মাওয়ায় পদ্মার ভাঙনে সরিয়ে নেয়া হচ্ছে স্থাপনা

মোজাম্মেল হোসেন সজল: মুন্সীগঞ্জের মাওয়ায় পদ্মায় শনিবার ভাঙন পরিলক্ষিত হয়নি। তবে, মাওয়ায় পদ্মার স্্েরাত অব্যাহত রয়েছে। ফেরিও চলছে আগের মতোই ঝুঁকি নিয়ে। স্্েরাতে কারেণে মাওয়া ফেরিঘাট প্রান্তে ভিড়তে মাল ও যাত্রীবাহী যানবাহনসহ ফেরিগুলোকে টেনে আনছে শক্তিশালী টাগ জাহাজ দুর্বার। আশেপাশের লোকজনকে গতকাল শনিবার তাদের কাচা-পাকা স্থাপনা সরিয়ে নেয়া হচ্ছে।

এদিকে, জাতীয় সংসদের হুইপ অধ্যাপিকা সাগুফতা ইয়াসমিনি এমিলি শনিবার দুপুরে ভাঙনকবলিত এলাকা পরিদর্শন করেছেন। এসময় তার সঙ্গে ছিলেল এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলী এসএম শাহ নেওয়াজ, পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. রুহুল আমিন, উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী মো. আমজাদ হোসেনসহ সংশ্লিষ্ট বিভাগের উর্ধতন কর্মকর্তাবৃন্দ। হুইপ ভাঙনকবিলত এলাকা থেকে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ে মোবাইলে কথা বলে মাওয়া-ভাগ্যকুল-দোহার সড়ক বিকল্পভাবে ২-১ দিনের মধ্যে তৈরি করা হবে বলে স্থানীয় জনতাকে আশ্বস্ত করেন। এছাড়া পদ্মার মাঝের একটি চর বিআইডব্লিউটিএ ক্যাপিটাল ড্রেজিংয়ের ম্যাধ্যমে কেটে দেয়া হবে। কারণ ওই চরটিতে পানি বাধাপ্রাপ্ত হয়ে মাওয়া এলাকায় আঘাত হানায় একানে ভাঙন দেখা দিয়েছে। খুব শিঘ্রই এ ড্রেজিং শুরু হবে। এরপর হুইপ ভাঙনে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের সাথে দেখা করে তাদের পূণর্বাসনের আশ্বাস দেন।

পরে হ্ইুপ লৌহজং উপজেলা থানা সংলগ্ন পদ্মার পারে ১৫ কোটি টাকা ব্যয়ে নদী ভাঙন রক্ষা বাধ নির্মাণ কাজের উদ্বোধন করেন। এসময় এক সভায় লৌহজং আওয়ামী লীগের সভাপতি ফকির মো. আব্দুল হামিদের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন- সাধারণ সম্পাদক আব্দুল রশিদ সিকদার, গিয়াস উদ্দিন বেপারি, তোফাজ্জল হোসেন তপন, নীলু মৃধা প্রমুখ।

এমিলি বলেন, বিগত কোন সরকারই লৌহজং-টঙ্গীবাড়ির পদ্মার ভাঙনরোধে কোন ব্যবস্থা নেয়নি। কিন্তু বর্তমান সরকার এই প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবেলার জন্য সরকারের পক্ষ থেকে সব ধরণের সহযোগিতা করে যাচ্ছে। ক্ষতিগ্রস্তদের পূর্ণর্বাসনেও সরকারের পক্ষ থেকে যথাযথ পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে।

ঢাকা নিউজ এজেন্সি
============

নদীভাঙ্গন রোধে বর্তমান সরকার দীর্ঘ মেয়াদী পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে – হুইপ এমিলি

মোঃ রুবেল ইসলাম: জাতীয় সংসদেও হুইপ সাগুফতা ইয়াসমিন এমিলি বলেছেন, নদী ভাঙ্গন রোধে বর্তমান সরকার দীর্ঘ মেয়াদী পরিকল্পনা হাতে নিয়েছেন। এতে বাংলাদেশের প্রত্যন্ত নদী মাতৃকভাঙ্গন কবলিত এলাকাগুলোতে ভাঙ্গনরোধে বিভিন্ন পরিকল্পনা নিয়েছেন। এ উপলক্ষে শনিবার বিকেলে তিনি মাওয়ায় পদ্মার ভাঙন পরিদর্শন কালে স্থানীয় ভাঙ্গাবামীদেও উদ্দেশ্যে এসব কথা বলেন। শনিবার মাওয়া ঘুরে দেখা যায় পদ্মার ¯্রােত অব্যাহত রয়েছে। ভাঙনের গতি কিছুটা হ্রস পেয়েছে। নতুন করে কোন এলাকা আর ভাঙেনি।

তবে আশেপাশের লোকজনকে শনিবার তাদের কাচা-পাকা স্থাপনা সরিয়ে নিতে দেখা গেছে। স্থানীয় এমপি ও জাতীয় সংসদের হুইপ অধ্যাপিকা সাগুফতা ইয়াসমিনি এমপি বিকেলে ভাঙন কবলিত মাওয়া এলাকা পরিদর্শন করেছে। এসময় তার সঙ্গে ছিলেন এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলী এসএম শাহ নেওয়াজ, পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মোঃ রুহুল আমিন, উপবিভাগীয় প্রকৌশলী মোঃ আমজাদ হোসেনসহ সংশ্লিষ্ট বিভাগের উর্ধতন কর্মকর্তাবৃন্দ। হুইপ ভাঙনকবিলত এলাকা হতে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রনালয়ে মোবাইলে কথা বলে মাওয়া-ভাগ্যকুল-দোহার সড়ক বিকল্পভাবে ২-১ দিনের মধ্যে তেরী করা হবে বলে স্থানীয় জনতাকে আশ্বস্ত করেন। তাছাড়া পদ্মার মাঝের একটি চর বিআইডব্লিউটিএ ক্যাপিটাল ড্রেজিংয়ের ম্যাধ্যমে কেটে দেয়া হবে। কারণ ওই চরটিতে পানি বাধাপ্রাপ্ত হয়ে মাওয়া এলাকায় আঘাত হানায় একানে বাঙন দেখা দিয়েছে। খুব শিঘ্রই এ ড্রেজিং শুরু হবে।

এরপর হুইপ ভাঙনে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের সাথে দেখা করে তাদের পূর্ণবাসনের আশ্বাস দেন।পরে হ্ইুপ লৌহজং উপজেলা থানা সংলগ্ন পদ্মার পারে ১৫ কোটি টাকা ব্যয়ে নদী ভাঙন রক্ষা বাদ নির্মাণ কাজের উদ্বোধন করেন। এসময় এক সভায় থানা আওয়ামী লীগের সভাপতি আহাজ্ব ফকির মোঃ আব্দুল হামিদের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন আব্দুল রশিদ সিকদার, গিয়াস উদ্দিন বেপারী, নীলু মৃধা, মেহেদী হাসান, আবুল বাসার খান, মামুন বেপারী, মাসুম আহাম্মেদ পিন্টু, নাজমুল ইসলাম শাওন প্রমুখ।এমিলি বলেন, বিগত কোন সরকারই লৌহজং-টঙ্গীবাড়ীর পদ্মার ভাঙনরোধে কোন ব্যবস্থা নেয়নি। কিন্তু বর্তমান সরকার এই প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবেলার জন্য সরকারের পক্ষ থেকে সব ধরণের সহযোগিতা করে যাচ্ছে। ক্ষতিগ্রস্তদের পূর্ণবাসনেও সরকারের পক্ষ থেকে যথাযথ পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে।#