আওয়ামীলীগ নেতার পরিবারের সংবাদ সম্মেলন

aaaMunshigonjমুন্সীগঞ্জের লৌহজংয়ে আওয়ামীলীগ নেতা হত্যা মামলার দাখিল করা অভিযোগপত্র প্রত্যাখান করে নারাজির আবেদন করেছে বাদীপক্ষ। এতে আদালত ওই নারাজি আবেদন শুনানীর দিনতারিখ ৪ বার পরিবর্তন করায় ন্যায্য বিচার পাওয়া থেকে বঞ্চিত হওয়ার আশঙ্কায় ভুগছে আ’লীগ নেতার পরিবার। তারা অবিলম্বে দাখিল করা অভিযোগ বাতিল করে মামলাটি সিআইডিতে হস্তান্তরের দাবী জানিয়েছে।

রবিবার দুপুরে মুন্সীগঞ্জ প্রেসক্লাবে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে ন্যায্য বিচার না পাওয়ার আশঙ্কা করেছেন। এ সময় নিহত আ’লীগ নেতার মেয়ে ও মামলার বাদী ওয়াহিদা আক্তার দিয়া অভিযোগ করে বলেন, চলতি বছরের ৩ আগষ্ট আদালতে মামলার তদন্ত কর্মকর্তার দাখিল করা অভিযোগপত্রে মামলার মূল আসামী মোবাইল কাদির, লরেঞ্জ, রহিম বেপারী, আবু সাঈদ, উজ্জল শেখ, ইব্রাহিম, নারিরুল্লা ও লাবুর নাম বাদ দেওয়া হয়। বিষয়টি জানতে পেরে আগষ্ট মাসের ২১ তারিখে আদালতে নারাজি আবেদন করা হয়। কিন্তুু এরপর ৪ বার শুনানীর দিন ধার্য্য করা হলেও রবিবার পর্যন্ত নারাজি আবেদনের কোন শুনানী হয়নি।


মামলার বাদী ওয়াহিদা আক্তার দিয়া অভিযোগ করে বলেন, বর্তমানে হত্যা মামলার মূল আসামীরা স্থানীয় আ’লীগ নেতা আশরাফ হোসেনের শেল্টারে লৌহজংয়ের মাওয়ায় অবস্থান করছে। তারা এখন প্রতিনিয়ত মামলা তুলে নেওয়ার জন্য হুমকি দিয়ে যাচ্ছে। এসব ঘটনায় থানায় জিডি করতে গেলেও লৌহজং থানা পুলিশ তা গ্রহন করছে না।

জানা গেছে, ঢাকার মতিঝিলে কাদির হত্যা মামলায় আদালতে সাক্ষী দেওয়ায় ৯ জনের ফাসিঁ ও ৪ জনের যাবজ্জীবন কারাদন্ডের রায় দেয় আদালত। এরপর থেকেই হত্যাকারীরা ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠে স্বাক্ষী ও আ’লীগ নেতা মোবারক হোসেন খানেঁর উপর। এর জের ধরে ২০১২ সালের ১৮ অক্টোবর রাতে মুন্সীগঞ্জের লৌহজংয়ের কাজীরপাগলা গ্রামের নিজ বাড়ির সামনে সন্ত্রাসীদের গুলিতে নিহত হন আ’লীগ নেতা মোবারক হোসেন খানঁ। এ ঘটনায় নিহতের মেয়ে ওয়াহিদা দিয়া বাদী হয়ে ১০ জনের নাম উল্লেখসহ ১৫ জনকে আসামি করে লৌহজং থানায় হত্যা মামলা রুজু করে। এরপর পুলিশ হান্নান নামের এক ভাড়াটে কিলারকে গ্রেফতার করে। এতে হান্নান ১৬৪ ধারায় জবানবন্দিতে হত্যার পরিকল্পনা ও জড়িতদের নাম তুলে ধরে আদালতে।

ওয়ান নিউজ