সড়ক ও জনপথ কার্যালয় ঘেরাও

বকেয়া টাকা পরিশোধের দাবিতে মুন্সীগঞ্জে সড়ক ও জনপথের কার্যালয় ঘেরাও করেছে মুন্সীগঞ্জ সড়ক বিভাগ ঠিকাদার সমিতি। রোববার সকাল ১০টা থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত অর্ধশতাধিক ঠিকাদার শহরের বোগদাদিয়া প্লাজাস্থ কার্যালয়ের সামনে এ কর্মসূচি পালন করে।

এতে রোববার সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত অবরুদ্ধ অবস্থায় কার্যালয়ের কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা তাদের দৈনন্দিন কাজ-কর্ম করেছেন বলে জানা গেছে।


মুন্সীগঞ্জ জেলা সড়ক বিভাগ ঠিকাদার সমিতির যুগ্ম আহ্বায়ক পাভেল রহমান বাংলানিউজকে জানান, মুন্সীগঞ্জ শহরের সড়ক ও জনপথ কার্যালয় ঘেরাও কর্মসূচি পালন করে ঠিকাদাররা।

তিনি আরও জানান, ঠিকাদারদের বিনিয়োগ করা টাকা সড়ক ও জনপথ কর্তৃপক্ষ পরিশোধ করছে না। এ চিত্র শুধু মুন্সীগঞ্জের নয়, সমগ্র বাংলাদেশের। শিগগিরই পাওনা টাকা পরিশোধ করা না হলে কঠোর আন্দোলনের ডাক দেওয়া হবে বলে জানান তিনি।

ঠিকাদাররা জানান, সড়ক ও জনপথের মুন্সীগঞ্জ আঞ্চলিক কার্যালয়ের অধীনে মুন্সীগঞ্জ জেলার ৬টি উপজেলাসহ ঢাকা জেলার দোহার, নবাবগঞ্জ ও কেরানীগঞ্জ উপজেলার ঠিকাদাররা এ কর্মসূচিতে অংশ নিয়েছে।

বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর
=============

মুন্সীগঞ্জে বকেয়া বিল পরিশোধের দাবিতে সড়ক ও জনপথ ঘেরাও

মোজাম্মেল হোসেন সজল: ঠিকাদারদের ১শ’৫০ কোটি টাকার বকেয়া বিল পরিশোধের দাবিতে মুন্সীগঞ্জে সড়ক ও জনপথের কার্যালয় ঘেরাও করেছে সংশ্লিষ্ট ঠিকাদাররা। রোববার সকাল ১০টা থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত শহরের দর্পণা সিনেমা হল সংলগ্ন দ্বিতীয় তলাস্থ মুন্সীগঞ্জ সড়ক ও জনপথ কার্যালয়ে প্রবেশ মুখে ঠিকাদাররা অফিসটি ঘেরাও এ কর্মসূচি পালন করে। এতে অফিসের কর্মকর্তা-কর্মচারিরা অবরুদ্ধ হয়েই ভেতরে তারা তাদের কাজকর্ম সারেন।

একাধিক ঠিকাদার জানান, মুন্সীগঞ্জ সড়ক ও জনপথের আওতাধীন প্রায় ২শ’ ঠিকাদার গত ২০০৪-২০০৫ অর্থ বছর থেকে এ পর্যন্ত তাদের অন্তত ১শ’৫০ কোটি টাকার বকেয়া বিল রয়েছে। এর সিংহভাগ বিলই সাবেক জোট সরকার ও এ সরকারের সাবেক যোগাযোগমন্ত্রী আবুল হোসেনের সময়কার। এসব বিল বর্তমান যোগাযোগমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের পরিশোধ করার ব্যবস্থা করছেন না। বরং এ খাতের টাকা অন্য খাতে নেয়া হচ্ছে।


সালাম এন্টারপ্রাইজের মালিক এম এ হোসেন বলেন, গত ২০০৫-২০০৬ অর্থবছরে তার বকেয়া বিল রয়েছে ১ কোটি ৫০ লাখ টাকা। সাজাদ ইশতিয়া এন্টারপ্রাইজের মালিক আবুল কালাম কানন একই অর্থবছরে কাজ করে তার বকেয়া রয়েছে ১ কোটি টাকা। এনায়েত ট্রেডার্সের মালিক মো. এনয়েতউল্লাহ খান সেন্টু জানান, গত ৭ বছর ধরে তার ৬০ লাখ টাকা বকেয়া পরে রয়েছে। আফতাব হোসেন সাদি নামে আরেক ঠিকাদার জানান, তার ৫৫ লাখ টাকা বকেয়া রয়েছে ৭ বছর ধরে। মেসার্স খান ট্রেডার্সের মালিক মো. শাহীন জানান, তার ৯ লাখ ৫০ হাজার টাকা বকেয়া পরে রয়েছে।

তারা আরো জানান,আমরা ঠিকাদাররা রাষ্ট্রের সেবা করে থাকি। আমাদের উপেক্ষিত করা মানে রাষ্ট্রকে উপেক্ষিত করা। তারা আরো বলেন, গুরুত্বপূর্ণ মুহুর্তে কোন জরুরি মেরামত কাজও আমাদের করতে হয়। আমাদের বকেয়া বিল দ্রুত পরিশোধ করা না হওয়া পর্যন্ত ওই মেরামত কাজে আমরা অংশ গ্রহণ করবো না।

উল্লেখ্য,মুন্সীগঞ্জ সড়ক ও জনপথের অধীনে মুন্সীগঞ্জ জেলার ৬টি উপজেলাসহ ঢাকা জেলার দোহার, নবাবগঞ্জ ও কেরানীগঞ্জ উপজেলা রয়েছে।

ঢাকা নিউজ এজেন্সি

Leave a Reply