেলার চেয়ারম্যান মহিউদ্দিন আহম্মেদের সঙ্গে তার দলীয় কোন্দল প্রভাব পড়বে আগামী নির্বাচনে। কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের স্বাস্থ্য ও জনসংখ্যা বিষয়ক সম্পাদক শ্রীনগর উপজেলার দামলা প্রামের সন্তান ডা. বদিউজ্জামান ভূঁইয়া ডাবলু আওয়ামী লীগের শক্তিশালী সম্ভাব্য প্রার্থী তালিকায় রয়েছেন।

অন্যদিকে এবারও এখানে বিএনপির প্রার্থী হওয়ার চেষ্টা করছেন গেলবারের পরাজিত শাহ মোয়াজ্জেম হোসেন। তবে এলাকায় ভোটারদের মন জয়ে কাজ করে কেন্দ্রীয় স্বেচ্ছাসেবক দলের সাধারণ সম্পাদক মীর শরাফত আলী সপু এবং সিরাজদিখান উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শিল্পপতি শেখ মো. আব্দুল্লাহ শক্তিশালী অবস্থানে রয়েছেন।

এদিকে একটি আসন কমে যাওয়ায় হেভিওয়েট তিন প্রার্থীদের জায়গা করতে এই আসনে পার্শ্ববর্তী মুন্সীগঞ্জ-২ আসনের মিজানুর রহমান সিনহাকেও এখানে বিএনপির প্রার্থী করা হতে পারে। সব মিলিয়ে এখানে বিএনপির কোন্দল প্রকট। তবে বিকল্পধারার সঙ্গে বিএনপির ঐক্য হলে আসনটি সাবেক সাংসদ মাহী বি চৌধুরীকে ছেড়ে দিতে হতে পারে। অন্যথা এই আসনে দুটি উপ-নির্বাচনে বিজয়ী মাহী বি চৌধুরী এককভাবে নির্বাচন করবেন। এ আসনে জাতীয় পার্টির প্রার্থী হচ্ছেন দলের কেন্দ্রীয় নেতা ও সাবেক রাষ্ট্রপতি এইচএম এরশাদের আইনজীবীর এডভোকেট শেখ মো. সিরাজুল ইসলাম।

munshigonjElection

মুন্সীগঞ্জ-২ আসন (লৌহজং ও টঙ্গীবাড়ি উপজেলা): বিগত নির্বাচনে এ আসনে বিএনপির প্রার্থী কেন্দ্রীয় কমিটির কোষাধ্যক্ষ ও সাবেক স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী মিজানুর রহমান সিন্হাকে পরাজিত করেন আওয়ামী লীগের সাগুফতা ইয়াসমিন এমিলি (বর্তমান জাতীয় সংসদের হুইপ)। তিনি (সাগুফতা ইয়াসমিন এমিলি) এবারও আওয়ামী লীগের মনোনয়ন প্রত্যাশী। এখানে অন্তর্কলহে পুড়ছে প্রধান দুদল আওয়ামী লীগ ও বিএনপি। কোন্দলের কারণে বিএনপি বেকায়দায়। তার চেয়ে খারাপ অবস্থা আওয়ামী লীগের।

২০০৮ সালের নির্বাচনে আওয়ামী লীগ যতটুকু সংগঠিত ছিল। নানা কারণে সেই অবস্থাও এখন নেই, লেজে গোবরে অবস্থা। কোন্দল-গ্রুপিং আগের চেয়ে বেড়েছে। আগামী নির্বাচনে এর প্রভাব পড়বে মারাত্মকভাবে। এ আসনে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন প্রত্যাশীদের মধ্যে আরও রয়েছেন মাহবুবউদ্দিন আহাম্মেদ বীর বিক্রম (এসপি মাহবুব), জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আলহাজ শেখ লুৎফর রহমান, জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ঢালী মোয়াজ্জেম হোসেন।

