ঘুরে দাঁড়াতে পারছে না মুন্সীগঞ্জ আওয়ামী লীগ

aaaMunshigonjমোজাম্মেল হোসেন সজল: ঘুরে দাঁড়াতে পারছে না মুন্সীগঞ্জ আওয়ামী লীগ। পেশিশক্তির কাছে অসহায় হয়ে পড়েছে দলীয় সংসদ সদস্যসহ হাজারো ত্যাগী-পরীক্ষিত নেতাকর্মী। কুক্ষিগত রাজনীতির কারণে ওইসব নেতাকর্মীরা উপেক্ষিত হয়ে দলীয় কর্মকান্ডে ক্রমশ নিরুৎসাহিত হচ্ছেন। কোন্দলে কোন্দলে দলটি এখন বিপর্যস্ত। ক্ষমতা খর্ব হয়ে যাবার আশঙ্কায় বিরোধী শিবিরকে দমিয়ে রাখা হচ্ছে নানা কৌশলে। দলীয় কর্মকান্ডে অংশ গ্রহণ করলেই দলীয় একদল উছশৃঙ্খল কর্মী দিয়ে তাদেরকে অপদস্থ করা হচ্ছে।

সর্বশেষ গত ৭ই সেপ্টেম্বর জেলা শিল্পকলা একাডেমিতে জেলা আওয়ামী লীগের কর্মী সভায় মুন্সীগঞ্জ সদর-৩ আসনের সংসদ সদস্য, প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় সর্ম্পকিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি এম ইদ্রিস আলী ও আওয়ামী লীগ কেন্দ্রীয় কমিটির উপ-দপ্তর সম্পাদক এডভোকেট মৃণাল কান্তি দাসকে অপমান-অপদস্থ করা হয়। জাতীয় সংসদের উপনেতা, আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য সৈয়দা সাজেদা চৌধুরীর উপস্থিতিতেই এসব ঘটনা ঘটনা ঘটে। বক্তব্য শুরুর ২মিনিেিটর মাথায় সংসদ সদস্য এম ইদ্রিস আলীকে বক্তব্য দিতে বাঁধা দেয়া হয়। পরবর্তীতে তোপের মুখে আর বক্তব্য না রেখেই ডায়াস থেকে তিনি তার আসনে ফিরে যান। অনুস্থানে জেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি মোহাম্মদ মহিউদ্দিন ও তার সমর্থকরা এ ঘটনা ঘটায়।

এ অভিযোগ এম ইদ্রিস আলী ও এডভোকেট মৃণাল কান্তি দাস সমর্থকদের। এর আগেও সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের ত্রি-বার্ষিক সম্মেলনে স্থানীয় সংসদ সদস্য এম ইদ্রিস আলীকে অপদস্থ করে সভাস্থল থেকে তাড়িয়ে দেয়া হয় বলে অভিযোগ রয়েছে। এসব কারণে ত্যাগী-পরীক্ষিত, সৎ ও যোগ্য নেতৃত্বের লোকজন দলীয় কর্মকান্ডে আসতে পারছে না বলেও দলীয় বিরোধী শিবিরের নেতাকর্মীদের অভিমত। জেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি মোহাম্মদ মহিউদ্দিনের ইচ্ছানুযায়ী দল চলায় ও বিভিন্ন অযোগ্য লোকদের দলীয় বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে আসীন করায় মুন্সীগঞ্জ আওয়ামী লীগ দিন দিন সাংগঠনিক গতি হারিয়ে ফেলছে বলে রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের ধারণা। দ্বন্দ্বের প্রভাবে তৃণমূলের নেতাকর্মীরাও ঝিমিয়ে পড়ছে। তারা ভাগে ভাগে বিভক্ত হয়ে পড়েছে। এদিকে, জেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি মোহাম্মদ মহিউদ্দিন ১৯৭৮ সাল থেকে দীর্ঘ ৩৫ বছর ধরে মুন্সীগঞ্জ আওয়ামী লীগের একচ্ছত্র অধিপতি বনে আছেন। এর মধ্যে ১৯৭৮ সাল থেকে দুই টার্মে ১০ বছর সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। এরপর ১৯৮৮ সাল থেকে ২৫ বছর ধরে জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি হিসাবে দায়িত্ব পালন করছেন। মাঝখানে ২০০৭ সালে ওয়ান ইলেভেন সরকারের জমানায় ৫০ শীর্ষ দুর্নীতিবাজের তালিকায় তার নাম এলে তিনি আতœগোপনে চলে যান দেশের বাইরে।

এরপর আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় আসার পর দেশে ফিরে ২০০৯ সাালে তিনি আবার ফিরে আসেন রাজনীতিতে। পলাকত থাকার কারণে ২০০৮ সালের নির্বাচনে মুন্সীগঞ্জ সদর ও গজারিয়া উপজেলা নিয়ে গঠিত মুন্সীগঞ্জ-৩ আসনে প্রার্থী হতে পারেননি। বিগত ১৯৭৮, ১৯৯১, ১৯৯৬ ও ২০০১ সালে দলীয় নমিনেশন পেয়ে একবারও দলকে জয়ের মুখ দেখাতে পারেনি। ১৯৮৬ সালে জাতীয় পার্টির জমানায় একবার সংসদ সদস্য হয়েছিলেন। যদিও ওই নির্বাচনে বিএনপি অংশ গ্রহণ করেনি। তবে, ভোটের লড়াইয়ে বাপ-বেটা জয়ের মুখ দেখাতে না পারলে আওয়ামী লীগের পদ দখল করে রেখেছেন দীর্ঘ বছর ধরে। বিভিন্ন উপজেলা, পৌরসভারসহ তৃণমূলের কমিটিতে নিজের পছন্দের লোকদের স্থান করে দিয়েছেন। আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় আসার পর তিনি পেয়েছেন জেলা পরিষদের প্রশাসকের পদটি। এ পদ পাওয়ার জন্য শোনা যাচ্ছে-যাদের আর সংসদ সদস্য পদে দলীয় নমিনেশন দেয়া হবে না তাদের এ পদটি দেয়া হয়েছে।

এদিকে, দীর্ঘ ৩৫ বছর ধরে জেলার শীর্ষ পদে থেকে দলকে সাংগঠনিকভাবে গতিশীল ও শক্তিশালী করতে পারেনি বলে দলীয় একাধিক নেতার অভিযোগ। ২০০৮ সালে জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তার অনুপস্থিতিতে মুন্সীগঞ্জের তিনটি সিটই আওয়ামী লীগ পায়। প্রথমবার নমিনেশন পেয়েই মহিউদ্দিন সমর্থকদের বিরোধীতার পরও মুন্সীগঞ্জ সদর-৩ আসনে পারিবারিক ঐতিহ্যেঘেরা এম ইদ্রিস আলী বিপুল ভোটের ব্যবধানে জয়ী হন। আওয়ামী লীগ নেতা মোহাম্মদ মহিউদ্দিন দীর্ঘ ৩৫ বছর ধরে জেলা আওয়ামী লীগ আঁকরে ধবার পেছনে ছিলেন-সাবেক শিল্পমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য তোফায়েল আহমেদ।

