সিরাজদিখানে ত্রিমুখী সংঘর্ষে গুলিবিদ্ধসহ আহত ২০

hartalঢাকা-মাওয়া মহাসড়কের মুন্সীগঞ্জের সিরাজদিখানের কুচিয়ামোড়া এলাকায় বিএনপির সঙ্গে পুলিশ ও আ’লীগ নেতাকর্মীদের ত্রিমুখী সংঘর্ষে গুলিবিদ্ধসহ ২০ জন আহত হয়েছে। মঙ্গলবার সকাল পৌনে ৯টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।

এ সময় বিএনপি কর্মীরা পুলিশকে লক্ষ্য করে ৫টি ককটেল নিক্ষেপ করে এবং একটি যাত্রীবাহী বাস ও ৩টি সিএনজিচালিত অটোরিকশা ভাঙচুর করেছে।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করতে পুলিশ একাধিক রাবার বুলেটের গুলি ছুড়ে ও ১৮ রাউন্ড টিয়ার শেল নিক্ষেপ করেছে বলে জানা গেছে।


জেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুল কুদ্দুস ধীরেন বাংলানিউজকে জানান, হরতালের সমর্থনে বিএনপি নেতাকর্মীরা শান্তিপূর্ণ মিছিল বের করলে পুলিশ ও আ’লীগের নেতাকর্মীরা চারদিক থেকে ঘেরাও করে বিএনপি নেতাকর্মীদের ওপর হামলা চালায়।

এ সময় পুলিশ রাবার বুলেটের গুলি ছুড়ে এবং টিয়ার শেল নিক্ষেপ করে। এতে কেন্দ্রীয় যুবদল নেতা সোহেল গুলিবিদ্ধসহ বিএনপি কর্মী দিলদার, সোহেল, জাহাঙ্গির, জাহিদসহ ২০ জন আহত হয়েছে।

বিএনপির শান্তিপূর্ণ মিছিলে পুলিশ ও আ’লীগ নেতাকর্মীদের অর্তকিত হামলার ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন জেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুল কুদ্দুস ধীরেন।

সিরাজদিখান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবুল বাসার বাংলানিউজকে জানান, বিএনপির নেতাকর্মীরা হরতালের সমর্থনে মিছিল বের করে ঢাকা-মাওয়া মহাসড়কের কুচিয়ামোড়া ধলেশ্বরী সেতু-১ এর ওপরে গিয়ে একটি যাত্রীবাহী বাস ও ৩টি সিএনজিচালিত অটোরিকশা ভাঙচুর করে।

এছাড়া বেশ কয়েকটি ককটেল বিস্ফোরণ ঘটিয়ে মহাসড়কের আতঙ্ক সৃষ্টি করে যানবাহন চলাচল বন্ধ করে দেয়। এ সময় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এগিয়ে গেলে পুলিশকে লক্ষ্য করে ককটেল নিক্ষেপ করে বিএনপি নেতাকর্মীরা।

এ সময় পুলিশের সঙ্গে বিএনপি নেতাকর্মীদের ধাওয়া পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে ১৮ রাউন্ড টিয়ারসেল নিক্ষেপ করে বিএনপি নেতাকর্মীদের ছত্রভঙ্গ করে দেওয়া হয়।

বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর