শ্রীনগরে ত্রিমুখী সংঘর্ষে গুলিবিদ্ধ সহ আহত ২৫: গ্রেপ্তার ১

srinagarHartal5aআরিফ হোসেন: দেশব্যাপী হরতালের দ্বিতীয় দিনে শ্রীনগরে বিএনপির সাথে আওয়ামী লীগ ও পুলিশের ত্রিমুখী সংঘর্ষে গুলিবিদ্ধ সহ অন্তত ২৫ জন আহত হয়েছে। মঙ্গলবার সকাল সাড়ে আটটার দিকে উপজেলা বিএনপির সহস্রাধিক নেতা কর্মী মিছিল নিয়ে ছনবাড়ী এলাকায় ঢাকা-মাওয়া মহাসড়কের দখল নিতে গেলে পুলিশ বাধা দেয়। পেছন দিক থেকে আওয়ামী লীগ কর্মীরা এগিয়ে আসলে ত্রিমুখী সংঘর্ষ বেঁধে যায়।


এসময় বিএনপি কর্মীরা পুলিশকে লক্ষ্য করে ইটপাটকেল নিক্ষেপ করে। পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনতে ৬ রাউন্ড টিয়ারশেল ও ৩৯ রাউন্ড শটগানের ফাকা গুলি ছোড়ে। এতে উপজেলা যুবদলের সভাপতি জয়নাল আবেদীন জেমস গুলিবিদ্ধ হয়।
srinagarHartal5a

srinagarHartal5b
এছাড়া উপজেলা বিএনপির সভাপতি আলহাজ্ব মমিন আলী, সাধারণ সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন, যুবদল নেতা আলমগীর হোসেন, দ্বীন ইসলাম, শামীম সহ ২৫ জন আহত হয়। অপরদিকে শ্রীনগর থানার অফিসার ইনচার্জ মাহবুবুর রহমান জানান পিকেটারদের পেট্রোল বোমার আঘাতে মনিরুজ্জামান নামে পুলিশের এক কনষ্টেবল আহত হয়েছে।

এ ঘটনায় রাঢ়িখাল ইউনিয়নের যুবদলের সহ সম্পাদক আবুল কালামকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

==============

শ্রীনগরে ত্রিমুখী সংঘর্ষে গুলিবিদ্ধসহ আহত ৫০

বিএনপির ডাকা ৬০ ঘণ্টার হরতালের দ্বিতীয় দিনে বিএনপির নেতাকর্মী ঢাকা-মাওয়া মহাসড়কে অবস্থানের চেষ্টা চালালে বিএনপির সঙ্গে পুলিশ ও আ’লীগের ত্রিমুখী সংঘর্ষে গুলিবিদ্ধসহ ৫০ নেতাকর্মী আহত হয়েছে।

মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ৮টার দিকে মুন্সীগঞ্জের শ্রীনগরের ছনবাড়ি চৌরাস্তা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

আহতদের মধ্যে উপজেলা বিএনপির সভাপতি মমিন আলী, সাধারণ সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন, যুবদল সাধারণ সম্পাদক জয়নাল আবেদীন জেমস, উপজেলা জাসাসের সভাপতি জাকির হোসেন, বিএনপি কর্মী দীন ইসলাম, নুরুল ইসলাম পার্থ, আব্দুল মতিন, শামিমের নাম জানা গেছে।

এছাড়া অপর আহত বিএনপি নেতাকর্মীদের স্থানীয় হাসপাতাল ও ক্লিনিকে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছেন উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন।

স্থানীয় একাধিক সূত্র জানায়, শ্রীনগর উপজেলা বিএনপির সভাপতি মমিন আলীসহ বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীরা ঢাকা-মাওয়া মহাসড়কে অবস্থান নেওয়ার জন্য মিছিল নিয়ে যাচ্ছিল। মিছিলটি মহাসড়কের ছনবাড়ি এলাকায় পৌঁছলে পুলিশ বাধা দিলে ধস্তাধস্তির এক পর্যায়ে সংঘর্ষ বেধে যায়।

এ সময় পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ৪ রাউন্ড টিয়ার শেল নিক্ষেপ ও ৩৯ রাউন্ড শটগানের ফাকা গুলি ছোড়ে। এ সময় বিএনপি নেতাকর্মীরাও পুলিশকে লক্ষ্য করে ইটপাটকেল নিক্ষেপ করে। উভয় পক্ষের মধ্যে ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া শুরু হয়। এরফলে ঢাকা-মাওয়া মহাসড়কের ছনবাড়ি ও আশপাশ এলাকা রনক্ষেত্রে পরিণত হয়।