বিএনপির সম্ভাব্য প্রার্থী তালিকায় রয়েছেন গেলবারের পরাজিত মিজানুর রহমান সিনহা। এ ছাড়াও পার্শ্ববর্তী মুন্সীগঞ্জ-৩ আসন থেকে নির্বাচন করা গেলবারের বিএনপি প্রার্থী সাবেক তথ্যমন্ত্রী এম শামসুল ইসলাম বা তার পুত্র ইঞ্জিনিয়ার মো. সাইফুল ইসলামও সম্ভাব্য প্রার্থী।

বিকল্পধারার সঙ্গে বিএনপির ঐক্য হলে এ আসনে বিএনপি জোট থেকে সাবেক রাষ্ট্রপতি অধ্যাপক একিউএম বদরুদ্দোজা চৌধুরীও নির্বাচন করতে পারেন। জাতীয় পার্টির সম্ভাব্য প্রার্থী জেলা কমিটির সাধারণ সম্পাদক কুতুবউদ্দিন আহমেদ। তবে জাতীয় পার্টির সময়কার সংসদ সদস্য ও জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান জামাল হোসেনও প্রার্থী তালিকায় রয়েছেন। সমীকরণ যাই থাকুক কোন্দল মেটাতে পারলে আওয়ামী লীগ আসনটি ধরে রাখতে পারবে। অন্যদিকে আসনটি পুনরুদ্ধারে এখানে বিএনপি এবার মরিয়া।

মুন্সীগঞ্জ-৩ (মুন্সীগঞ্জ সদর ও গজারিয়া উপজেলা): নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও সাবেক তথ্যমন্ত্রী এম. শামসুল ইসলামকে পরাজিত করেন সাবেক প্রতিরক্ষা সচিব আওয়ামী লীগের এম ইদ্রিস আলী। তিনি মহাজোটের প্রার্থী না হয়েও নৌকা প্রতীক নিয়ে বিদ্রোহী প্রার্থী হয়ে এই হেভিওয়েট প্রার্থীকে ধরাশায়ী করেন। প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি এম ইদ্রিস আলী এবারও সম্ভাব্য প্রার্থী। যুগযুগ ধরে রাজনৈতিক সহিংসতার শিকার সদর উপজেলার চরাঞ্চলের ৫টি ইউনিয়নে উভয় দলের শান্তিপূর্ণ সহঅবস্থান রাখাসহ পেশীশক্তিকে প্রশ্রয় না দিয়ে প্রশংসা পেয়েছেন এম ইদ্রিস আলী। তবে নির্বাচনী এলাকায় অপেক্ষাকৃত পদচারণা কম ও আশানুরূপ উন্নয়ন কর্মকা- পরিচানায় তার ওপর ভোটারদের ক্ষোভও রয়েছে। ওয়ান ইলেভেনে এক নারী উপদেষ্টার রোষানলের শিকার হয়ে প্রথম ৫০ জনের তালিকায় থাকা জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সাবেক সংসদ সদস্য বঙ্গবন্ধুর সহচর আলহাজ মোঃ মহিউদ্দিন গেল নির্বাচনে অংশ নিতে পারেননি। ২০০১ সালের জাতীয় নির্বাচনে তাকে রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন ও একুশে টেলিভিশন একযোগে বিজয়ী ঘোষণার পরও জয় ছিনিয়ে নেয়া হয়। জেলা নির্বাচন অফিস ও কন্ট্রোল রুম ফল টাঙ্গিয়ে দেয়া এবং নির্বাচন কমিশনে প্রেরণের পরও তৎকালীন জেলা প্রশাসক ব্যারিস্টার মুহম্মদ হায়দার আলী (বর্তমানে বিএনপির নেতা) সংশ্লিষ্ট প্রিজাইডিং অফিসারদের গভীর রাতে ডেকে এনে ভয় দেখিয়ে তা আবার বাতিল লিখিয়ে ৪টির স্থলে মোট ৭টি কেন্দ্রের ফল স্থগিত দেখায়। পরে একতরফা পুনর্র্নিবাচন করে এ জয়কে চূড়ান্তভাবে ছিনিয়ে নেয়।

তত্ত্বাবধায়ক সরকারের তৎকালীন প্রধান উপদেষ্টা লতিফুর রহমান গণতন্ত্রকে বিনষ্ট ও কলঙ্কিত করার এটি ছিল দেশ-বিদেশে অন্যতম প্রধান ইস্যু। বর্তমানে আলহাজ মোঃ মহিউদ্দিন মুন্সীগঞ্জ জেলা পরিষদ প্রশাসক। এবারও মনোনয়ন চাইবেন তিনি। এ ছাড়াও আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় উপ-দফতর সম্পাদক মৃনাল কান্তি দাস ব্যাপক গণসংযোগ চালিয়ে যাচ্ছেন। তিনি ১৯৭৯ সালে মুন্সীগঞ্জের ঐতিহাসিক হরগঙ্গা কলেজের ভিপি ছিলেন। ওই সময় স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনে তিনি একাধিকবার কারাবরণ করেন। এলাকার তরুণ সমাজের মধ্যে তার বেশ গ্রহণযোগ্যতা রয়েছে। ভোটাররা মনে করছেন, প্রার্থী পরিবর্তনে এ আসন থেকে ভাল সুফল পেতে পারে আওয়ামী লীগ।

এ ছাড়াও আওয়ামী লীগের মনোনয়ন প্রত্যাশীদের তালিকায় আরও রয়েছেন কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের মহিলা সম্পাদিকা এবং নারী ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি ফজিলাতুন্নেসা ইন্দিরা এমপি এবং আলহাজ মো. মহিউদ্দিনের অনুজ সদর উপজেলা চেয়ারম্যান ও জেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার (সদ্য বিলুপ্ত কমিটি) আনিস-উজ-জামান।

সম্ভাব্য সকল প্রার্থীই ভোটারদের মন জয়ে নিজ নিজ কৌশল অবলম্বন করছেন। কিন্তু এ আসনে ক্ষমতাসীন দলে চতুরমুখী কোন্দল দাউ দাউ করে জ্বলছে। যা বিগত ৭ সেপ্টেম্বর মুন্সীগঞ্জের কর্মিসভায় সংসদের উপনেতা সৈয়দা সাজেদা চৌধুরীর উপস্থিতিতে কিছুটা ফুটে উঠে। এই কোন্দল মেটাতে না পারলে বড় ব্যবধানে আসনটি আওয়ামী লীগের হাতছাড়া হয়ে যেতে পারে।


অন্যদিকে জেলা বিএনপির সভাপতি ও সাবেক উপমন্ত্রী আবদুল হাই বিগত নির্বাচনে ঢাকা-৪ আসন থেকে প্রতিদ্বনিদ্বতা করলেও এবার নিজ এলাকার পুরনো আসন থেকেই নির্বাচনের চূড়ান্ত প্রস্তুতি নিচ্ছেন। তবে এ আসনে গেলবারের বিএনপি প্রার্থী সাবেক তথ্যমন্ত্রী বর্ষীয়ান রাজনীতিক এম শামসুল ইসলাম অথবা তার পুত্র ডিসিসিআইর (ঢাকা চেম্বার অব কমার্স এ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি) সাবেক সভাপতি ও বিএনপির সহযোগী সংগঠন জি-নাইনের (গ্র“প নাইন) সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার মো. সাইফুল ইসলামও মনোনয়ন চাইবেন। এ আসনে বিএনপির মধ্যেও রয়েছে কোন্দল। কোন্দল মেটাতে পারলে এবং সঠিক প্রার্থী নির্বাচন করলে বিএনপির এই আসন ফিরে পাওয়া সহজ হবে।

বিগত নির্বাচনে এ আসনে মহাজোটের টিকেট পাওয়া জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় ভাইস চেয়ারম্যান ও সাবেক পৌর মেয়র এডভোকেট মুজিবুর রহমান এবারও সম্ভাব্য প্রার্থী তালিকায় রয়েছেন। জাতীয় পার্টির জেলার সভাপতি মো. কলিমউল্লাহও মনোনয়ন প্রত্যাশী।

এবিনিউজ