শুভ জন্মদিন, মি. চৌধুরী

bc111শুক্রবার ৮২ বছরে পা রাখছেন বিকল্পধারার প্রেসিডেন্ট ও সাবেক রাষ্ট্রপতি অধ্যাপক এ কিউ এম বদরুদ্দোজা চৌধুরী। ১৯৩২ সালের ১১ অক্টোবর তিনি কুমিল্লায় নানা বাড়িতে জন্মগ্রহণ করেন।

এ উপলক্ষে বি চৌধুরীর বারিধারার বাসভবনে আলোচনাসভা ও জন্মদিনের অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। এতে পরিবারের সদস্যরা ছাড়াও রাজনৈতিক নেতারা উপস্থিত থাকবেন। বিকেলে চারটায় অনুষ্ঠানটি শুরু হবে।

বি চৌধুরী জিয়াউর রহমানের শাসনামলে উপ-প্রধানমন্ত্রী ছিলেন। ২০০১ সালে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বি এন পি) ক্ষমতায় আসার পর তিনি পররাষ্ট্রমন্ত্রী হন। এর কিছুদিন পর ২০০১ সালের নভেম্বর মাসে তিনি বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন। তিনি একজন স্বনামধন্য চিকিৎসক। এছাড়া তিনি একজন লেখক, প্রাবন্ধিক, নাট্যকার, উপস্থাপক এবং সুবক্তা। ২০০২ সালে সৃষ্ট এক বিতর্কিত ঘটনার জের ধরে তিনি রাষ্ট্রপতি পদ থেকে পদত্যাগ করতে বাধ্য হন ও পরবর্তীকালে আরেকটি রাজনৈতিক দল বিকল্পধারা বাংলাদেশ গঠন করেন।
bc111
ড. চৌধুরী ব্যক্তিগত জীবনে হাসিনা ওয়ারদা চৌধুরীর সাথে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ। তিনি এক পুত্র ও দুই কন্যা সন্তানের জনক।তার পুত্র মাহি বি চৌধুরী তরুন রাজনৈতিক ও টিভি ব্যক্তিত্ব। জনাব চৌধুরী রাজনীতি ও সমাজ উন্নয়নে অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ তিনি দেশের সর্ব-উচ্চ বেসামরিক পদক স্বাধীনতা পদক লাভ করেন। শ্রেষ্ঠ টি ভি উপস্থাপক হিসেবে তিনি ১৯৭৭ সালে বাংলাদেশ টেলিভিশন পুরস্কার ও লাভ করেন।

পরিবর্তন

=================

৮৩ বছরে পা রাখলেন বি. চৌধুরী

bcসাবেক রাষ্ট্রপতি অধ্যাপক এ.কিউ.এম বদরুদ্দোজা চৌধুরী ৮৩ বছরে পা রাখলেন। আজ তার জন্মদিন। ১৯৩২ সালের এই দিনে তিনি কুমিল্লা শহরের বিখ্যাত ‘মুন্সেফ বাড়িতে মাতুলালয়ে জন্মগ্রহণ করেন। মুন্সীগঞ্জের শ্রীনগর থানার মজিদপুর দয়হাটা গ্রামে তার পৈত্রিক বাড়ি।বি. চৌধুরীর পিতা অ্যাডভোকেট কফিল উদ্দিন চৌধুরী কৃষক প্রজা পার্টির সহ-সভাপতি, যুক্তফ্রন্টের সাধারণ সম্পাদক ও প্রাদেশিক মন্ত্রিসভার সদস্য ছিলেন।

বদরুদ্দোজা চৌধুরী একজন কৃতি ছাত্র। তিনি ১৯৪৭ সালে ঢাকার বিখ্যাত সেন্ট গ্রেগরি স্কুল থেকে ম্যাট্রিকুলেশন পরীক্ষায় মেধা তালিকায় দ্বিতীয় স্থান এবং ১৯৪৯ সালে ঢাকা কলেজ থেকে প্রথম বিভাগে আইএসসি পাস করেন। ১৯৫৪-৫৫ সালে ঢাকা মেডিকেল কলেজ থেকে চিকিৎসা বিজ্ঞানে এমবিবিএস ডিগ্রি লাভ করেন। সব পরীক্ষাতেই মেধা তালিকায় তিনি অন্তর্ভুক্ত ছিলেন।

বি. চৌধুরী যুক্তরাজ্যের তিনটি রয়েল কলেজ অব ফিজিশিয়ানস্ লন্ডন, এডিনবার্গ ও গ্লাসগো থেকে নির্বাচিত ফেলো-এফ.আর.সি.পি এবং বাংলাদেশের (সম্মানিত) এফ.সি.পি.এস। তিনি রোগ বিজ্ঞানে দেশের একজন শীর্ষ অধ্যাপক, বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক এবং টিভি অনুষ্ঠানে রেকর্ড অর্জনকারী উপস্থাপক। সফল পার্লামেন্টেরিয়ান বি. চৌধুরী জাতিসংঘে তিনবার বক্তৃতা দেন। তিনি স্বাধীনতা পুরস্কারপ্রাপ্ত এবং বহু গ্রন্থের প্রণেতা।


বি. চৌধুরী সাবেক রাষ্ট্রপতি মেজর জেনারেল জিয়াউর রহমানের অনুরোধে ১৯৭৮ সালে রাজনীতি শুরু করেন। তিনি বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা মহাসচিব ছিলেন। বি. চৌধুরী মুন্সীগঞ্জের শ্রীনগর থেকে ১৯৭৯ সালে প্রথম জাতীয় সংসদের সদস্য নির্বাচিত হন এবং কেবিনেট মন্ত্রীর দায়িত্ব লাভ করেন। ১৯৯১ সালে তিনি দ্বিতীয়বার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন এবং প্রথমে শিক্ষা মন্ত্রী ও পরে সংসদ উপনেতা নির্বাচিত হন। ১৯৯৬ সালে তিনি সংসদে বিরোধীদলীয় উপনেতার দায়িত্ব পালন করেন।


সর্বশেষ ২০০১ সালে তিনি পুনরায় সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন এবং একই বছরের অক্টোরব থেকে নভেম্বর পর্যন্ত পররাষ্ট্রমন্ত্রী এবং ২০০১ সালের ১৪ নভেম্বর বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হন। তিনি রাজনৈতিক কারণে ২০০২ সালের ২১ জুন রাষ্ট্রপতির পদ থেকে ইস্তফা দেন। বি. চৌধুরী ২০০৪ সালের ৮ মে বিকল্পধারা বাংলাদেশ নামে রাজনৈতিক দল প্রতিষ্ঠা করেন। বর্তমানে তিনি দলটির প্রেসিডেন্টের দায়িত্ব পালন করছেন।

নতুন বার্তা

One Response

Write a Comment»
  1. Sir ke amar salam,ami ajke janlam uni by birth comilla bashi,