শ্রীনগর উপজেলা বিএনপির সভপাতি মমিন আলী বাংলানিউজকে জানান, বিএনপির ৪ থেকে ৫ হাজার নেতাকর্মী নিয়ে হরতালের সমর্থনে শান্তিপূর্ণ মিছিল নিয়ে ঢাকা-মাওয়া মহাসড়কের ছনবাড়ি এলাকায় গেলে পুলিশ অর্তকিত টিয়ার শেল নিক্ষেপ ও গুলি ছোড়ে। এতে গুলিবিদ্ধসহ দলের অনেক নেতাকর্মী আহত হয়েছে।

তিনি আরও জানান, পুলিশের সঙ্গে একত্রিত হয়ে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরাও বিএনপির নেতাকমীদের ওপর হামলা চালিয়েছে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, বিএনপি নেতাকর্মীদের সঙ্গে পুলিশ-আ’লীগ নেতাকর্মীদের দফায় দফায় ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া ও সংঘর্ষে ঢাকা-মাওয়া মহাসড়কের ছনবাড়ি ও আশপাশ এলাকা রনক্ষেত্রে পরিণত হয়। আতঙ্কে পথচারীরা দিকবিদিক ছোটাছুটি করে।

শ্রীনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ মাহবুবুর রহমান জানান, বিএনপি নেতাকর্মীদের ইটপাটকেলের আঘাতে এক পুলিশ কনস্টেবল আহত হয়েছে। সংঘর্ষ চলাকালে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করতে ৪ রাউন্ড টিয়ার শেল ও ৩৯ রাউন্ড শটগানের ফাকা গুলি ছোড়া হয়েছে।

তিনি আরও জানান, বর্তমানে শ্রীনগরের ছনবাড়ি ও আশপাশ এলাকায় উত্তপ্ত পরিস্থিতি বিরাজ করায় সেখানে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা চলছে।

বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর
=============

শ্রীনগরে সংঘর্ষে আহত ৫০

বিরোধী দলের ৬০ ঘণ্টার হরতালের দ্বিতীয়দিনে ঢাকা-মাওয়া মহাসড়কে বিএনপির সঙ্গে পুলিশ ও আ’লীগের ত্রিমুখী সংঘর্ষে গুলিবিদ্ধসহ ৫০ নেতাকর্মী আহত হয়েছেন।

আজ মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ৮টার দিকে মুন্সীগঞ্জের শ্রীনগরের ছনবাড়ি চৌরাস্তা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

আহতদের মধ্যে উপজেলা বিএনপির সভাপতি মমিন আলী, সাধারণ সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন, যুবদল সাধারণ সম্পাদক জয়নাল আবেদীন জেমস, উপজেলা জাসাসের সভাপতি জাকির হোসেন, বিএনপিকর্মী দীন ইসলাম, নুরুল ইসলাম পার্থ, আব্দুল মতিন, শামিমের নাম জানা গেছে।

এছাড়া অন্যান্য আহত বিএনপি নেতাকর্মীদের স্থানীয় হাসপাতাল ও ক্লিনিকে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে। এ কথা জানিয়েছেন উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন।

সূত্র জানায়, শ্রীনগর উপজেলা বিএনপির সভাপতি মমিন আলীসহ বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীরা ঢাকা-মাওয়া মহাসড়কে অবস্থান নিতে মিছিল নিয়ে যাচ্ছিল। মিছিলটি মহাসড়কের ছনবাড়ি এলাকায় পৌঁছলে পুলিশ বাধা দেয়। এসময় ধস্তাধস্তির একপর্যায়ে সংঘর্ষ বেধে যায়।

পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে ৪ রাউন্ড টিয়ারশেল নিক্ষেপ ও ৩৯ রাউন্ড শটগানের ফাঁকা গুলি ছোড়ে। বিএনপি নেতাকর্মীরাও পুলিশকে লক্ষ্য করে ইটপাটকেল নিক্ষেপ করে।

পক্ষের ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া শুরু হলে ঢাকা-মাওয়া মহাসড়কের ছনবাড়ি ও আশপাশ এলাকা রনক্ষেত্রে পরিণত হয়।

শ্রীনগর উপজেলা বিএনপির সভাপতি মমিন আলী জানান, ৪ থেকে ৫ হাজার নেতাকর্মী নিয়ে হরতালের সমর্থনে শান্তিপূর্ণ মিছিল নিয়ে ঢাকা-মাওয়া মহাসড়কের ছনবাড়ি এলাকায় গেলে পুলিশ বিএনপি মিছিলের ওপর অর্তকিত টিয়ারশেল নিক্ষেপ ও গুলি ছোড়ে। এতে নেতাকর্মীরা আহত হন।

এসময় পুলিশের সঙ্গে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা যোগ দিয়ে বিএনপির নেতাকর্মীদের ওপর হামলা চালিয়েছে।