এ সময়ের মধ্যে মুন্সীগঞ্জে ঘটেছে ব্যাপক সহিংসতা ও রক্তপাতের ঘটনা। মুন্সীগঞ্জ মৃত্যু-দ্বৈত্যপূরিতে পরিণত হয়েছিল আওয়ামী লীগের ১৯৯৬’র ক্ষমতার জমানায়। ২০০৬ সালে মুন্সীগঞ্জ পৌরসভার সাবেক চেয়ারম্যান প্রয়াত খালেকুজ্জামান খোকার ছেলে আপন ভাতিজা তাপস হত্যাকে ঘিরে মহিউদ্দিন পরিবারে ফাঁটল দেখা দেয়। এ হত্যার দায়ে মহিউদ্দিনকে জেলে যেতে হয়। তাপন হত্যা মামলার বাদী হন তার আরেক সহোদর মুন্সীগঞ্জ পৌরসভার সাবেক চেয়ারম্যান ও বর্তমানে সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আনিসুজ্জামান আনিস। সে থেকে মহিউদ্দিন পরিবার দু’ভাগে বিভক্ত হয়ে রয়েছেন।

ওদিকে, জেলা আওয়ামী লীগের ৩ বছর মেয়াদী কমিটির বয়স এখন ৯-এ। ২০০৩ সালে জেলা যুবলীগের কমিটি গঠিত হয়েছে। দলীয় কোন কর্মকা-হীন এ কমিটির বয়স দাঁড়িয়েছে ১১-তে। বর্তমানে মুন্সীগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য ও জাতীয় সংসদের হুইপ সাগুফতা ইয়াসমিন এমিলি রয়েছেন মহিউদ্দিনের সঙ্গে। অপর শিবিরে রয়েছেন-মুন্সীগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য এম ইদ্রিস আলী, আওয়ামী লীগ কেন্দ্রীয় কমিটির উপ-দপ্তর সম্পাদক এডভোকেট মৃণাল কান্তি দাস, মহিলা এমপি মমতাজ বেগম ও সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মহিউদ্দিনের ছোট ভাই আনিসুজ্জামান আনিস।

এ বিরোধ সৃষ্টি হওয়ায় কেন্দ্রীয় কমিটির উপ-দপ্তর সম্পাদক মৃণাল কান্তি দাস মুন্সীগঞ্জ আওয়ামী রাজনীতিতে নিজের অবস্থান তৈরি করছেন। জেলার রাজনীতিতেও নিজেকে জড়িয়ে রেখেছেন। আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তিনি জানান দিয়েছেন- মুন্সীগঞ্জ-৩ আসনে দলীয় নমিনেশন চাচ্ছেন। এ লক্ষ্যে বিভিন্ন দিবসে ব্যানার, ফেস্টুন, পোস্টার ও শীতার্ত-দুস্থদের মাঝে কম্বল-নগদ টাকা বিতরণ করছেন।

এদিকে, গত ২০০৮ সালের নির্বাচনে পলাতক থাকায় সদর আসনটি মহিউদ্দিনের হাতছাড়া হয়ে গেলে তার বড় ছেলে ফয়সাল বিপ্লবকে রাজনীতিতে প্রতিষ্টিত করার আপ্রাণ চেষ্টা চালিয়ে ব্যর্থ হন আওয়ামী লীগ নেতা মোহাম্মদ মহিউদ্দিন। ২০০৯ সালের উপজেলা নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে মহিউদ্দিন পুত্র ফয়সাল বিপ্লব তার মেঝ চাচা আনিসুজ্জামান আনিসের সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে বিপুল ভোটের ব্যবধানে পরাজিত হন।
এরপর ২০১১ সালে মুন্সীগঞ্জ পৌরসভার নির্বাচনেও ফয়সাল বিপ্লব মেয়র পদে প্রার্থী হন।

এ নির্বাচনে বর্তমানে জাতীয় পার্টির ভাইস চেয়ারম্যান, বিএনপি থেকে সাবেক মেয়র এডভোকেট মজিবুর রহমানকে নিয়ে সংসদ সদস্য এম ইদ্রিস আলী, মহিলা এমপি মমতাজ বেগম, আনিসুজ্জামান ও মৃণাল কান্তি দাস কোমর বেঁধে মাঠে নামে। এ নির্বাচনে দু’প্রার্থীর ভোট ভাগাভাগি হয়ে পড়লে বিএনপি প্রার্থী একেএম ইরাদত মানু জয়ী হন। মানু ও ফয়সাল বিপ্লবের মধ্যে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই হয়। ভোটের লড়াইয়ে তৃতীয় অবস্থানে ছিলেন- এডভোকেট মজিবুর রহমান। এর আগে ২০১০সালে জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদে কমা-ার পদসহ অন্যান্য পদেও মহিউদ্দিন সমর্থকদের ব্যাপক পরাজয় ঘটে। নির্বাচনে উপজেলা চেয়ারম্যান আনিসুজ্জামান আনিস জেলা কমা-ার নির্বাচিত হন।

