হাতিমারা পুলিশের এসআই য়ের কোটি টাকা হাতিয়ে নেবার অভিযোগ

Policeমুন্সীগঞ্জ সদর থানার আওতাধিন হাতিমারা পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ (এসআই) আবু তাহের আশপাশের এলাকার সাধারণ মানুষকে বিভিন্ন মামলায় ফাঁসিয়ে দিয়ে জিম্মি করে কোটি টাকা হাতিয়ে নেয়ার অভিযোগ উঠেছে। জেলার আইনশৃংঙ্খলার মাসিক মিটিংয়ে মাদক ও সন্ত্রাসীদের উপর বিশেষ নজর রাখার জন্য পুলিশকে নির্দেশ দেয়া হয়েছে। সে নির্দেশের বরাত দিয়ে ওই দারোগা-বাবু আবু তাহের নিরীহ মানুষকে ধরে ধরে ইয়াবা মামলায় চালান করে দিচ্ছে। তবে যারা তার কথা মতো মোটা অঙ্কের টাকা দিতে পারছে তাদের শুধু তার হাত থেকে মামলা নিস্কৃতি মেলে।


এসআই আবু তাহেরের এ গ্রেপ্তার বাণিজ্যের কারনে মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত ও স্থানীয় শীর্ষ সন্ত্রাসীরা তাকে মোটা অঙ্কের টাকার বিনিময়ে মাদক ব্যবসা চালিয়ে যেতে পারছে। যেসব যুবক কোন প্রকার নেশার সাথে জড়িত না এমন যুবকদের পর্যন্ত অভিযুক্ত ওই দারোগা ফাঁড়িতে ধরে নিয়ে লক্ষাধিক টাকা হাতিয়ে নিচ্ছেন। হাতিমারা পুলিশ-ফাঁড়ির আওতায় মাদকের অনেক স্পট রয়েছে। এসব স্পটে থাকা মূল মাদক বিক্রেতা ও সন্ত্রাসীরা ওই এসআই আবু তাহেরকে মাসোহারা দিয়ে মাদক ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে নির্বিঘেœ। যারা মাদক সেবন না করে এমনকি বিক্রিও করে না তারা কেন পুলিশকে টাকা দিবে? এমনটাই প্রশ্ন ভুক্তভুগি সাধারণ মানুষদের। কেও মুখ খুললে তাকে পূণরায় গ্রেপ্তার করা হবে বলে ভয়-ভিতি প্রদর্শন করে ভুক্তভুগিদের মুখ বন্ধ করে রাখে পুলিশের ওই কর্মকর্তা। সরজমিনে অনুসন্ধান করে বেরিয়ে এসেছে এস.আই আবু তাহেরের বিরুদ্ধে লোমহর্ষক এসব তথ্য-কাহিনী।

বিগত দিনে স্থানীয় ও জাতীয় দৈনিকে একাধিক পত্রিকান্তরে অভিযুক্ত ওই দারোগা আবু তাহেরের বিরুদ্ধে প্রতিবেদন প্রকাশ করা হলেও জেলা পুলিশ সুপার মো. হাবিবুর রহমান কোন ব্যবস্থা গ্রহণ করেননি। একারনে সে কাওকে তোয়াক্কা না করে নির্বিঘেœ এসব অপকর্ম করে যাচ্ছে।
গেপ্তারকৃত ভূর্ক্তভোগীরা জানায়, আবু তাহেরের কাছে সব সময় ইয়াবা থাকে। উঠতি বয়সের কোন ছেলেকে দেখলে থামিয়ে ইয়াবা পকেটে ঢুকিয়ে দেয়। তার পর নিয়ে যায় হাতিমারা পুলিশ-ফাঁড়িতে। সেখানে চলে মোটা টাকার দাবী। দিতে পরলেই শুধু নিস্কৃতি মেলে। তাছাড়া প্রকৃত ইয়াবা ব্যবসায়ীদের বিপুল পরিমাণ ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার করেও মোটা টাকার বিনিময়ে ছেড়ে দেয়া হয়। সেই ইয়াবা বিক্রি করেন এবং কিছু রেখে দেয় নিরীহ মানুষেকে হয়রানি করতে তার কাছে। যে পুলিশ কর্মকর্তা এলাকার মানুষের জানমাল রক্ষার্থে এগিয়ে আসবে তা না করে এখন অবৈধ বাণিজ্য করতে যেয়ে এলাকার আইনশৃঙ্খলার ব্যাপক অবনতি ঘটাচ্ছে। দালাল পাড়া হাতিমাড়া পুলিশ ফাঁড়ির নিকটবর্তী হলেও পুলিশ নিস্কৃয় থাকায় ডাকাতির মতো ঘটনাও ঘটছে হরহামেসা। তাই সাধারণ মানুষের ক্ষোভ এখন ভয়াবহ আকার ধারণ করছে। তাদের কথা হলো এস.আই আবু তাহের কি এভাবেই মানুষকে হয়রানি করবে। তাকে রোধ করার মতো কেউ কি নেই। এ প্রতিবেদন তৈরী করার সময় যাদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে তাদের আশপাশে সরজমিন তদন্ত করে দেখা গেছে নির্দোষ মানুষদেরই এস.আই আবু তাহের ফাঁসিয়ে দেয়ার অভিযোগ স্পষ্ট হয়েছে।


এ প্রসঙ্গে পুলিশ সুপার মো. হাবিবুর রহমান বলেন, অভিযুক্ত পুলিশের এস.আই আবু তাহেরের বিরুদ্ধে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় শাস্তির ব্যবস্থা করা হবে। আইন সবার জন্য সমান। আইনের নাম ভাঙ্গিয়ে অনৈতিক কাজ করার কোন অবকাশ নেই। সে যেই হোক না কেন।

এবিনিউজ

One Response

Write a Comment»
  1. When & how long? If this accusation is true against him. Please do not published the same news, which you did before. All of us like to see whether action applied or not from the police super.