শ্রীনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ মাহবুবুর রহমান জানান, বিএনপি নেতাকর্মীদের ইট-পাটকেল নিক্ষেপে এক পুলিশ কনস্টেবল আহত হয়েছে।

সংঘর্ষ চলাকালে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে ৪ রাউন্ড টিয়ারশেল ও ৩৯ রাউন্ড শটগানের ফাঁকা গুলি ছোড়া হয়েছে। সেখানে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করছে পুলিশ।

এমটিনিউজ২৪
=========

মুন্সীগঞ্জের আওয়ামী লীগ, বিএনপি ও পুলিশের সংর্ঘষঃ ১০ জন গুলি বিদ্ধসহ আহত ৫৩

বিএনপির নেতৃত্বাধীন ১৮ দলের ডাকা টানা ৬০ ঘন্টার হরতালের দ্বিতীয় দিনে মঙ্গলবার মুন্সীগঞ্জে বিএনপি,আওয়ামী লীগ ও পুলিশের তৃমুখী সংঘর্ষের মধ্যদিয়ে পালিত হচ্ছে।

সকাল সাড়ে ৯টায় ঢাকা-মাওয়া মহাসড়কের শ্রীনগর উপজেলার ছনবাড়িতে বিএনপি, আওয়ামী লীগ ও পুলিশের তৃমুখী সংঘর্ষ হয়। এ সময় পুলিশ কয়েক রাউন্ড রাবার বুলেট ও টিয়ার গ্যাস নিক্ষেপ করে। এতে ১০ জন গুলিবিদ্ধসহ প্রায় অর্ধশত ব্যক্তি আহত হয় । সংঘর্ষ চলাকালে হরতাল কারীদের ব্যাপক ভাংচুর, আগুন, ককটেল ও ইট-পাটকেল নিক্ষেপে ঢাকা-শ্রীনগর-দোহার সড়ক রনক্ষেত্রে পরিণত হয়।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো জাকির হোসেন মজুমদার বলেন ,সকালে শ্রীনগর বাজার থেকে দেড়-দুই হাজার পিকেটার মিছিল নিয়ে মহাসড়কের উঠতে চাইলে নাশকতা এড়াতে পুলিশ বাধা দেয়। এ সময় পিকেটাররা কয়েকটি ককটেল বিস্ফোরণ ঘটিয়ে উত্তেজনা সৃষ্টি করে। তারা শ্রীনগর বাজারে গিয়ে ভাংচুর করে। পুলিশ তাদের ছত্রভঙ্গ করে দেয়। পরে আবার বিএনপির একটি বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে ঢাকা-মাওয়া মহসড়কের ছনবাড়ি চৌরাস্তা পয়েন্ট অবরোধের চেষ্টা করলে বিপরীত দিক থেকে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা বাধা দেয়। এ সময় উভয় গ্রুপের মধ্যে সঘংর্ষ ছড়িয়ে পড়ে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে এ সময় পুলিশ কয়েক রাউন্ড রাবার বুলেট ও টিয়ারগ্যাস নিক্ষেপ করে। তবে তিনি গুলি লাগার বিষটি অবগত নন বলে জানান। তিনি আরও বলেন জেলার সকল গুরুত্বপূর্ণ স্থানে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

এছাড়া সকালে ঢাকা মাওয়া মহাসড়কের সিরাজদিখান উপজেলার কুচিয়ামোড়ায় ছাত্রদল ও পুলিশে সংঘর্ষে ৩ জন আহত হয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে পুলিশ ১৮ রাউন্ড রাবার বুলেট ও টিয়ারসেল নিক্ষেপ করেন। সিরাজদিখান থানার ওসি আবুল বাশার জানান, মিছিলকারীরা মহাসড়কের কুচিয়া মোড়া পয়েন্টে এসে পুলিশকে লক্ষ করে বোমা নিক্ষেপ করে। এ সময় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে এবং আতœরক্ষায়পুলিশ ১৮ রাউন্ড রাবার বুলেট ও টিয়ারসেল নিক্ষেপ করেন। বর্তমানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে রয়েছে।

এছাড়া দূর পাল্লার যানবাহন চলাচল বন্ধ রয়েছে। ঢাকা-চট্রগ্রাম ও ঢাকা মাওয়া মহাসড়কে যান চলাচল ছিল সীমিত। লঞ্চ চলাচল করেছে স্বাভবিক। অভ্যন্তরীন সড়কে ছোট ছোট যানবাহন চলাচল করছে। জেলার অন্য কোন জায়গায় এ পর্যন্ত নাশকতার আর কোন খবর পাওয়া যায়নি।

বাংলাপোষ্ট২৪