একের পর এক পরাজয়ের সেই ব্যদনা মোহাম্মদ মহিউদ্দিন ভেতরে-প্রকাশ্যে ধারণ করে বিরোধী শিবিরকে দাবিয়ে রাখার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন বলে একাধিক নেতার অভিমত। এরপর বিভিন্ন উপজেলা কমিটি গঠন নিয়েও আওয়ামী লীগের বিবদমান দু’গ্রুপর রাজনীতি উত্তপ্ত হয়ে উঠে। কোথাও কোথাও পাল্টা কমিটি গঠন করা হয়। গত বছরের ১৮ই ডিসেম্বর জেলা শিল্পকলা একাডেমিতে সদর উপজেলা সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের ত্রি-বার্ষিক কাউন্সিল নিয়ে স্থানীয় সংসদ সদস্য এম ইদ্রিস আলী ও জেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি মোহাম্মদ মহিউদ্দিন প্রকাশ্যে বিরোধে জড়িয়ে পড়েন।

সম্মেলন স্থল থেকে এম ইদ্রিস আলীকে বের করে দেন মহিউদ্দিন। এ নিয়ে ওই দিন রাত ৯টায় এম ইদ্রিস আলী সিপাহীপাড়াস্থ সুফিয়া প্লাজায় সংবাদ সম্মেলনে তিনি অভিযোগ করে বলেন- মহিউদ্দিন আওয়ামী লীগকে কুক্ষিগত করে রাখতে চায়। মুন্সীগঞ্জের আওয়ামী লীগকে তিনি পেশিশক্তি দিয়ে জিম্মি করে রেখেছেন। সাধারণ মানুষ সন্ত্রাসী কর্মকা-, পেশিশক্তির ব্যবহার চায় না। তাদের আবেদন নষ্ট হতে দেবো না। এখানে আওয়ামী লীগের নামে কি-হচ্ছে, কারা অপকর্ম করে মুন্সীগঞ্জ আওয়ামী লীগকে কলুষিত করছে সে বিষয়ে তিনি প্রধামন্ত্রী শেখ হাসিনার হস্তক্ষেপ কামনা করেন। পরদিন ১৯শে ডিসেম্বর গজারিয়ার ফুলদী নদীর দু’ধারে পৃথক অনুষ্ঠান করে সংসদ সদস্য এম ইদ্রিস আলী ও জেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি মোহাম্মদ মহিউদ্দিন গ্রুপ। এতে উভয় গ্রুপ উপজেলা আওয়ামী লীগের পাল্টাপাল্টি কমিটি গঠন করেন।

