জেলা বিএনপির সম্পাদকসহ ৫২জনকে আসামি করে মামলা

politicগ্রেপ্তার আতঙ্কে বিএনপি শূণ্য সিরাজদিখান
বিএনপি শুন্য হয়ে পড়েছে মুন্সীগঞ্জের সিরাজদিখান। সর্বত্রই বিরাজ করছে গ্রেপ্তার আতঙ্ক। অজুহাত দেখিয়ে কর্মসূচি পালন করা থেকে বিরত রয়েছে উপজেলা বিএনপির সভাপতি আব্দুল কুদ্দুস ধীরণ ও সাধারণ সম্পাদক শেখ মো. আব্দুল্লাহ। স্থানীয় আওয়ামী লীগের সঙ্গে সখ্যতা থাকার কারণেই সরকারের শেষ সময়েও তারা বিরোধী আন্দোলনে নামছেন না বলে জেলা বিএনপির শীর্ষ নেতাদের অভিযোগ। আর এসব কারণে দল থেকে জেলা বিএনপি তাদের বহিস্কারও করেছিলো। পরে হাইকমান্ড তাদের বহিস্কারাদেশ প্রত্যাহার করে নিলেও দলীয় কর্মকা- ও বিএনপিসহ ১৮ দলীয় কোন কর্মসূচি তাদের পালন করতে দেখা যাচ্ছে না বলে দলীয় নেতাদের অভিযোগ।

এ অবস্থায় হরতালের প্রখম দিন টঙ্গীবাড়ি উপজেলা এলাকার জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আলী আজগর মল্লিক রিপন, টঙ্গীবাড়ি উপজেলা বিএনপির সভাপতি খান মনিরুল মনি পল্টন, সাধারণ সম্পাদক আমির হোসেন দোলন, টঙ্গীবাড়ি উপজেলা যুবদলের সভাপতি শামীম মোল্লা ও সিরাজদিখান এলাকার জেলা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক ইকবাল হোসেন সম্্রাটের নেতৃত্বে ঢাকা-মাওয়া মহাসড়কের সিরাজদিখানের নিমতলায় হরতাল কর্মসূচি পালন করেন। ওইদিন সকাল সাড়ে ৯টা থেকে বেলা ১১ টা পর্যন্ত দেড়ঘন্টাব্যাপী পুলিশ ও আওয়ামী লীগের সঙ্গে সংঘর্ষ হয়। এ সময় ২পুলিশসহ বিএনপির অন্তত ৩৫ নেতাকর্মী আহত হয়। সংঘর্ষকালে সিরাজদিখান থানার পুলিশ ৮০ রাউন্ড রাবার বুলেট নিক্ষেপ করে।


পরে রোববার রাতে জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আলী আজগর মল্লিক রিপন, সিরাজদিখান উপজেলা বিএনপির সহ-সভাপতি আওলাদ হোসেন চেয়ারম্যান, জেলা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক ইকবাল হোসেন সম্্রাটসহ বিএনপি, যুবদল, ছাত্রদলের ৫২ জন নেতাকর্মীকে এজাহারনামীয় ও আরো শতাধিক কর্মীকে অজ্ঞাত আসামি দেখিয়ে সিরাজদিখান থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলার বাদী হয়েছেন সিরাজদিখান থানার দারোগা মো. আতিয়ার রহমান। এদিকে, রোববার রাত ভর যুবদল নেতা ইকবাল হোসেন সম্্রাটের কেয়াইনস্থ বাড়িসহ অন্যান্য নেতাকর্মীদের বাড়িতে পুলিশ তল্লাশি চালায়।

এদিকে বিএনপির ডাকা হরতালের দ্বিতীয় দিন সোমবার সিরাজদিখানে বিএনপি ও ১৮ দলীয় জোটের কোন নেতা-কর্মীদের মাঠে দেখা যায়নি। নের্তৃত্ব শূণ্য থাকার কারণেই এমনটি হচ্ছে বলে বিএনপি কর্মীরা দাবি করছে। উপজেলা বিএনপির সভাপতি আব্দুল কুদ্দুস ধীরণ অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে রাজনৈতিক কর্মকান্ডে যোগ দিচ্ছেন না আর সাধারণ সম্পাদক শেখ মো. আব্দুল্লাহ ব্যবসায়ী কারনে রয়েছেন দেশের বাইরে। তাই নের্তৃত্ব শূন্যের কারনে বিএনপির আন্দোলন ভাটা পড়েছে বলে বিএনপি নেতাকর্মীরা জানান। এ ব্যাপারে জেলার বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আলী আজগর মল্লিক রিপন বলেন-বিএনপির শেষ মুহুর্তের কর্মসূচিতেও তাদের পাওয়া গেল না। কর্মসূচি আসলেই তারা অজুহাত দেখিয়ে লাপাত্তা হয়ে যায়।


ঢাকা নিউজ এজেন্সি
============

হরতালে পুলিশের ওপর হামলা: বিএনপি-জামাতের ১০৬ নেতা কর্মীর বিরুদ্ধে মামলা ॥ গ্রেফতার ৭