এরপর সর্বশেষ গত ৭ই সেপ্টেম্বর জেলা শিল্পকলা একাডেমিতে হৈচৈ, ধাওয়া ও শীর্ষ ২ নেতাকে তোপের মধ্যে রেখে জাতীয় সংসদের উপনেতা সৈয়দা সাজেদা চৌধুরীর উপস্থিতিতে জেলা আওয়ামী লীগের কর্মী সভা সম্পন্ন হয়। অনুষ্ঠানের শুরুতে শিল্পকলা একাডেমি প্রাঙ্গণে জেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি মহিউদ্দিন অনুসারিরা কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের উপ-দপ্তর সম্পাদক এডভোকেট মৃণাল কান্দি দাস সমর্থিতদের ধাওয়া করে হল রুমে প্রবেশ করতে দেয়নি। মুন্সীগঞ্জ সদর-৩ আসনের সংসদ সদস্য ও প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় সর্ম্পকিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি এম ইদ্রিস আলী বক্তব্য রাখার দু’মিনিটের মাথায় মহিউদ্দিন ও তার অনুসারিরা তাকে অপমান-অপদস্থ করে। পরে তাদের তোপের মুখে আর বক্তব্য না রেখে ডায়াসে ফিরে যায় এম ইদ্রিস আলী। ওই সময় তিনি তার বক্তব্যে বলেন, আমার নির্বাচনী এলাকার দু’উপজেলা আওয়ামী লীগের কমিটি গঠন প্রক্রিয়া প্রশ্নবিদ্ধ।

এ বিষয়ে কেন্দ্রে লিখিত অভিযোগ দিয়েছি। আমি সমালোচিত এই জন্যই যে-আমি সন্ত্রাসী, টে-ারবাজ, বালু ডাকাত-বালু খোরদের খবর নেই না। তার এ বক্তব্য চলাকালে মহিউদ্দিন ও তার অনুসারিরা তার উপর ক্ষিপ্ত হয়ে হৈ চৈ শুরু করেন। তিনি আর বক্তব্য দিতে পারেননি। ২মিনিটের মাথায় আওয়ামী লীগ নেতা মহিউদ্দিন তাকে অপদস্থ করে ডায়াস থেকে মঞ্চে ফিরিয়ে নেন। এরপর আওয়ামী লীগ কেন্দ্রীয় কমিটির উপ-দপ্তর সম্পাদক এডভোকেট মৃণাল কান্তি দাস বক্তব্য দিতে ডায়াসে আসা মাত্রই মহিউদ্দিন অনুসারিরা অশালীন মন্তব্য করে তার বিরুদ্ধে বিক্ষোভ শুরু করে। এ সময় এ ঘটনার জন্য মহিউদ্দিন ডায়াসে এসে জেলা আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে ক্ষমা চান। এরপর তার হস্তক্ষেপে তিনি বক্তব্য প্রদান করেন।

এ সময় তিনি বলেন, আমি এমপি ইদ্রিস আলী নই। রাজনীতিতে আমি ভেসে আসিনি। জেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি মোহাম্মদ মহিউদ্দিনকে উদ্দেশ্য করে তিনি বলেন, আপনি এগুলো বন্ধ করেন। এসবে আমি ভীত নই। আগামীতে আমি এ আসনে আমি দলীয় নমিনেশন চাইবো। যারা আমার বিরুদ্ধে বিক্ষোভ প্রদর্শন করলেন-তারা কোথায় কখন বসবেন-আমার বিরুদ্ধে কি অভিযোগ তার জবাব আমি দেবো। এদিকে, মহিউদ্দিন শিবিরের অভিযোগ-স্থানীয় নেতাকর্মীদের সঙ্গে স্থানীয় সংসদ সদস্য এম ইদ্রিস আলীর কোন যোগাযোগ নেই। ইদ্রিস আলী ও মৃণাল কান্তি দাসের কারণে উপজেলা ও পৌরসভা নির্বাচনে মহিউদ্দিন জয়ের মুখ দেখতে পারেনি। পৌরসভা নির্বাচনে বিএনপির প্রার্থীকে জেতাতে তারা একজোট হয়ে এডভোকেট মজিবুর রহমানকে প্রার্থী করায়।

ঢাকা নিউজ এজেন্সি

One Response

Write a Comment»
  1. Mohiuddin and his sons shouldn’t belong to Munshiganj politics. They made enough money during Awami govt last 5 years and they can leave like a king anywhere in the world. They don’t care about the people, all they care about money and cheat people. Because of them Awami league will not win from Munshiganj. I hope someone should give this message to Sheikh Hasina and Hasina should remove him from the party. He is a disease.

    Thanks