হরতালে সহিংসতায় জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদকসহ ১০৬ নেতাকর্মী বিরুদ্ধে মুন্সীগঞ্জের সিরাজদিখান ও গজারিয়া থানায় মামলা হয়েছে। সিরাজদিখানের নীমতলীর রবিবারের সংঘর্ষ ও পুলিশের উপর হামলার ঘটনায় বিএনপি-জামাতের ৫৬ জনের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাত নামার আসামীর সংখ্যা না দিয়ে ‘আরও অনেকে’ উল্লেখ মামলা হয়েছে।

এতে প্রধান আসামী করা হয়েছে জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আলী আজগর মল্লিক রিপনকে। এছাড়া গজারিয়া উপজেলার কয়েকটি স্থানে সহিংসতা ও পুলিশের ওপর হামলার ঘটনায় বিএনপির-জমাতের ৬০ জনের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাত ২৫০/৩০০ জনের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে।

এই মামলায় প্রধান আসামী হয়েছেন-যুব দলের সাধারণ সম্পাদক শামসুজ্জোহা চৌধুরী তপনকে।

মামলায় হৃদয়, সায়েম ও কিরণ এবং মুজাহিদুর রহমান ও শেখ বাবুসহ ৭ বিএনপির নেতাকর্মীকে জনকের পুলিশ গ্রেফতার করেছে।

এই তথ্য নিশ্চিত করে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. জাকির হোসেন মজুমদার সোমবার রাতে জানিয়েছেন জেলার সার্বিক অবস্থা এখন শান্ত।

মুন্সীগঞ্জ নিউজ
==========

মুন্সীগঞ্জে বিএনপির ৩৫০ নেতাকর্মীর নামে মামলা

১৮ দলীয় জোটের ডাকা টানা ৬০ ঘণ্টা হরতালের প্রথম দিনে (রোববার) সহিংস ঘটনায় মুন্সীগঞ্জের সিরাজদিখানে ও গজারিয়ায় পৃথক মামলা দায়ের করা হয়েছে।

রোববার দিনগত মধ্যরাতে সিরাজদিখান থানার উপ পরিদর্শক (এসআই) আতিয়ার রহমান ও গজারিয়া থানার উপ পরিদর্শক মিন্টু মোল্লা মামলা দু’টি দায়ের করে।

মামলায় জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও গজারিয়ায় উপজেলা যুবদলের সাধারণ সম্পাদককে প্রধানসহ আরও সাড়ে ৩ শতাধিক নেতাকর্মীকে আসামি করা হয়েছে।

এদিকে, মামলা দায়েরের পর সোমবার বিভিন্ন স্থান থেকে সিরাজদিখান থানা পুলিশ উপজেলা বিএনপির ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক মুজাহিদুর রহমান, কেয়াইন ইউনিয়ন যুবদলের সাধারণ সম্পাদক শেখ বাবুসহ চার বিএনপি নেতাকর্মীকে গ্রেফতার করেছে।

অন্যদিকে, গজারিয়া উপজেলার গোয়াল গাঁওগ্রাম এলাকা থেকে হৃদয়, সায়েম ও কিরন নামের বিএনপির তিন কর্মীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

সিরাজদিখান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আবুল বাসার বাংলানিউজকে জানান, রোববার হরতালের প্রথম দিন নিমতলা এলাকায় সহিংস ঘটনায় জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আলী আজগর রিপন মল্লিককে প্রধান করে বিএনপি-জামায়াতের ১৫০ নেতাকর্মীকে আসামি করা হয়েছে। সোমবার বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে বিএনপির চার নেতাকর্মীকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

অপরদিকে, গজারিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মামুন উর রশিদ জানান, গজারিয়ার কয়েকটি এলাকায় সহিংস ঘটনায় যুবদলের সাধারণ সম্পাদক শামসুজ্জৌহা চৌধুরী তপনকে প্রধানসহ ৬০ জনের নাম উল্লেখ করে বিএনপি-জামায়াতের অজ্ঞাত আরও দুই শতাধিক নেতাকর্মীকে আসামি করা হয়েছে। এ মামলায় বিএনপির তিন কর্মীকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর
==============

মুন্সীগঞ্জে বিএনপি-জামায়াতের ৪ শতাধিক নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে মামলা

১৮ দলের হরতালের প্রথম দিনের সহিংসতার ঘটনায় মুন্সীগঞ্জের গজারিয়া ও সিরাজদীখান থানায় বিএনপি ও জামায়াতের ৪ শতাধিক নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে পৃথক ২ টি মামলা দায়ের করা হয়েছে। জেলার গজারিয়া থানার উপ-পরিদর্শক মিন্টু মোল্লা বাদী হয়ে রোববার দিবাগত মধ্য রাতে গজারিয়া যুবদলের সাধারন সম্পাদক শামসুজ্জৌহা চৌধুরী তপনকে প্রধান আসামী করে ৬০ জনের নাম উল্লেখসহ বিএনপি-জামায়াতের আরো অজ্ঞাত ২’শ নেতাকর্মীকে আসামী করে ১ টি মামলা দায়ের করা হয়েছে।

এদিকে, জেলার সিরাজদীখান থানার উপ-পরিদর্শক সহিংসতায় আহত আতিয়ার রহমান বাদী হয়ে জেলা বিএনপির সাধারন সম্পাদক আলী আজগর রিপন মল্লিককে প্রধান আসামী করে বিএনপি-জামায়াতের দেড়’শ নেতার্কীর বিরুদ্ধে অপর একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।

ওয়ান নিউজ